নিজের পায়ে নিজেই কু’ড়ুল মা’রল রাঙা! লক্ষ্যভেদেই হল স’র্বনাশ! ধুন্দুমার আজকের পর্ব!

স্টার জলসার (Star jalsha) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো রাঙামতি তীরন্দাজ (Rangamoti Tirandaj)। রাঙামতির তীরন্দাজ হয়ে ওঠার গল্প নিয়েই শুরু হয়েছে এই ধারাবাহিক। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকদের মন জয় করেছে রাঙামতি সবার। আর টিআরপি তালিকায় সেই ছবি চোখে পড়ছে। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই টিআরপি তালিকায় বেশ ভালো জায়গা দখল করে নিয়েছে রাঙামতি।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে রাঙার কোচিং সেন্টার এর কোচ স্যার এসে রাঙাকে ১৬ তারিখে স্পেশাল ট্রেনিংয়ে নিয়ে যাবার জন্য বলে যায়। ওদিকে ঐদিনই আক্কুর ম্যানেজারের মেয়ের অনুষ্ঠান, সেখানেও যাওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু রাঙা প্রমিতাকে জানিয়ে দেয় আক্কুর সঙ্গে সে কোন অনুষ্ঠানে সেদিনই যাবে যেদিন সে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করতে পারবে। রাঙার কোচ স্যার ফোন করে রাঙাকে সঙ্গে সঙ্গে ডেকে নেয় ট্রেনিংয়ের জন্য। তারপর একটি বড় বিল্ডিং এর সামনে নিয়ে যায় রাঙাকে এবং সেই বিল্ডিং দেখিয়ে বলে ওই বিল্ডিং এর ৩৭ তম তলায় রাঙাকে লক্ষ্য ভেদ করতে হবে। রাঙা তো কিছুই বুঝতে পারে না কেনো তাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। দেখা যাক আজকের পর্বে কি হয়েছে।
রাঙামতি তীরন্দাজ আজকের পর্ব ১৭ ডিসেম্বর (Rangamoti Tirandaj Today Episode 17 December)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে আর রাঙার কোচ বারবার ওই বিল্ডিং এর দিকে তাক করে বলতে থাকে রাঙাকে সেখানে লক্ষ্যভেদ করতে হবে। বিদেশে বড় বড় তীরন্দাজদের নাকি এভাবেই ট্রেনিং দেওয়া হয়ে থাকে। রাঙা স্পেশাল ট্যালেন্ট নিয়ে জন্মেছে, তার মধ্যে তার কোচ সেই প্রতিভাটা দেখেছেন। এই জন্যই রাঙাকে দিয়ে এই কাজ করাতে চায়। রাঙাকে সবাই কোচিং সেন্টারে হিংসা করে, সে কথা তিনি বুঝতে পেরেছেন। তাই জন্যই রাঙাকে তিনি আলাদা করে ট্রেনিং দিতে চান। রাঙাকে নিয়ে তিনি অনেক স্বপ্ন দেখেছেন। আর রাঙাকে বড় তীরন্দাজ বানানো তার স্বপ্ন। আর কোচের মুখে এই সমস্ত কথা শোনায় রাঙা তো তাকে বিশ্বাস করতে শুরু করে।

অন্যদিকে রাঙার জন্য চিন্তা করতে করতে আক্কু। বারবার ফোন করে রাঙাকে। ফোন বাজছে দেখে রাঙা সেই ফোন ধরতে চায়, কিন্তু তার হাত থেকে ফোন কেড়ে নেয় তার কোচ এবং জানিয়ে দেয় যখন প্র্যাকটিস করবে তখন এই ভাবে অন্যমনস্ক হয়ে গেলে রাঙা কিছুতেই বড় তীরন্দাজ হতে পারবে না। তারপরে রাঙার ফোনটা সুইচ অফ করে দেয়, আর রাঙা চুপচাপ সব মেনে নেয়। এদিকে রাঙাকে ফোনে না পেয়ে চিন্তা হতে থাকে আক্কু। ওদিকে প্রমিতাও চিন্তা করতে থাকে রাঙার জন্য।
আরও পড়ুন: এইবার বিয়ের পিঁড়িতে গীতা LLB – জনপ্রিয় অভিনেত্রী! পাত্র কে?
বিপদের মুখে রাঙা
এরপর রাঙার কোচ বলে যখন বড় বড় বিল্ডিং এ আগুন লাগে তখন এভাবেই লক্ষ্য ভেদ করে ফায়ার ঘন্টা বাজাতে হয়। তাই এই ধরনের প্র্যাকটিস করানো হয়ে থাকে। রাঙার তখন মনে পড়ে সে আহেরির ঘরে আগুন লাগার পর কিভাবে জলের ট্যাঙ্ক ফুটো করে তাকে বাঁচিয়েছিল। এ কথায় প্রভাবিত হয়েই রাঙা তীর ছুড়ে মারে বিল্ডিং এর দিকে। আর ঠিক লক্ষ্যভেদ করতে সফল হয়। তারপরে রাঙার কোচ বলে ওই বিল্ডিংয়ে রয়েছে হীরের হার এবং ওই বিল্ডিং এর বিয়ে হচ্ছে এয়ারলাইন্সের ম্যানেজারের মেয়ের। আর সেই হীরের হার চুরি করতে তাকে সাহায্য করল রাঙা। একথা শুনে তো রাঙা অবাক হয়ে যায়। সে বলে ওই বিল্ডিং এই তো রয়েছে আক্কু। তারপরে রাঙার কোচ জানায় সে কোন তীরন্দাজের কোচ নয়, তার উদ্দেশ্য ছিল রাঙাদের কোচিং সেন্টারে গিয়ে রাঙার মতন কাউকে তুলে নিয়ে আসা এবং তাকে নিজের কাজে লাগানো। আর সেই কাজে সে সফল হয়েছে। রাঙা বুঝতে পারে সে বড় বিপদের মুখে পড়ে গিয়েছে। কিন্তু কি হবে আগামী পর্বে সেটাই দেখার অপেক্ষা।

