কমলিনীর খেলা শেষ! ঋক-মধুবনীকে সসম্মানে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসলেন দাদু

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কে প্রথম কাছে এসেছি (Ke Prothom Kache Esechi)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিকটি মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। তবে দিনে দিনে বাড়ছে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা। কাহিনীতে আসছে একের পর এক চমক। ঋক আর মধুবনীর গল্পে আসছে একের পর এক টুইস্ট। পর্দায় মোহনা মাইতি (Mohona Maiti) এবং সায়ন বসুর (Sayan Bose) রসায়ন ভীষণ পছন্দ করছেন দর্শকরা। পাশাপাশি মিহির চরিত্রে খুদে অভিনেত্রী রাধিকা কর্মকারের (Radhika Karmakar) দুর্দান্ত অভিনয় তাক লাগিয়ে দিয়েছে দর্শকদের।

তবে বর্তমানে ধারাবাহিকে এসেছে একের পর এক বিরাট চমক। কমলিনীর একের পর এক কুকীর্তি ফাঁস করে দিচ্ছে মধুবনী। যার জেরে দিশাহারা হয়ে পড়ছেন কমলিনী সেনগুপ্ত। অফিস থেকে টাকা কোন অ্যাকাউন্টে যাচ্ছে সেই বিষয়ে জানার জন্যই ব্যাঙ্কের দারস্ত হয় মধুবনী। আর সেখান থেকে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করে সে পৌঁছে যায় সেনগুপ্ত বাড়িতে।

ke prothom kache esechi time slot

কে প্রথম কাছে এসেছি আজকের পর্ব ১১ আগষ্ট (Ke Prothom Kache esechi 11 August)

ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে দেখা গেছে সেনগুপ্ত বাড়িতে এসে উপস্থিত হয়েছে মধুবনী। আর এসেই সে পূর্ণেন্দু সেনগুপ্ত অর্থাৎ দাদুকে জানিয়ে দেয় সেই অ্যাকাউন্টের সম্পর্ক। দাদু ভাবতে থাকেন ঋকের স্বর্গীয় মায়ের নামে কে চালাচ্ছে অ্যাকাউন্ট? তখনই মধুবনী জানায় ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে বলে সেই অ্যাকাউন্ট সিজ করিয়েছে দিয়েছে সে। কথাটা শুনেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে কমলিনীর। সে ভাবতে থাকে এবার কিভাবে সে টাকা নেবে। এরপরই গুরুদেবকে প্রমাণ করে বেরিয়ে যায় মধুবনী।

আরও পড়ুন: সাধুদার কথা শুনে চমকে গেল জ্যাস! ভাঙতে চলেছে জগদ্ধাত্রী আর স্বয়ম্ভুর সম্পর্ক?

মধুবনী বেরিয়ে যাওয়ার পর পূর্ণেন্দু জানান তিনি এবার একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে আর তিনি সেটাই করবেন। এদিকে ঋককে না পেয়ে বাড়িতে এসেই ছোট্ট মিহিকে দিয়ে কাজ করাতে শুরু করেন মধুবনীর দিদি। তিনি মিহির মাথায় এটা ঢোকানোর চেষ্টা করতে থাকেন যে মিহিকে তার বাবার বাড়িতে গিয়ে এইসবই করতে হবে। যদিও ঋকের গলার আওয়াজ শুনেই পালিয়ে যায় ওই দম্পতি। এদিকে বাড়িতে ফিরে আসে মধুবনী আর ঋক। তখনই ঋককে ফোন করেন দাদু।

ঋকের হাত ধরে সেনগুপ্ত বাড়িতে ফিরল মধুবনী আর মিহি

দাদুর ফোন পেয়ে ভীষণ খুশি হয় ঋক। ফোনের ওপার থেকে পূর্ণেন্দু জানান মধুবনী আর মিহিকে নিয়ে ঋক যেন এই বাড়িতে ফিরে আসে। দাদুর কথা শুনেই ভীষণ খুশি হয় ঋক আর মধুবনী। কিন্তু মুখের হাসি মিলিয়ে যায় মিহির। ঋকের বাড়ি যাবে না বলে জেদ ধরে সে। কিন্তু কোনক্রমে মিহিকে বুঝিয়ে সেনগুপ্ত বাড়িতে নিয়ে আসে ঋক আর মধুবনী। কিন্তু বাড়িতে আসতেই ঠাম্মি জানিয়ে দেন মধুবনী আর ঋক এই বাড়িতে থাকতে পারে কিন্তু মিহিকে হোস্টেলে পাঠিয়ে দিতে হবে। কথাটা শুনেই বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ঋক আর মধুবনী। কিন্তু তখনই তাদেরকে আটকে দেন দাদু। তবে কি শেষমেশ সেনগুপ্ত বাড়িতেই থাকবে ঋক-মধুবনী? জানা যাবে আসন্ন পর্বে।

Back to top button