শয়তানি করতে গিয়ে বিপাকে বৃন্দা! তার মুখে চুন কালী লেপে দিল রাঙা!

সপ্তাহখানেক আগে স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় শুরু হয়েছে ‘রাঙামতি তীরন্দাজ’ (Rangamoti Tirandaj)। ধারাবাহিকের নাম শুনেই দর্শক বুঝতে পেরেছিলেন ধারাবাহিকটিতে তীরন্দাজ হয়ে ওঠার গল্প নিয়েই এগোবে। ধারাবাহিকটি ইতিমধ্যে দর্শকদের মনে জায়গা তৈরি করে নিচ্ছে। টিআরপি তালিকাতেও বেশ ভালো ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আহেরির ঘরে আ’গুন লাগার পর সবাই নানা রকম ভাবে চেষ্টা করছিল আগুন নেভানোর। কিন্তু কেউই পারছিল না। অবশেষে রাঙা তার অব্যর্থ নিশানার মাধ্যমে উল্টো দিকের বাড়ির ছাদের ট্যাংক ফুটো করে সে ট্যাংকের জল দিয়ে আহেরির ঘরের আ’গুন নিভায়। রাঙার মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফিরে আসে আহেরি। রাঙার বুদ্ধির প্রশংসা করে প্রত্যেকে, আসলে সবাই ভেবেছিল রাঙার নেশা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আসলে একেবারে সুস্থ স্বাভাবিক ছিল রাঙা। আর তাই জন্যই নিজের নিশানায় লক্ষ্য ভেদ করে এত বড় একটা বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পেরেছে সবাইকে।
রাঙামতি তীরন্দাজ আজকের পর্ব ২২ অক্টোবর (Rangamoti Tirandaj Today Episode 22 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে সবকিছু আবার সুস্থ স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ায় প্রমিতা এবং নবারুণ মিলে বাড়ির সবাইকে বকাবকি শুরু করে। কিভাবে তাদের অনুপস্থিতিতে এই ধরনের ঘটনা ঘটে সেটাই বুঝতে পারে না তারা। বাড়িতে তাদের বড় ছেলে সভ্য থাকায়, আক্কু উপস্থিত থাকায় কি করে এতটা বাড়াবাড়ি করতে পারলে তারা। এদিকে এই সুযোগেই রাঙার ঘাড়ে সমস্ত দোষ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে বৃন্দা। বৃন্দা প্রমিতাকে বলে রাঙা শহরে এসে লোভ সামলাতে না পেরে দামি মদ খেয়ে নেশা করে। রাঙা আসলে মাতলামিটা করেছে। রাঙা আহেরিকে টেনে এনে নাচ করিয়েছে। বৃন্দার এই সমস্ত কথা শুনে আক্কু প্রতিবাদ করে উঠলেও বৃন্দা থামার পাত্রী নয়। রাঙাকে নেশা করানোর পর যে নাচ তারা করিয়েছিল সেই নাচের ভিডিও প্রমিতাকে দেখায় বৃন্দা। রাঙার নাচের ভিডিও দেখে প্রমিতা তো ভীষণ কষ্ট পায়। সে রাঙার থেকে এটা আশা করেন।
প্রমিতার চোখে রাঙাকে ছোট করতে পারল না বৃন্দা
এরপরই রাঙা এসে প্রমিতাকে জানায় তার কিচ্ছু হয়নি, সে একটুও মদ খায়নি। আসলে বৃন্দা এবং ময়না চাইছিল রাঙা নেশা করে নাচ গান করুক তাদের আনন্দ দিক, পাড়ার লোকেরা যাতে রাঙার নামে দুটো বাজে কথা বলে সেটাই চাইছিল তারা। তাই জন্য রাঙা সমস্তটাই নাটক করছিল। রাঙা একটুও মদ খাইনি, সবটা ছাদের কোণায় গিয়ে ফেলে দিচ্ছিল। রাঙার বুদ্ধি দেখে তো প্রত্যেকেই অবাক হয়ে যায়, বৃন্দা এবং সুব্রত তো রীতিমতো ঘোল খেয়ে যায় রাঙার বুদ্ধির কাছে। সবাই তখন বলতে থাকে সত্যি রাঙা যেভাবে একই জায়গায় নিশানা করে লক্ষ্যভেদ করছিল বারবার তাতে করে বোঝা যাচ্ছিল যে রাঙা একেবারে সুস্থ আছে। এরপর সবাই যে যার ঘরে চলে যায়। রাঙা নিজের ঘরে যাওয়ার আগে বৃন্দাকে বলে যায় তার এসব খেতে ভালো লাগে না। তাই বৃন্দার দেওয়া মদ সে খেতে পারেনি।
আরও পড়ুন: অল্প বয়সে পাকামির ফলে হারিয়েছেন নায়িকা হওয়ার সুযোগ! ছোটখাটো সাইড রোলেই কাটছে অভিনেত্রী সমতা দাসের জীবন
পরদিন উঠে রাঙা বাড়ির সমস্ত কাজ করে রাখে। আসলে বাড়িতে গুরুদেব আসবেন সেই জন্য বাড়ি ঘর সমস্ত কিছু পরিষ্কার রাখার কথা জানিয়ে দিয়েছিল নবারুণ। আর সেই মতোই রাঙা সকাল সকাল উঠে সমস্ত কাজ করে দেয়। প্রমিতা এবং পিসি সকালে উঠে বুঝতে পারেনা কে বাড়ির সমস্ত কাজ করেছে। এরপর রাঙা জানায় সেই সমস্ত কাজ করে দিয়েছে। রাঙার মুখে এই কথা শুনে প্রমিতা তো ভীষণ রেগে যায়। সে বলে রাঙার কাজ ভালো করে তীর ধনুক প্র্যাকটিস করা। সে বাড়ির সমস্ত কাজ কেন করতে যাবে। সে যদি সমস্ত কাজ করে দেয় তাহলে সবাই পেয়ে বসবে তাকে। রাঙা জানায় সকালবেলা উঠে সমস্ত কাজ করার পাশাপাশি সে তীর ধনুক প্র্যাকটিসও করেছে এবং এক্সারসাইজও করেছে। তাই রাঙাকে নিয়ে চিন্তা করার কোন দরকার নেই। রাঙার মুখে এই সমস্ত কথা শুনে তো অবাক হয়ে যায় প্রমিতা।

