জল খাবারের অভাবে আধমরা রোহিত ফুলকি, বাড়ির মধ্যে ঢুকতে গিয়ে ভেঙে পড়লো দেওয়াল, শেষ চেষ্টাও ব্যর্থ রেসকিউ টিমের!

এই মুহূর্তে দেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki)। একদম সেই শুরুর দিন থেকেই এই ধারাবাহিকটি তাদের গল্পের প্রতি দর্শকদের আকর্ষণ এতোটুকুও কম হতে দেয়নি। প্রত্যেক সপ্তাহে ধারাবাহিকের টিআরপি থাকে ১ থেকে ৩ এর মধ্যে। এর নড়চড় হতে কখনোই দেখা যায় না। খুব কম সময়ের মধ্যেই ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা দর্শকদের মনে অনেকটা জায়গা করে নিয়েছে। এই মুহূর্তে তারা পড়েছে এক চরম বিপদে।

একটি মেয়ের বক্সিং করে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে নিজের পরিবারকে দেখার গল্প নিয়েই তৈরি হয়েছিল এই ধারাবাহিকের প্লট। তারপর ধারাবাহিকে আসে অনেক পরিবর্তন। বড়লোক বাড়ির ছেলের সাথে বিয়ে হয় ফুলকির। যার সাথে বিয়ে হয় তার অতীত বেশ ভয়ংকর। সব বুঝে উঠতে উঠতে ধীরে ধীরে নায়ক নায়িকার মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হয়। কিন্তু এই সুন্দর সম্পর্ক সহ্য করতে পারে না নায়কের প্রাক্তন স্ত্রী শালিনী এবং রুদ্র। প্রত্যেকটি বিষয়ে রোহিত আর ফুলকির মধ্যে ঝামেলা বাধানোর চেষ্টা করে তারা। কিন্তু প্রত্যেকবার নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করে ফুলকি। এবারেও রুদ্রর কথা বিশ্বাস করে ফুলকিকে নিয়ে অনেক বড় বিপদে পড়ে রোহিত।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মাস্টারমশাই সাহায্যের জন্য ডিআইজি স্যারের কাছে গিয়ে উপস্থিত হয়েছে। তিনি স্যারকে বলেন, রোহিত আর ফুলকি অনেক বড় বিপদের মধ্যে আটকে পড়েছে। তিনি যদি না যান তাহলে ওদেরকে আর প্রাণে বাঁচানো যাবে না। ওরা ওই ভাঙাচোরা বাড়িতে চাপা পড়ে যাবে। এদিকে অনেকক্ষণ জল না খেয়ে খুব খারাপ অবস্থা হয়ে গিয়েছে রোহিত আর ফুলকির। তারা অনেকক্ষণ খাবার বা জল কিছুই স্পর্শ করেনি। তারা চিৎকার করে অংশুমানকে একটু জলের ব্যবস্থা করতে বলে। অংশুমান তখন জল খুঁজতে বেরিয়ে পড়ে এবং অনেকক্ষণ খোঁজার পর জলের দুটো পাউচ নিয়ে আসে। কিন্তু জলের জোগাড় করা গেলেও সেটা ওই দুজন অবধি কিভাবে পৌঁছে দেবে সেটা কিছুতেই বুঝতে পারে না অংশুমান।

তখন সে রোহিতকে বলে, রেসকিউটিম এলেই তাদের কাছে জল পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা যাবে। তার আগে সম্ভব নয়। এরপর সেখানে চলে আসে রেসকিউ টিম। তারা মাইক নিয়ে জোরে জোরে রোহিত আর ফুলকিকে বলে, “আমরা একটা ড্রোন পাঠাচ্ছি, সেটাকেই দেখা মাত্রই আপনারা হাত নাড়বেন।” এরপর সেই ড্রোনটা সেখানে পৌঁছে যায় যেখানে ফুলকি আর রোহিত রয়েছে। তাদেরকে দেখতে পেয়ে নিশ্চিন্ত হয় অংশুমান।

আরও পড়ুনঃ আরো একবার উৎসবের নিশানায় কাঁকন! চিন্তায় পাগল হয়ে গেলো কৌশিকী, জ্যাস এবার শাস্তি দেবে দোষীদের!

এরপর তারা এক এক করে দুটো জলের পাউচ ভিতরে ছুঁড়ে ফেলে। এর মধ্যে প্রথমটা ধরতে না পারায় মাটিতে পড়ে ফেটে যায় এবং সব জল মাটিতে পড়ে যায়। পরেরটা তারা ধরে ফেলে। আর সেটা প্রথমেই রোহিতের কাছে নিয়ে আসে ফুলকি। সে বলে তার জলতেষ্টা মিটে গেছে এই জলটা যেন রোহিত খেয়ে নেয়। রোহিত মনে মনে ভাবে যে মেয়েটা তাকে জল খাওয়ানোর জন্য নিজে মিথ্যা বলছে সেই মেয়েটা কি করে তাদের ক্ষতি করতে পারে? রুদ্রর কথা বিশ্বাস করে সে কত বড় ভুলটাই না করেছে। রোহিত কিছুটা জল ফুলকিকে খাওয়ায় আর তারপর বাকিটা নিজে খায়। রোহিতের পায়ের কাটা জায়গাটায় ফুলকি নিজের শাড়ির আঁচল ছিড়ে ভালোভাবে ব্যান্ডেজ করে দেয়। এরপর রেসকিউটিন পুরোদমে তাদেরকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে থাকে।

Back to top button