বড় রানীকে সুস্থ করে তুলতে ফুলকির নতুন পদক্ষেপ! আর চলবে না ছোট রানীর জারিজুড়ি!

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক (Bengali Television) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয় স্বাগতা ফুলকিকে ফোন করে জানায় যে লোকটি ওই গাড়ির প্রসাদ অদল বদল করেছে সীতারামকে খুন করার জন্য সে পালিয়েছে। তাকে ধরতে পারেনি পুলিশ। তাকে ধরার জন্য পুলিশ ১০ হাজার টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছে, আর ফুলকিও জানায় সেও সাহায্য করবে সবরকম ভাবে। তারপরই তমাল আসে ঘরে। তমাল ফুলকিকে জানায় ফুলকি যে ওষুধগুলো পরীক্ষার জন্য দিয়েছিল সেগুলো আসলে কড়া ডোজের কোন মানসিক রোগীর ওষুধ। যারা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন তাদের এই ওষুধ দেওয়া হয়। আর এটা শুনে ফুলকি বুঝতে পারে বড় রানীকে অসুস্থ করে রাখার জন্যই ওই ওষুধগুলো দেওয়া হয়।

ফুলকি রোহিত আর তমালকে জিজ্ঞাসা করে তাদের কি কোনদিনও বড় রানীকে দেখে মানসিক ভারসাম্যহীন মনে হয়েছে? কিন্তু রোহিত ফুলকিকে সাবধান করে দেয় বারবার করে ফুলকি যেন আগে থেকে প্রমাণ ছাড়া এই বিষয়ে কথা না বলে। ফুলকিও তাই বাধ্য হয়ে চুপ করে যায়। এদিকে ছোট রানী রুদ্রর ঘরে এসে ফুলকিকে নিয়ে আলোচনা করতে থাকে। কোন রকম প্রমাণ ছাড়া তিনি এখন কিছুই করবে না। এদিকে রুদ্র বলে সে ওই দিনই ফুলকিকে শেষ করে দিত যদি না রোহিত চলে আসতো। রুদ্রর মুখে এই কথা শুনে ছোট রানী তো অবাক হয়ে যায়। রাজমহলের ভেতরে এসব কান্ড ঘটাচ্ছে রুদ্র তিনি ভাবতেও পারেননি। তাই রুদ্রকে বারবার সাবধান করে দেয়। রুদ্র যেন রাজমহলে থেকে এসব কিছু না করে।
আরও পড়ুনঃ ‘ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার্স কম, তাই বাদ পড়েছিলাম ধারাবাহিক থেকে!’ সাক্ষাৎকারে মুখ খুললেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা বোস!
এদিকে পরের দিন কথা মতন রাজবাড়িতে গরিবদের দান ধ্যানের অনুষ্ঠান শুরু হয়ে যায় ধুমধাম আয়োজনে। অসংখ্য লোক এসেছে রাজবাড়িতে রানীমার ডাকে। ফুলকি রোহিত রায় চৌধুরী বাড়ির সবাই এসেছে। বাড়ির সবাইকে এতদিন পর একসাথে দেখে তো খুবই খুশি ধানু। অন্যদিকে ফুলকি তো বড় রানীর ব্যাপারে বেশ কৌতূহল হচ্ছে। সে রাণীমাকে সরাসরি প্রশ্ন করতে যাবে তখনই রোহিত জানিয়ে দেয় বেশি পাকামো না করতে কারণ তাদের হাতে কোন সঠিক প্রমাণ নেই।
তারপর ফুলকি সকলের চোখের আড়ালে বড় রানীর ঘরে যায়। ঘরে গিয়ে দেখে তিনি ঘুমে একেবারে কাতর হয়ে আছে। বড় রানী বলে তার খুব ঘুম পাচ্ছে রাজ্যের ঘুম যেন তারা চোখে নেমে এসেছে। ফুলকি বুঝতে পারে কড়া ডোজের ওষুধের প্রভাবেই এটা হচ্ছে। এরপর ফুলকি জোর করে বড় রানীকে বাথরুমে পাঠিয়ে চোখে মুখে জল দিয়ে আসতে বলে। সেই সুযোগে ফুলকি বড় রানীর ওষুধের বাক্স থেকে সমস্ত ওষুধ বের করে সেখানে হজমীর বড়ি রেখে দেয়। এদিকে বড় রানী ঔষধের বদলে হজমির বড়ি খাচ্ছে আর তার জন্যই তিনি একেবারেই সুস্থ। সেটা দেখে একেবারে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ছোট রানী। সবার উপরে চিৎকার করতে থাকে। আর ফুলকির প্ল্যান সফল হয়। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

