পিকলুর প্রত্যাখ্যানে মায়ের পছন্দে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিল বর্ষা, বাজারে গিয়ে চরম বিপদে সৃজনের বাবা!

দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে এই সমাজ, তাই যারা দুর্নীতি গ্রস্ত নয়, তাদের উপরেও চাপ সৃষ্টি করা হয় যাতে তারাও অসৎ কাজের সঙ্গী হয়। আর সেটা না করলেই তাদেরকে পথের কাঁটা ভেবে সরিয়ে ফেলে সেই কুরুচিপূর্ণ অসৎ ব্যাক্তিরা। বর্তমানে ঠিক এমনটাই ঘটছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়ক সৃজনের বাবা অমিতেশ দত্তের সাথে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন চায়না বর্ষার অমতে গিয়ে তার বিয়ে হোক। তাই তারা তাড়াতাড়ি সবটা সৃজনের বাবাকে গিয়ে জানায়। এদিকে সৃজনের বাবা অর্থাৎ অমি বাবু তার চাকরি ক্ষেত্রে বেশ সমস্যায় পড়েছে। এক অসৎ ব্যাক্তিকে লোন দিতে চায় না সে। কিন্তু তার জন্য রীতিমতো চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে সৃজনের বাবার উপর। পর্ণা তার শশুর মশাইকে বলে, সে যেনো একটু সাবধানে থাকে কারণ এসব লোকেরা সুবিধের হয় না। এরা নিজেদের কার্য সিদ্ধির জন্য সব কিছু করতে পারে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কৃষ্ণা যখন পর্ণাকে বলে, সে কোনো ভাবেই পিকলুর সাথে নিজের মেয়ের বিয়ে দিতে চায় না তখন সৃজনের বাবা বলে, “বর্ষা যদি সত্যিই পিকলুকে ভালোবেসে থাকে তাহলে আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে ওদের দুজনের বিয়ে দেবো।” তখন আর কিছুই বলতে পারে না কৃষ্ণা। ঠিক সেই সময় বর্ষা এসে নিজের মায়ের পক্ষ নে। সে বলে, “আমার নিজের কোনো পছন্দ অপছন্দ নেই বাবা। মা যার সাথে আমার বিয়ে ঠিক করবে, আমি তাকেই বিয়ে করবো। এই বিয়েতে আমার কোনো আপত্তি নেই।” পর্ণা বারবার তাকে জিজ্ঞেস করে, কেনো এমন কথা বলছে সে। কিন্তু বর্ষার উত্তর বদলে না। মেয়ের কথা শুনে ভীষন খুশি হয়ে যায় কৃষ্ণা। সে পর্ণাকে বলে, এই দত্ত বাড়ির মেয়েরা মায়ের অমতে কিছু করে না।

এরপর নিজের ঘরে চলে যায় বর্ষা। নিজেকে সামলাতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়ে সে। বর্ষা ভাবতেও পারেনি, পিকলু তাকে শুধু বন্ধু বলে দূরে সরিয়ে দেবে। অন্যদিকে পর্ণা সৃজনকে নিয়ে বর্ষার ঘরে এসে দেখে বর্ষা কাঁদছে। আর তারপর নিজের বৌদি ভাইকে সব খুলে বলে সে। নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিলো না পর্ণা। সে আর সৃজন দুজন মিলে পিকলুর কাছে গিয়ে তার মতামত জানাতে চায়। পিকলু তাদেরকেও একই কথা বলে। পর্ণা ঘর থেকে চলে গেলে পিকলুও কান্নায় ভেঙে পরে। সে বলে, “তোর শাশুড়ি মা আমায় কখনো মেনে নেবে না আর তার চাপটা এসে পড়বে। তোর এই অবস্থায় আমি আর তোকে চাপে ফেলতে চাইছি না। তাই আমি বর্ষাকে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছি।”

আরো পড়ুন: দারুন বিপদে ছোটপর্দার রাঙা বউ! বিপদে পড়ে সকলকে সতর্ক করলেন অভিনেত্রী শ্রুতি দাস!

এদিকে, যে লোকটি লোন নিতে চাইছে তার কাছে এসেছে ব্যাংকের ম্যানেজার। সে বলে, “অমিতেশ দত্ত আমাদের ব্যাংকের একজন অনেক পুরনো কর্মচারী। সবটাই ওনার নখদর্পণে। উনি ওনার কাজটাকে এত ভালোবাসেন যে কখনো প্রমোশন অবধি নেননি। ওনার চোখকে ফাঁকি দিয়ে এই লোন পাস করা সম্ভব নয়।” তখন সেই ব্যাক্তি সৃজনের বাবার বাড়ির খোঁজ চায়। সকাল বেলা বাজার করতে গিয়ে সেই লোকটির পাঠানো গুন্ডাদের সম্মুখীন হয় অমি বাবু অর্থাৎ সৃজনের বাবা। সেই দুই গুন্ডার থেকে কোনো মতে পালিয়ে বাড়ি ফিরে সে পর্ণাকে বলে, “তুমি একদম ঠিক বলেছিলে পর্ণা। ওই লোকটা মোটেই সুবিধার নয়। ওরা গুন্ডা পাঠিয়েছিলো। একটা অনেক বড় ঝড় আসতে চলেছে পর্ণা।”

 

Back to top button