মেনানের ফাঁদে পা দিল রাজনাথ! বন্দুকের জন্য চাই মোটা টাকা, উল্টোদিকে ক্রমে বন্দুকের গুলি নিয়ে উঠছে একের পর এক প্রশ্ন!

একজন সৎ সাংবাদিক এবং একজন নিষ্ঠাবান পুলিশ যখন একসাথে মলে অন্যাকারিদের মুখোশ খুলে দেয়, তখনই জঞ্জাল মুক্ত হয় সমাজ। আর ঠিক এই রকম একটা গল্প তুলে ধরছে জি বাংলার (Zee Bangla) জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। বর্তমানে ভীষণ রকমের আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে এই মেগা।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, কৌশিকী মুখার্জীর সাথে যারা এই অন্যায় করেছে তাদেরকে শাস্তি দিতে যান প্রাণ লড়িয়ে দিচ্ছে জগদ্ধাত্রী। ধীরে ধীরে জাল গুটিয়ে দোষীদের নিজের আয়ত্তে আনছে জ্যাস সান্যাল। মুখার্জি পরিবারের সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তে উঠে এলো নতুন তথ্য।

মুখার্জি পরিবারের প্রত্যেককে এক এক করে জেরা করে সাধু দা। চন্দ্রনাথ, প্রীতি এদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর আসে গরিমা। সে পুলিশকে জানায়, “আমরা দুপুর বেলাতেও একটা বন্দুকের আওয়াজ পেয়েছি। কিন্তু যেহেতু তখন সবাই খাওয়া নিয়ে ব্যস্ত ছিল তাই অতো কান দেওয়া হয়নি।” এই গুলিটা কেনো চলেছিল সেই হিসেবটা মেলাতে পারে না।

অন্যদিকে মেনন ডিসুজা সেজে রাজনাথের সাথে দেখা করে এবং সেই বন্দুকটা তাকে দেখায়। বন্দুকে ছটা গুলির জায়গায় পাঁচটা গুলি রয়েছে এটাও জানিয়ে দেয় সে। রাজনাথ যখন বন্দুকটা ফেরত চায় তখন মেনন বলে তার ৫০ লক্ষ টাকা লাগবে, নইলে বন্দুক পাওয়া যাবে না। এই বলে সে সেখান থেকে চলে যায়।

আরও পড়ুনঃ সৌমিতৃষার পর এবার বড়পর্দায় ডেবিউ করছেন শ্রুতি দাস, সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হতেই কেঁদে ফেললেন অভিনেত্রী!

রাজনাথের উপর নজর রাখছিল পুলিশ তাই গোটা ঘটনাটাই পৌঁছে যায় জগদ্ধাত্রীর কানে। অন্যদিকে, জগদ্ধাত্রীকে যারা অ’প’হ’র’ণ করেছিল তাদের মধ্যে একটা ছেলেকে অনেক মারধোর করেও তার পেট থেকে কিছুতেই কিছু বের করতে পারে না জগদ্ধাত্রী। আর ওদিকে দেবুকে চেপে ধরে সাধু দা। বোঝাই যাচ্ছে সমস্ত রহস্য ক্রমশ প্রকাশ্য।

Back to top button