রাইকে দুশ্চরিত্রা অপবাদ দিল সোহিনী! স্ত্রীয়ের অপমান মেনে নেবে কি অনির্বাণ!

অনেক ঝড় ঝাপটা পেরিয়ে, অনেক মানুষের দ্বারা সৃষ্ট বাধা অতিক্রম করে অবশেষে বিয়ে করে নতুন জীবনে পদার্পণ করলো জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। তার জীবনের সুভারম্ভে ভীষণ খুশি দর্শক মহল। জমে উঠেছে ধারাবাহিকের বর্তমান পর্বগুলি। এই ধারাবাহিকের নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নায়ক অনির্বাণ নায়িকা রাইকে অনেক ভালোবাসে। আর সেই জন্যই এত কিছু অঘটন ঘটে যাওয়ার পরেও বিয়ে করার সিদ্ধান্ত অনড় সে। বাড়ির প্রত্যেকের কথা অমান্য করে সে শুধুমাত্র নিজের মনের কথাকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। রাই ভয় পেয়ে পিছিয়ে আসতে চাইলেও অনির্বাণ তার হাত শক্ত করে ধরে থেকেছে। তবে কতদিন এই বিশ্বাস নিয়ে থাকতে পারবে অনির্বাণ সেটাই দেখার বিষয়।
মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ১০ জুলাই (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 10 July)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, হাসপাতলে নীলাঞ্জনার সঙ্গে দেখা করতে যায় তার মা বোন এবং তার বৌদি। নীলাঞ্জনা নিজের কথাবার্তায় স্পষ্ট করেই সবাইকে বুঝিয়ে দেয়, তাকে এখানে একা ফেলে রেখে রায় এর বিয়ে দেওয়া হয়েছে এই বিষয়টা সে মেনে নিতে পারছে না। তার মনে হচ্ছে কেউ তাকে ভালোবাসে না। স্রোত খুব ভালো করেই বুঝতে পারে, এত কষ্ট করেও যে দিদির বিয়েটা নিলাঞ্জনা আটকাতে পারেনি এটার আফসোস হচ্ছে তার।
নতুন নাটক শুরু করলো নিলু
নীলাঞ্জনা ঢং করে বারবার বলতে থাকে, সে নিজের বাপের বাড়ির বোঝা। তার মরে গেলেই ভালো হতো। নিলু জানে যে এই কথাগুলোই তার মা ভীষণ কষ্ট পাচ্ছে। কিন্তু তারপরেও নীলাঞ্জনা বারবার একই কথা বলতে থাকে। বাড়ি এসেও একই বুলি আওড়াতে থাকে। স্রোত বিশ্বাস করতে পারে না তার দিদি এতটা পাল্টে গেছে। এদিকে রাই আর অনির্বাণ বাড়ির দোরগোড়ায় এসে হাজির হওয়া সত্ত্বেও তাদেরকে বরণ করতে চায় না সোহিনী। পরে মুখ রক্ষা করতে ছেলে আর ছেলের বউকে বরণ করে নেয় সে।
আরও পড়ুন: ধরা পড়ে গেল অহনা! প্রাক্তন প্রেমিকার কাণ্ড দেখে কঠিন সিদ্ধান্ত নিলো অনিকেত!
সোহিনীর কথায় ভেঙে পড়লো রাই
কাল রাত্রির নিয়ম পালন করতে রাই আর অনির্বাণকে আলাদা ঘরে রাখা হয়। সোহিনী রাই এর কাছে এসে তাকে যা নয় তাই বলে অপমান করে। রাইয়ের বাড়ির প্রত্যেকটা মানুষকে নিয়ে অনেক খারাপ খারাপ কথা বলে। শুধু তাই নয় রাইকে দুশ্চরিত্রা বলে অপবাদ দেয়। রাই খুব ভালোভাবে বুঝতে পারে অনির্বাণ তার মায়ের অপছন্দের কথাটা তার কাছে লুকিয়ে গিয়েছে। সে যদি আগে জানতো যে এই বিয়েতে তার মায়ের মত নেই তাহলে কখনোই এই বিয়ে করতো না। কিন্তু এখন আর কিছু করার নেই। সোহিনী চলে যাওয়ার পর ঘরের মধ্যে একা একা কান্নায় ভেঙে পড়ে রাই।

