রাইয়ের চাকরি ছাড়ার কারণ শুনে চমকে গেল অনির্বাণ! নিজেই ভুলগুলো বুঝতে পারলো সে!

কিছু কিছু মানুষ সবার ভালো করতে গিয়েও বারবার খারাপ হয়ে যায়। তাকে সবাই স্বার্থপর ভাবে। এদিকে সেই সব থেকে বেশি স্বার্থত্যাগ ত্যাগ করে এসেছে। এমনি একজন মানুষ হলো জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। প্রত্যেকবার বাড়ি প্রত্যেকটা মানুষের থেকে অপমান সহ্য করে এসেছে সে আর আজ যাকে নিয়ে সে একটু একটু করে স্বপ্ন সাজাচ্ছিল সেও তাকে ভুল বুঝলো।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাইকে কিছুতেই সুখী দেখতে পারে না নীলাঞ্জনা। সে রাইয়ের ফোন থেকে অনির্বাণের নাম্বার নিয়ে অনির্বাণকে ফোন করে মিথ্যে মিথ্যে বানানো এমন অনেক কিছু বলে যেগুলো শুনে অনির্বাণের মনে হয় রাই খুবই খারাপ এবং স্বার্থপর একটা মেয়ে। তার মাথায় এগুলোই চলতে থাকে। আর ঠিক সেই রকমই একটা ব্যবহার রাইকে ফিরিয়ে দেয় অনির্বাণ। এই ব্যবহারটা রাইয়ের মোটেই ভালো লাগে না।
মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ১০ জুন (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 10 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাই অনির্বাণের ঘরে গিয়ে একটা ফাইল দিতেই অনির্বাণ রাইকে বলে, সবার সামনে তুমি করে বলে সে আর জটিলতা বাড়াতে চায়নি, তাই জন্যই আপনি করে বলেছে। রাই বলে, কোন সমস্যা নেই সে সবটাই বুঝতে পেরেছে। রাইকে যাতে বারবার অনির্বাণের ঘরে না আসতে হয় ওই জন্য রাইয়ের কাজগুলো সোহেলীকে বুঝিয়ে দেওয়ার কথা বলতেই রাই বুঝে যায় অনির্বাণ চাইছে না সে তার সামনে আসুক।
চাকরি ছেড়ে দিলো রাই
এরপর অনির্বাণ রাইকে বলে সে হঠাৎ করে নিজের বোনের সাথে সৌর্যর বিয়েটা দিয়ে একেবারে ঠিক কাজ করেনি। রাই এই ব্যাপারে আর কোন কথা বলতে চায় না। সে বাথরুমে গিয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে। এরপর তার কাছে একটা ফোন আসে আর তাকে জানানো হয় তার চাকরিটা হয়ে গেছে। রাই তখন অনির্বাণকে তার ইস্তফা পত্র দেয় আর তাতে লেখে ব্যক্তিগত কারণের জন্য সে এখানে আর চাকরি করতে পারছে না। রাই বেরিয়ে যাওয়ার আগে অনির্বাণকে বলে আসে, সৌর্য এখন শুধুমাত্রই রাইয়ের বোনের স্বামী। তাই সে এই বিষয়ে আর কিছুই ভাবে না। অনির্বাণ বুঝতে পারে এই কাজটা করে সে খুব একটা ঠিক করেনি। রাইকে অপমান করে তাকে আরো দূরে পাঠিয়ে দিয়েছে সে।
আরো পড়ুন: টিআরপি কম, বন্ধের মুখে জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক, দুঃখের সুর ভক্তদের মধ্যে
এদিকে নন্দিতা আর মিষ্টি দুজন মিলে নিলুকে বোঝাতে থাকে, সে যেটা করেছে খুব ভুল করেছে। ওই বাড়িতে এত সুখে থাকতেও সেসব সুখ নিজের হাতে নষ্ট করে দিয়েছে। নীলাঞ্জনা বলে, সে আর কারোর সেবা করতে চাইছিল না, তাই জন্য সে এই মিথ্যের আশ্রয় নিয়েছিল। নন্দিতা বলে, এবার তাকেই মেয়ের শ্বশুর বাড়ি গিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে। এদিকে রাই রাত্রিবেলা বাড়ির বাইরে এসে অনেক কান্নাকাটি করতে থাকে আর বাবাকে স্মরণ করে বলতে থাকে তার মেয়ের স্বপ্নগুলো আর পূরণ হলো না। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে স্রোত। সে রাইকে জড়িয়ে ধরে বলে, আবার নতুন করে বাঁচবে সে। তার জীবনটা অনেক সুন্দর হবে।

