সাধুদার কথা শুনে চমকে গেল জ্যাস! ভাঙতে চলেছে জগদ্ধাত্রী আর স্বয়ম্ভুর সম্পর্ক?

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। শুরুর থেকেই ধারাবাহিকটি মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। তবে যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে ধারাবাহিকটির জনপ্রিয়তা। টিআরপি (TRP) তালিকাতেও একটানা রাজত্ব করেছে এই ধারাবাহিকটি। পর্দায় অভিনেত্রী অঙ্কিতা মল্লিক (Ankita Mallick) এবং সৌম্যদীপ মুখার্জীর (Soumyadeep Mukherjee) রসায়ন ভীষণ পছন্দ করেছেন দর্শকরা। বারবার একে অপরের বিপদে ছুটে এসেছেন দুজনে।

সম্প্রতি ধারাবাহিকেও ফুটে উঠেছে সেই ছবি। স্বয়ম্ভুর জেল হয়ে যাওয়ার পর রীতিমতো দিশাহারা হয়ে গিয়েছিল জগদ্ধাত্রী। স্বয়ম্ভুকে বাঁচাতে নিজের সাধ্যের ওপরে গিয়েই নানা কাজ করেছে সে। দেবুদা, বৈদেহী, উৎসব কাউকেই রেহাই করেনি জগদ্ধাত্রী। সমস্ত রকমের প্রচেষ্টা করে অবশেষে দেবুদা আর দিব্যাকে জেলে পাঠিয়ে স্বয়ম্ভুকে নির্দোষ প্রমাণিত করেছে জ্যাস সান্যাল। পর্দায় এই দুজনের ভালোবেসে দেখে বারবার আপ্লুত হয়েছেন দর্শকরা।

Jagaddhatri proved Swayambhu innocence

জগদ্ধাত্রী আজকের পর্ব ১১ আগষ্ট (Jagaddhatri Today Episode 11 August)

ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে দেখা গেছে জগদ্ধাত্রীকে জগদ্ধাত্রীকে বাইরে বিশ্রাম করতে বলে অফিসে চলে গেছে স্বয়ম্ভু আর কৌশিকী। পাশাপাশি উৎসবকে শোধরানোর জন্যও এবার কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন বড়দি। না পাবে গাড়ি, না থাকবে টাকা। একজন সাধারণ কর্মচারীর মতো কাটাতে হবে জীবন। পরিশ্রম করে উপার্জন করেই উপার্জন করতে হবে টাকা। ভাইকে শুধরানোর জন্য এবার এই প্ল্যানটাই করেছেন কৌশিকী। তবে এদিকে কেসের জন্য জগদ্ধাত্রীকে ডেকে পাঠান সাধুদা।

আরও পড়ুন: অনির্বাণের চরিত্রে আমূল পরিবর্তন! রাইকে অপমান করায় সোহিনীকে যোগ্য জবাব দিল সে!

তবে জগদ্ধাত্রী বেরোনোর আগেই ফোন করে স্বয়ম্ভুকে। কিন্তু জগদ্ধাত্রীকে বাইরে যেতে বারণ করে দেয় স্বয়ম্ভু। সে জানায় জগদ্ধাত্রী এই অবস্থায় কোথাও যাবে না। তবে কোন কথাই শুনতে চায়না জগদ্ধাত্রী। তখনই স্বয়ম্ভুর থেকে ফোন নিয়ে কৌশিকী জগদ্ধাত্রীকে কড়া শব্দে বলেন সে কোন পরিস্থিতিতেই এখন বাড়ি থেকে বেরোতে পারবে না। বড়দির কথা শুনে আর কোন উত্তর দেয়না জগদ্ধাত্রী। রান্নাঘরে গিয়ে রান্না করতে শুরু করে সে।

ফের রহস্য উদঘাটনে মাঠে নামল জগদ্ধাত্রী

এদিকে ক্রাইম স্পটে গিয়ে অবাক হয়ে যান সাধুদা। তড়িঘড়ি তিনি ডেকে পাঠান জগদ্ধাত্রীকে। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে তড়িঘড়ি বেরিয়ে পড়ে জগদ্ধাত্রী। অফিসে গিয়ে তার হাতে ট্যাক্সের কাগজ ধরিয়ে দেয় সাধুদা। সবটা দেখে চমকে যায় জগদ্ধাত্রী। একটি সাধারণ চুরি দিয়েই হয়েছে খু’ন। তবে এই খু’নের রহস্য উদঘাটনের জন্য জগদ্ধাত্রীকে শেষবারের মতো ময়দানে নামতে বলেন সাধুদা। সাধুদাকে অনেকবার বোঝানোর চেষ্টা করে জগদ্ধাত্রী। কিন্তু শেষমেশ সকলের অনুরোধে এই কেসটা সমাধান করতে রাজি হয়ে যায় জ্যাস। কিন্তু স্বয়ম্ভু! সে তো কিছুই জানে না। তাহলে কি এবার কর্মজীবনের কারণেই দূরত্ব তৈরি হবে জগদ্ধাত্রী আর স্বয়ম্ভুর মাঝে? জানতে হলে দেখতে থাকুন জগদ্ধাত্রী।

Back to top button