নতুন বিপদ ঘাড়ে নিল পর্ণা, অনুভবকে ফোন করে সৃজনের ভুল ভাঙ্গানোর চেষ্টায় সে!

একা করে সব সমস্যা মেটাচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। বহুদিন ধরে তাদের অনেক ক্ষতি করে চলেছে তাদের প্রতিপক্ষ ইশা। এবার ঘুরিয়ে জবাব দেওয়ার পালা। দর্শকরা বিরক্ত হয়ে উঠেছেন এই একই প্লটে। তাই এবার ঘুরে দাঁড়িয়ে পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে পর্ণা। এখনো অবধি টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচেই টিকে রয়েছে এই ধারাবাহিক।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা এবং সৃজন দুজনে মিলে তদন্ত চালিয়ে জানতে পেরেছে এখনো পর্যন্ত তাদের যে সাংঘাতিক সর্বনাশ গুলো ঘটেছে তার পিছনে রয়েছে ইশা। আর এই ইশাকে সমস্ত খবর পৌঁছে দিয়েছে ঘর শত্রু বিভীষণ অয়ন এবং মৌমিতা। রুচিরার ওপর গুলি করা থেকে শুরু করে গোডাউনে আগুন লাগানো, পর্ণার ছবি বিকৃত করা এবং জেঠুর দোকান বন্ধ করা সব কিছু পেছনেই রয়েছে তারা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অন্ধকারের মধ্যে লুকিয়ে লুকিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল তরঙ্গ দত্ত এবং তার স্ত্রী। এই বিষয়টা আগে থেকেই আন্দাজ করতে পেরেছিল ধারাবাহিকের নায়িকা তাই, সারা রাত্রি তারা না ঘুমিয়ে পাহারা দিচ্ছিল। যখনই তারা পালাতে যায় তাদেরকে ধরে ফেলে দত্ত পরিবার। লাঠি ঝাঁটা যে যা পারে সব নিয়ে তরঙ্গ দত্তের সামনে রুখে দাঁড়ায় তারা। পর্ণা তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে, “আপনারা কে? কোন উদ্দেশ্যে এই বাড়িতে এসেছে সব স্বীকার করুন। না হলে কিন্তু আমরা পুলিশ ডাকবো।”

পুলিশের কথা শুনে খুব ভয় পেয়ে যায় সেই ব্যক্তি এবং তারপর সবটা নিজের মুখে স্বীকার করে। সে বলে, “ওর নাম নাতাশা। ওর বাবা-মা কেউ নেই ও ওর জেঠুর কাছে থাকে। ওর বাড়ি থেকে জোর করে বিয়ে ঠিক করে দেওয়া হয় আর আমি ওকে ভালবাসি। ওকে বাড়িতে খুব অত্যাচার করে তাই আমি ওকে নিয়ে পালিয়ে এসেছি। ওর জেঠুর অনেক ক্ষমতা। ওরা কেউ আমাদের মেনে নেবে না। আপনাদের হোমস্টেটা নতুন বলে এখানে আসার সিদ্ধান্ত নেই। আপনারা দয়া করে দশটা দিন সময় দিন আমাদের।” কেউ এই বিপদ নিজের বাড়িতে রাখতে চায় না কিন্তু পর্ণা বলে, এভাবে ওদের তাড়িয়ে দেওয়া উচিত হবে না। তার সাথে সহমত হয় ঠাম্মি। অবশেষে দশ দিনের জন্য সেখানে থাকার অনুমতি পেয়ে যায় তরঙ্গ দত্ত এবং নাতাশা। দশ দিন বাদে তারা কানাডা চলে যাবে।

আরো পড়ুন: আচমকা ব্রেন স্ট্রোকে শুটিং ফ্লোরে অচেতন হয়ে লুটিয়ে পড়লেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী! অবস্থার অবনতিতে আশঙ্কিত টলিপাড়া!!

এরপর ঘরে আসতে না আসতেই সৃজনের মাথা খেতে শুরু করে তার মা কৃষ্ণা। আবার পর্ণার নামে হাবিজাবি বলে সৃজনকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু সৃজন কিছুই শুনতে চায় না। তারপর ঘরে আসে পর্ণা। সে বুঝতে পারে সৃজন এর কিছু একটা হয়েছে। কিছুটা জোর করেই সৃজনীর পেট থেকে আসল সত্যিটা বের করে পর্ণা। টুপির প্রসঙ্গটা উঠতেই সে ফোন করে অনুভবকে। সৃজন বুঝতে পারে যে এই টুপিটা পর্ণা বানায়নি। অর্থাৎ কেউ আবার ইচ্ছে করে তাদের মধ্যে ভাঙ্গন ধরানোর চেষ্টা করছে। নিজের ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়ে নেয় সৃজন।

Back to top button