নীলুর কথা বিশ্বাস করে রাইয়ের চরিত্রের ওপর আঙুল তুললো তার মা! অনির্বাণের দেওয়া চাকরি ছেড়ে দিলো রাই!

টানটান উত্তেজনায় ভরে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকটি। নিজের জীবনের সংগ্রামে অনেক কষ্ট করে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে নায়িকা রাই। তার পাশে এখন কেউ নেই। বাবা মারা যাওয়ার পর নিজের কাঁধে সবটা তুলে নিয়েছে তাও সে খারাপ প্রতিপন্ন হচ্ছে সবার কাছে। এখন তার জীবনের সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে উঠেছে তার নিজের পরিবার।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, অনেক কষ্ট করে একটা চাকরি জোগাড় করেছিল রাই। ইংরেজি ভাষার উপর দক্ষতা না থাকায় এই চাকরি ক্ষেত্রে বেশ প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হচ্ছিল তাকে। কিন্তু অনির্বাণ তার পাশে দাঁড়ায়। অনির্বাণ রাই এর হাতের রান্না খেতে চায়। প্রথম দিনটা তার বেশ ভালই কাটে। তবে এটাই যে তার চাকরি জীবনের শেষ দিন হতে চলেছে সেটা কল্পনাও করতে পারেনি রাই।

Mithi Jhora, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, মিঠি ঝোড়া, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাই অফিসে যাওয়ার আগে মোচার ঘন্ট আর লাউ চিংড়ি বানাবে বলে ঠিক করে। কারণ অনির্বাণ বাড়ির তৈরি রান্না খেতে চেয়েছে। রাইকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে তার বৌদি। কিন্তু এসব যখনই তার মা দেখে, কিছুতেই মেনে নিতে পারে না। চাকরির দ্বিতীয় দিন রান্না করে নিয়ে যাওয়ার কি আছে সেটাই বুঝে উঠতে পারে না রাইয়ের মা। নিজের মেয়েকে নিয়েই নানা রকমের কুমন্তব্য করে সে।

সে বলে, “এতদিন ওই বাড়িতে গিয়ে আমার মেয়ের সংসারটা নষ্ট করার চেষ্টা করছিলে ওর স্বামীর মাথাটা খারাপ করছিলি আর এখন নিজের বসের মাথাটা চিবিয়ে খাচ্ছিস। ওই জন্যই এত খাটা পড়ে রান্না করে নিয়ে যাওয়া।” নিজের মা যে এতটা বদলে এতে পারে সেটা প্রথমবার বুঝতে পারে রাই। সে তার মাকে বলে, “আর এরকম করে বলো না মা। এসব বলে তুমি নিজে তনেক ছোট হয়ে যাচ্ছ। আমি জানি তুমি একদিনের জন্য অনুশোচনা করবে কিন্তু আমার ক্ষমা তুমি পাবে না।” এরপর অফিসে চলে যায় সে।

আরও পড়ুন: গল্পে নতুন অধ্যায়, প্রাণসংশয়ের মাঝে মা হতে চলেছে জগদ্ধাত্রী! গরিমার বিয়ের মহাপর্বতে রয়েছে দারুন চমক

অফিসে ঢুকে আরো এক সমস্যার সম্মুখীন হয় রাই। দেরি করে আসার জন্য বেশ রেগে যায় অনির্বাণ। রাই তখন বলে, সে রান্না করছিল তাই দেরি হয়ে গেছে। অনির্বাণ তখন বলে, “আপনি যদি ভেবে থাকেন এই অজুহাত দিলে আপনাকে ক্ষমা করে দেওয়া হবে তাহলে আপনি খুব ভুল ভাবছেন।” রাই বলে, সে কোনো ভুল করেনি। কারণ সে বাঙালি বাড়ির মেয়ে আর কেউ খেতে চাইলে তাকে খাওয়াতে হয় এটাই সে জেনে এসেছে। তবে দেরি করে ঢোকাটা তার অন্যায় হয়েছে। এই কথায় রেগে গিয়ে অনির্বাণ রাইকে বেয়াড়া বলে। রাই আর এই অপমান সহ্য করতে পারে না। সে ঠিক করে ইস্তফা দেবে। আর অনির্বাণ বলে, এখনই যেনো সেটা করে রাই।

Back to top button