সুব্রতর কু’নজরে রাঙা! শুরু হল রাঙার নতুন লড়াই! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব!

তীর ধনুক নিয়ে নিজের জীবনের লড়াইয়ের গল্প বলতে একেবারে অন্য ধরনের গল্প নিয়ে স্টার জলসার (Star jalsha) পর্দায় শুরু হয়েছে ‘রাঙামতি তীরন্দাজ’ (Rangamoti Tirandaj)। ধারাবাহিকের নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করছেন নবাগতা মনীষা মন্ডল এবং নায়ক চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেতা নীলাঙ্কুর মুখোপাধ্যায়।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আক্কু এবং আহেরি মিলে পরিবারের সকলের কথা ভেবে নিজেদের বিয়ের চিন্তাভাবনা করছে। আর এই কথা শুনে বাড়ির প্রত্যেকেই ভীষণ খুশি। আসলে আক্কু আহেরি লিভ ইন করতে চাইছিল তবে তাদের এই সিদ্ধান্তে একেবারেই রাজি ছিলেন না আক্কুর বাবা। তাই আহেরির উপর বেশ অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন। সেইজন্য সকলের কথা চিন্তা ভাবনা করেই নিজেদের আর একটু সময় দিতে চাই দুজনে। ওদিকে রাঙা আক্কুদের বাড়িতে আসার পর থেকেই আক্কুর বড় বৌদি, মেজো বৌদি বাড়ির সকল কাজ রাঙাকে দিয়ে করাচ্ছে। তাদের ফাইফর্মাস খাটাচ্ছে। রাঙা যেই কারণে কলকাতায় এসেছিল তার সেই উদ্দেশ্য পূরণ হতে দেবে না বলেই ঠিক করেছে বৃন্দা।

রাঙামতী তীরন্দাজ আজকের পর্ব ১৫ অক্টোবর (Rangamoti Tirandaj Today Episode 15 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যাবে রাঙ্গার প্রতি নিজের বড় বৌদির ব্যবহার দেখে আক্কু প্রতিবাদ করে ওঠে, রাঙ্গার সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ায় সে। আর এই ঢাল হয়ে দাঁড়ানোর বিষয়টা একেবারেই ভালো চোখে দেখে না বড় বৌদি। তিনি খোঁচা মেরে আহেরির সামনে আক্কুকে নানান কথা শোনায়। এদিকে আক্কু যখন আহেরিকে বাড়ি পৌঁছে দিতে যায় তখন আহেরি আক্কুকে জিজ্ঞাসা করে কেন সে এত চিৎকার করে কথা বলল।
আক্কু জানায় রাঙার বাবার জন্যই আক্কু প্রাণে বেঁচে রয়েছে। তার চোখের সামনেই রাঙার বাবা নিজের প্রাণ দিয়ে দিয়েছে তাকে বাঁচিয়ে। সেই ঋণ কোনদিনও শোধ করতে পারবে না সে। তার মায়ের স্বপ্ন রাঙা একজন বড় তীরন্দাজ হবে। আক্কু আর নমিতা মিলেই দায়িত্ব নিয়েছে, তার ভালো মন্দ সবকিছু দেখার দায়িত্ব তাদের।
আরও পড়ুনঃ আদির রক্ষা কবচ আনন্দী! বুদ্ধিতে বাজিমাত নন্দিনী! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব
অন্যদিকে রাঙার ঘরে বদ উদ্দেশ্য নিয়ে পৌঁছে ময়নার দাদা। রাঙা সাথে করে কি কি নিয়ে এসেছে সেই সব দেখার জন্য তার ঘরে গিয়ে তার পুটলি খুলে হাতাতে থাকে জিনিসপত্র। এরপর রাঙার ব্যাগ থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা মতো পেয়ে সেই টাকা হাতিয়ে নেয় ময়নার দাদা। আর যেই টাকা হাতিয়ে ঘর থেকে বেরোতে যাবে ঠিক তখনই এসে যায় রাঙা। রাঙাকে হঠাৎ দেখে ঘাবড়ে যায়। আর নানান বাহানা করতে থাকে। এরপর রাঙা ময়নার দাদার মুখের উপর বলে তার বাবার সঞ্চিত টাকা গুলো ফেরত দিতে। এবারে দেখার অপেক্ষা এই বিপদের হাত থেকে কিভাবে উদ্ধার পায় রাঙা।

