অধ্যাপকের সাথে ঝামেলা করায় কলেজ থেকে বিতাড়িত হলেও স্রোত! রাইকে চরিত্রহীন তকমা দিল তার দাদা

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় নবাগত ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম জায়গা দখল করেছে মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকটি। একদম অন্যরকম একটি গল্প পরিবেশন করছে এই মেগা। পরিবারের মানুষকে ভালোবেসে ঠিক কতটা স্বার্থ ত্যাগ করা যায় এবং নিজের স্বার্থের জন্য নিজের কাছের মানুষকে ঠিক কতটা কষ্ট দেওয়া যায় এই দুইয়ের যথোপযুক্ত নিদর্শন তুলে ধরেছে এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, বাবার মৃত্যুর পর নিজের পরিবারের সমস্ত দায় দায়িত্ত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেয় এই ধারাবাহিকের নায়িকা। নিজের হবু স্বামীর সঙ্গে নিজের বোনের বিয়ে দিয়ে নিজের সমস্ত সুখ নিজের হাতে বিসর্জন দিয়ে দেয় সে। তবুও তার কপালে কেবল অপমান জুটেছে। পরিবারের কারোর থেকে ভালোবাসা দূরে থাক ভালো ব্যবহারটুকুও পায়নি নায়িকা রাই। সবাই তাকে কেবল ভুল বুঝে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাই নিজের বাড়িতে যায় তার পরিবারের মানুষদের সঙ্গে দেখা করতে। সে তার পরিবারকে ভীষণ ভালোবাসে। তাই একটু ছুটি পেতেই প্রথমে নিজের বাড়িতে চলে আসে সে। কিন্তু সেখানে কেউ তার সঙ্গে একটুও ভালো ব্যবহার করেনা। একমাত্র বৌদি তাকে বোঝে বাদবাকি কেউ তাকে কথা শোনাতে ছাড়েনি। যা নয় তাই বলেছে। যে মেয়েটা পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দিচ্ছে সবাই মিলে ঠক জোচ্চোর বলেছে। রাই চুপ করে সবই শুনে গিয়েছে। রাইয়ের বৌদি কেবলমাত্র সবকিছু বুঝতে পারছে। রায় কেন অন্য ছেলের নাম তার বোনের শ্বশুরবাড়িতে বলেছে সেই নিয়ে সবার প্রচন্ড রাগ।

রাই তার মা এবং দাদাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তার সাথে যদি কারোর আলাপ হয়েও থাকে তাও সেই মানুষটার নাম সে তার নিজের বাড়িতে বলবে না। কারণ সে যদি কখনো তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাহলে ভয় পেয়ে যাবে। যে পরিবার এত জঘন্য কথাবার্তা বলতে পারে এত অপমান করতে পারে যন্ত্রণা দিতে পারে সেই বাড়ির মেয়ের কতই না খারাপ হবে। সে আরো বলে, “তোমরা আগে এরকম ছিলে না কিন্তু এখন হয়ে গিয়েছো। কথা আছে অসহায় মানুষকে সবাই আছে সামলে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে বেশি পছন্দ করে। আর তোমরাও ঠিক তাই করছ।” রাইয়ের দাদা রাইকে চরিত্রহীন অবধি বলে অপমান করে।

আরো পড়ুন: পিকলুর প্রত্যাখ্যানে মায়ের পছন্দে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিল বর্ষা, বাজারে গিয়ে চরম বিপদে সৃজনের বাবা!

অন্যদিকে, স্রোতের সাথে বিবাদ বেঁধে গিয়েছে তার প্রফেসরের। সেই প্রফেসর রীতিমতো অভিযোগ জানিয়েছে স্রোতের বিরুদ্ধে। স্রোত বলে, তার কোন উদ্দেশ্য ছিল না কোন খারাপ পরিস্থিতিতে পড়ার বাহ কারো সঙ্গে বিবাদে জড়ানো। এই কলেজে অনেক কষ্ট করে এডমিশন পেয়েছে। ভালো করে পড়াশুনা করে ডাক্তার হতে চায় আর এটাই তার স্বপ্ন। কিন্তু এসব কিছু শুনতে রাজি নয় স্রোতের প্রফেসর। সে নিজের অপমান জারি রাখে।

Back to top button