বড় তীরন্দাজ হবার আগেই ভে’সে গেল রাঙামতির জীবন! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

বাংলা মেগা ধারাবাহিকগুলির মধ্যে বেশি কিছু নতুন ধারাবাহিকের একটি হল স্টার জলসার (Star jalsha) নতুন ‘রাঙামতি তীরন্দাজ’ (Rangamoti Tirandaj)। ধারাবাহিকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করছেন নবাগতা অভিনেত্রী মনীষা মন্ডল এবং অভিনেতা নীলাঙ্কুর মুখোপাধ্যায়। এই ধারাবাহিকের হাত ধরে প্রথমবার পর্দায় জুটি বাধছেন দুজনে। এবার দেখার অপেক্ষায় ধারাবাহিকের মাধ্যমে দুজন দর্শকের মন কতটা জয় করতে পারে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে নমিতা রাঙামতিকে নিয়ে তীরন্দাজ প্রতিযোগিতার ট্রায়াল পরীক্ষার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। এদিকে রাঙামতির বাবা নমিতার পরিবারকে নিয়ে জঙ্গল সফরে গিয়েছে। সেখানে নমিতার তিন ছেলে, দুই বৌমা এবং মেয়ে জামাই রয়েছে। জঙ্গলে ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ করে আক্কুর পায়ে পড়ে যায় বো’মা। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করতে সকলে ম’রিয়া হয়ে ওঠে।

Bengali serial

রাঙামতী তীরন্দাজ আজকের পর্ব ৫ অক্টোবর (Rangamoti Tirandaj Today Episode 5 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে আক্কুকে বাঁচানোর জন্য রাঙামতির বাবা নিজের জীবনের তো’য়াক্কা না করে বো’মার উপরে দাঁড়িয়ে পড়ে। এর পরে সকলে মিলে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও রাঙামতির বাবা কিছুতেই সেই বো’মা থেকে সরে না। সে আক্কুকে বাঁচানোর জন্য নিজের জীবনের ঝুঁ’কি নেয়। এদিকে এই ঘটনা তো জানে না রাঙামতি কিন্তু বাবার জন্য চিন্তায় জঙ্গলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় নমিতার সঙ্গে। সেখানে পৌঁছে দেখে তার বাবা বো’মার উপরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। নিজের বাবাকে এই অবস্থায় দেখে মাথা ঠিক রাখতে পারেনা রাঙামতি। কা’ন্নায় তার বুক ফে’টে যায়। কিন্তু রাঙামতিকে ধারে কাছেও আসতে দেয় না তার বাবা। তিনি রাঙামতিকে বলে দিদিমণির সমস্ত স্বপ্ন পূরণ করে তাকে অনেক বড় তীরন্দাজ হতে হবে। রাঙামতি তার বাবাকে কথা দেয় সে দিদিমনির কথা রাখবে। পরে রাঙামতির বাবা নমিতা এবং তার স্বামীকে জানায় রাঙামতির বাবা ছাড়া আর কেউ নেই তারা যেন রাঙামতির খেয়াল রাখে।

এরপরে রাঙামতির বাবার পায়ের তলার বো’মা ফেটে তার মৃ’ত্যু হয়। রাঙামতির বাবাকে চোখের সামনে ম’রতে দেখে ধুম জ্বর চলে আসে আক্কুর। সে ঘুমের ঘোরে উল্টোপাল্টা বকতে থাকে। নিজেকে দায়ী করতে থাকে রাঙামতির বাবার মৃ’ত্যুর জন্য। অন্যদেরকে রাঙামতিও খাওয়া-দাওয়া সব ভুলে গিয়েছে, তাকে সামলানোর জন্য রয়েছে নমিতা। অনেক চেষ্টা করেও রাঙামতিকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে পারছে না সে। অন্যদিকে রাঙামতিকে নিয়ে এই সমস্ত আদিখ্যেতা একেবারেই পছন্দ করছে না নমিতার বড় বৌমা। সে চাইছে রাঙামতিকে কিছু টাকা দিয়ে এখানে এই ব্যাপারটাকে মিটিয়ে দিতে।

আরও পড়ুনঃ মায়ের হয়ে ল’ড়াই করল গৌরব! বাবার বি’রুদ্ধে গিয়ে নামিয়ে আনল সর্বনাশ!

এদিকে আক্কু বিবেক দংশনে ভুগছে। বারবার সে রাঙ্গামাটির কাছে যেতে চাইছে। তাকে দেখার জন্য তার কাছে ক্ষমা চাইতে যাচ্ছে। এদিকে রাঙামতিকে নিয়ে কলকাতায় চলে আসতে চাইছে নমিতা। সেখানে রাঙামতি নন্দিতার কাছেই থাকবে। এই শুনে তো রাঙামতি বেশ অবাক হয়ে যায়। কিন্তু নমিতা জানিয়ে দেয় রাঙামতিকে বড় তীরন্দাজ হতে গেলে তাকে একা ফেলে রেখে কিছুতেই যেতে পারবেনা নমিতা, নমিতা তার দায়িত্ব নেবে।

Back to top button