খাটলো না বর্ষার চালাকি! কমলিনীকে সাবধান করলো স্বয়ং পুলিশ! অন্ধ স্নেহ সরিয়ে এবার অপমানের বদলা নেবে কমলিনী!

স্টার জলসার (Star jalsha) সদ্য শুরু হওয়া ধারাবাহিক (Bengali Serial) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো চিরসখা (Chirosokha)। দীর্ঘদিন পর এই ধারাবাহিকের হাত ধরে টেলিভিশনের পর্দায় ফিরেছেন অভিনেত্রী অপরাজিতা ঘোষ দাস (Aparajita Ghosh Das)। এছাড়াও ধারাবাহিকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্রে দেখা যেতে অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়কে (Sudip Mukherjee)। আরও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন টেলিভিশনের পর্দার অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা।
ধারাবাহিকে একটি অসমবয়সী প্রেম ফুটিয়ে তোলা হবে আগামী দিনে সেটা ধারাবাহিকের গল্প সেদিকে এগোচ্ছে তাতেই বোঝা যাচ্ছে। আর বাকি পাঁচটা ধারাবাহিকের চেয়ে যে এই ধারাবাহিক একেবারেই আলাদা হতে চলেছে সেটা প্রথম থেকেই বোঝা গিয়েছিল। আর যেখানে ধারাবাহিকের লেখিকা লীনা গঙ্গোপাধ্যায়, সেখানে তো আলাদা কিছু হতেই হবে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে কমলিনীকে বারবার অপমান করছে তার ছেলে এবং ছেলের বউ। সেইসঙ্গে এসে জুটেছে বর্ষার বাড়ির লোকজন। বর্ষা নিজের বাড়িতেও এই সম্পর্কে জানিয়েছে, থানায় নালিশ করে এসেছে কমলিনীর বিরুদ্ধে। বর্ষার বাড়ির লোকজন কমলিনীর চরিত্র নিয়ে তার পরিবার নিয়ে যা নয় তাই বলছেন। যদিও বর্ষার এই কথায় প্রতিবাদ করছে কমলিনীর বাকি সন্তানরা তার শাশুড়ি তার ননদ সবাই। কিন্তু একজন মাকে তার সন্তানেরা এভাবে অপমান করলে সত্যি একজন মায়ের মন একেবারেই ভেঙে পড়ে।
আর বর্ষা তো পুরোটাই যে ইচ্ছাকৃত করছে সংসারে ভাঙ্গন ধরানোর জন্য করছে কমলিনীকে উপর রাগে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য করছে সেটা বোঝাই যাচ্ছে। এরপর বাড়িতে আসে পুলিশ। পুলিশ আসলে বর্ষা পুলিশকে জানায় তার সাথে কি হয়েছে। পুলিশ দুপক্ষেরই কথা শোনে। এরপর কমলিনীর মেয়ে এগিয়ে আসে পুলিশের সঙ্গে কথা বলার জন্য। সে জানায় কিভাবে বর্ষা আসার কয়েকদিনের মধ্যেই তার মাকে তার মায়ের চরিত্র নিয়ে কথা বলেছে। তার মাকে অপমান করেছে। কিভাবে দিনের পর দিন মানসিক অত্যাচার করেছে। পুলিশ সব কথা শোনার পরেই দুপক্ষকে বলে নিজেদের মধ্যে ঝামেলা মিটিয়ে নিতে। আর যদি তাও না হয় তাহলে যে যার মত আলাদা হয়ে যেতে।
আরও পড়ুনঃ সত্যের সন্ধানে বাঘের গুহায় দুর্গা! জগদ্ধাত্রীকে ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে পারবে তো সে? ফাঁ’স ধারাবাহিকের আজকের পর্ব!
পুলিশ কমলিনীকে গ্রেফতার করছে না দেখে বর্ষা পুলিশকে বলে কমলিনীকে তখনই গ্রেফতার করতে। কিন্তু পুলিশ জানিয়ে দেয় কমলিনী দেবীকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে তিনি কেমন ধরনের মানুষ। তারা এত বছর ধরে ডিউটি করছে, পুলিশের চাকরি করছে, এত মানুষ চিনেছে সুতরাং তাদের মানুষ চেনার আলাদা করে দরকার নেই। বর্ষাকে একটু ধৈর্যশীল হতে বলে পুলিশ। কমলিনীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলো না সেই রাগ আরো চেপে বসে বর্ষার মধ্যে। আসলে বর্ষার তো উদ্দেশ্যই এটা ছিল কমলিনীকে গ্রেফতার করানো। এদিকে বুবলাই পুলিশকে বলে সে হয়তো বর্ষার সাথে এই বিষয়ে একমত হতো না। কারণ পুলিশ যদি তার মাকে গ্রেফতার করত তাহলে বুবলাইও প্রতিবাদ করত। কিন্তু তার মা যেটা করেছে সেটা অন্যায়। বুবলাই এবং বর্ষার সাথে কমলিনীর সম্পর্ক যে আর কোনদিন থাকবে না সেটা স্পষ্ট জানিয়ে দেয় সে। এটা জানার পর তো কমলিনী একেবারে ভেঙে পড়ে। কিন্তু বাকি সদস্যরা জানায় তারা সবসময় কমলিনীর পাশে রয়েছে।

