এখন থেকেই রাঙামতির পাশে আক্কি! বৃন্দার মুখে ঝা’মা ঘষে দিল সে!

বেশকিছু নতুন ধারাবাহিক শুরু হয়েছে স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায়। তারমধ্যে অন্যতম একটি নতুন ধারাবাহিক হল ‘রাঙামতি তীরন্দাজ’ (Rangamoti Tirandaj)। এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে একটি সাধারণ আদিবাসী মেয়ের তীরন্দাজ হয়ে ওঠার গল্প ফুটিয়ে তোলা হবে। ধারাবাহিকটি স্টার জলসার পর্দায় প্রতিদিন সন্ধ্যে সাড়ে সাতটায় সম্প্রচারিত হয়।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে নমিতা নিজের বিদায় সম্বর্ধনা উৎসবে রাঙামতির হাতে একটি দামি তিরধনুক তুলে দিয়েছে। রাঙামতিকে নিয়ে তার অনেক স্বপ্ন। তার ইচ্ছে রাঙামতিকে একদিন অনেক বড় তীরন্দাজ বানাবেন। আর রাঙামতির মধ্যে সেই প্রতিভাও রয়েছে। এদিকে রাঙামতিকে এত দামি তির ধনুক দেওয়ায় নমিতার বড় ছেলের বউ বৃন্দা বেজায় খেপে গিয়েছে।

রাঙামতী তীরন্দাজ আজকের পর্ব ৩ অক্টোবর (Rangamoti Tirandaj Today Episode 3 October)
ধারাবাহিকের আজকের প্রথম পর্বে দেখা যাবে বৃন্দা বারবার তার স্বামীকে বলতে থাকে কেন তার মা এত দামি তীর ধনুক উপহার দিতে গেল ওই গ্রামের মেয়েটিকে। এক লাখ ছিয়াত্তর হাজার টাকা দিয়ে একটি তীর ধনুক দেওয়ায় বেশ অসন্তুষ্ট হয়েছে বৃন্দা। শাশুড়ি মায়ের এই বাড়াবাড়ি একেবারেই পছন্দ নয় তার। কিছুক্ষণ পরেই বৃন্দাদের ঘরে আসে নমিতার মেজো ছেলে এবং মেজ বউ নিজের দেওরকে ডেকে বৃন্দা বলতে থাকে মায়ের খরচা করার ব্যাপারটা তাদের আটকাতে হবে নাহলে তাদের ভাগ্যে কিছুই জুটবে না। এ পড়ে রাঙামতি এসে তাদের সবাইকে খাবার টেবিলে আসার জন্য ডেকে যায়। এর কিছুক্ষণ পরেই দেখা যায় নমিতার ছোট ছেলে আক্কি নিজের ঘরে ঘুরাঘুরি করছে। তখনই আক্কিকে খাবার জন্য ডাকতে যায় রাঙামতি। গিয়ে দেখে আক্কি জুঁই ফুলের গন্ধ শুকছে। রাঙামতি খুশি হয়ে বলে সে জানতো আক্কির এটা পছন্দ হবে, তাই সে ঘরে সাজিয়ে রেখে গেছে। এরপরে রাঙামতি আক্কিকে খেতে যাবার জন্য ডেকে চলে যায়।
তারপরেই আক্কির ফোনে ফোন আসে আহেরির অর্থাৎ যে এয়ার হোস্টেসকে আক্কি ভালোবাসে। এরপর দুজনের মধ্যে কথাবার্তা চলতে থাকে। বাইরে থেকে রাঙামতি তাদের কথা শুনতে পায়। আহেরি আক্কিকে বলে তাদের ব্যাপারে যেন বাড়িতে আজকে সমস্ত কথা জানায় সে। এরপরে খাবার টেবিলে উপস্থিত হয় একে একে সবাই। এদিকে নমিতার মেয়ে নমিতাকে আড়ালে ডেকে নিয়ে গিয়ে বলে নমিতার আশেপাশে যারা ঘুরছে তারা কেউই নমিতার ভালো চায়না, প্রত্যেকে নিজে নিজের উদ্দেশ্যে এবং স্বার্থে রয়েছে। এরপর এই সবাই খাওয়ার টেবিলে বসে পড়ে। খাবার টেবিলে এক এক করে রাঙামতি এবং তার বাবা সমস্ত বানানো খাবার নিয়ে আসে। তখনই নমিতা রাঙামতি এবং তার বাবাকে খেতে বসতে বলে তাদের সাথে। এই কথা শুনে বৃন্দা বলে রাঙামতি এবং তার বাবাকে এত মাথায় তোলার কিছু নেই। রাঙামতিকে ওই দামি তির ধনুক কিনে দিয়ে তিনি ভুল করেছে। গ্রামের এই গরীবদের হাতে ওই বাঁশের তীর ধনুকই মানায়। এর পরে রাঙামতি এবং তার বাবা খাবার থালা নিয়ে আসে, নমিতা যেই তাদের থালায় পোলাও মাংস তুলে দেবে তখনই তাকে আটকে দেয় বৃন্দা। তাদের খাবার নিয়ে যা নয় তাই বলে অপমান করে। তখনই তাদের অপমানের জবাব দেয় আক্কি।
আরও পড়ুনঃ আর ঝগড়া নয়, এবার হাত মেলাল স্রোত-সার্থক! হঠাৎ করে সন্ধি স্থাপন? কি চলছে তাদের মনে?
বৃন্দা রাঙামতি এবং তার বাবাকে ছোটলোক বলে অপমান করে, তাদের এই ধরনের ভালো ভালো খাবার খাবার কোন অধিকার নেই বলে অপমান করে। তখনই আক্কি তার বড় বৌদিকে যোগ্য জবাব দিয়ে দেয়। অপমানিত হয়ে বৃন্দা ঘরে চলে যায়। আক্কির ভালো মনের পরিচয় পেয়ে রাঙামতি মনে মনে খুব খুশি হয়। এরপর আক্কি বাড়ির সকলে খাবার টেবিলে বসে আহেরির কথা জানায়। সকলেই তো এই কথায় খুব খুশি হয়ে যায়। কারণ আক্কি বাবা সকালেই নিজের ছেলের বিয়ের কথা বলছিলেন। কিন্তু আক্কি জানাই এই মুহূর্তে আহেরি বিয়ে করতে চায় না। তারা সহবাস করতে চায়। এ কথা শুনে বাড়ির প্রত্যেকেই তো চমকে ওঠে। এবারে দেখার অপেক্ষায় আগামী পর্বে কি হয়।

