অবশেষে প্রিন্সিপালের কথায় নিজের ভুলটা বুঝতে পারলো সার্থক! অনির্বাণের কথায় অবাক হয়ে গেল রাই!

Mithijhora Today Episode: তিন বোনের তিনটি ভিন্ন গল্প কিভাবে একে অপরের সাথে এসে মিলে গিয়েছে সেই গল্পই বর্তমানে পরিবেশন করছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithijhora) ধারাবাহিকটি। এই ধারাবাহিকের প্রধান নায়িকা রাই এর নিজের পরিবারের জন্য করা আত্মত্যাগ সবার প্রথমেই নজর কেড়েছে ভক্তদের। টিআরপি তালিকায় এখন নিজের জায়গাটা তৈরি করার চেষ্টা করছে এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই নিজের অফিস নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও স্রোতকে নিয়ে সে বেশ চিন্তিত। কারণ নিজের কোনো বোনের কষ্টই সে সহ্য করতে পারে না। অন্যদিকে সার্থকের সাথে আরো বেশি ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছে স্রোত। টিসির কথাটা বলার পর থেকে সার্থক যেনো আরো বেশি ভয়ংকর হয়ে উঠেছে স্রোতের কাছে। এতটাই বাজে জায়গায় বিষয়টা পৌঁছে গেছে যে প্রিন্সিপালের ঘরে যেতে হচ্ছে তাদের।

মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ১৬ এপ্রিল (Mithijhora Today Episode 16 April)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাই নিজের কাজগুলো তাড়াতাড়ি সেরে নিয়ে স্রোতকে ফোন করে। স্রোত তাকে জানায়, এদিকে অনেক ঝামেলা হয়ে গিয়েছে। রাই বেশ চিন্তায় পড়ে যায়। সে স্রোতকে বলে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সে কলেজে যাওয়ার চেষ্টা করছে। রাই যে কোন একটা বিষয় নিয়ে বেশ চিন্তিত সেটা বুঝতে পারে অনির্বাণ। তারপর দুটো ফাইল নিয়ে রাইকে নিজের কেবিনে ডেকে পাঠায় সে। রাই ভাবে তার হয়তো আর যাওয়া হবে না।

অনির্বাণ ফাইলগুলো ভালো করে দেখে নিয়ে রাইকে আরও কিছু কাজ দেয়। কিন্তু রাইয়ের চেহারা দেখে সে বুঝতে পারে তার এমন কিছু হয়েছে যার জন্য তার মনটা উতলা হয়ে রয়েছে। সরাসরি জিজ্ঞাসা করে কি হয়েছে। রায় চুপ করে আছে দেখে অনির্বাণ বলে, যদি ভীষণ ব্যক্তিগত কিছু হয় তাহলে বলার দরকার নেই। এরপর রায় সমস্ত ঘটনাটা অনির্বাণকে খুলে বলে। অনির্বাণ সবটা শুনে রাইকে বলে, তার এখনই নিজের বোনের কলেজে যাওয়া উচিত। কথাটা শুনে খুব খুশি হয়ে যায় রাই। তবে অনির্বাণের কেবিন থেকে বেরোনোর আগে সে রাইকে ডেকে বলে, কাল রাইয়ের জন্য সে অপেক্ষা করবে, অনেকদিন পর তার বাড়িতে আবার রান্না হবে। কথাটা শুনে সেখান থেকে বেরিয়ে যায় রাই।

আরো পড়ুন:মন দিতে চাই শেষ হওয়ার আগেই নতুন ধারাবাহিকে ফিরছেন প্রধান নায়িকা! খবর সামনে আসতেই খুশি ভক্তরা

অন্যদিকে প্রিন্সিপাল স্যারের ঘরের মধ্যেও ঝামেলা শুরু হয়ে যায় স্রোত আর সার্থকের। প্রিন্সিপাল স্যার আসতেই তারা দুজনেই দুজনের অভিযোগ তার সামনে খুলে বলে। সবটা শুনে স্রোতকে কিছুক্ষণের জন্য ঘর থেকে বাইরে যেতে বলে প্রিন্সিপাল স্যার। এরপর প্রিন্সিপাল স্যার সার্থককে বলে, “তোমার মনে হচ্ছে না তুমি অল্পতে বেশি প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছ? ও যেগুলো করছে ওগুলো খুব সামান্য বিষয়। অভিযোগ করার মতন কিছু নেই। তোমার কি ওর সাথে কোন ব্যক্তিগত সমস্যা রয়েছে? যদি সেটা হয় তাহলে তুমি কাউন্সিলিং করাও। নইলে খুঁজে বার করার চেষ্টা করো ঠিক কি জন্য স্রোতের ওপর এমন ব্যবহার করছো তুমি।” সার্থক মনে মনে ভাবে, সে নিজেও জানে না ঠিক কি জন্য স্রোতের ওপর এতটা বিরক্ত হয়ে রয়েছে সে। স্রোতকে সে সহ্যও করতে পারছে না আবার তার কলেজ থেকে চলে যাওয়াটাও মেনে নিতে পারছে না। এরপর তাড়াতাড়ি স্রোতের কাছে চলে আসে রাই। দিদিকে দেখে মনে একটুখানি সাহস পায় স্রোত।

Back to top button