বর্ষাকে ভুলতে অনেক বড় বিপদের মুখে ঝাঁপ দিল পিকলু, শ্বশুর বাড়িতে পা দিতেই শিউড়ে উঠল বর্ষা!

ভুল সিদ্ধান্ত মানুষকে বারবার ভুল পথে চালিত করে। ইতিমধ্যেই একটা অনেক বড় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণার ভাই পিকলু। সঠিক সময়ে সে বর্ষাকে গ্রহণ করতে পারেনি। যার ফলে আজ বর্ষা অন্য কারোর স্ত্রী। এইবার সেই বর্ষাকে ভুলতেই সে এমন এক পদক্ষেপ নিতে চলেছে যা তাকে আরো দশ গুণ বিপদের মধ্যে ঠেলে দেবে। আবারো দত্ত বাড়িতে আসতে চলেছে এক নতুন ঝড়।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণার দৌলতে বর্ষাকে নিজে এসে সসম্মানে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছে তার শাশুড়ি নবনীতা। এই গোটা ঘটনার পিছনে পর্ণার বুদ্ধি ছিল। সে না থাকলে আজ বর্ষা তার শ্বশুর বাড়ি যেতে পারত না। তবে সেই যে সবকিছু করেছে এই ঘটনাটা আড়াল থেকে জেনে নেয় অয়ন আর মৌমিতা। তারা তৎক্ষণাৎ ঠিক করে ফেলে এই বিষয়টাকে কাজে লাগিয়েই পর্ণার অনেক বড় ক্ষতি করতে হবে। এত বড় সুযোগটাকে এভাবে হাত ছাড়া করতে দিলে চলবে না।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বর্ষাকে বরণ করে ঘরে তুলছে নবনীতা। তবে তার হাব ভাব অঙ্গভঙ্গিতে এটা স্পষ্ট যে অত্যন্ত বিরক্তির সাথে এই কাজটা তাকে করতে হচ্ছে। সে বেশ কিছু পাড়া-প্রতিবেশীদের ডেকেছে, যাতে প্রমাণ দিতে পারে তারা তাদের বউকে বাড়ির বাইরে ফেলে রাখেনি। দুধে আলতায় পা রেখে যখন বর্ষা ডানপাটা এগোতে যায় তখনই নবনীতা বর্ষাকে বলে ওঠে তাকে কি তার মা কিছু শিখিয়ে পাঠায়নি? বাঁ পা আগে রাখতে হয়। কথাটা শুনে বেশ আঘাত পায়ে বর্ষা। কারণ সে এই বাড়িতে আসতে চায়নি, আর আসার পর তাকে এমন ভাবে বিধিয়ে কথা শোনানো হলে খারাপ লাগাটাই স্বাভাবিক।

আরও পড়ুন- নীলুর কথা বিশ্বাস করে রাইয়ের চরিত্রের ওপর আঙুল তুললো তার মা! অনির্বাণের দেওয়া চাকরি ছেড়ে দিলো রাই!

কিছুক্ষণ পর সবাই বাড়ি থেকে চলে গেলে নবনীতাকে ফোন করে অয়ন। নিজের পরিচয় দিতেই নবনীতা তাকে বলে, তারা তো সসম্মানে তাদের বাড়ির মেয়েকে নিয়ে এসেছে তাহলে আবার কেন ফোন করেছে তারা? অয়ন তখন সব ঘটনা খুলে বলে। সে পর্ণার সমস্ত কাণ্ডকারখানা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে নবনীতাকে জানায়। নবনীতাও তৎক্ষণাৎ পরিকল্পনা করে ফেলে প্রতিশোধ নেওয়ার। ফোনটা রেখে শয়তানের মতন হেসে ওঠে অয়ন আর মৌমিতা।

এদিকে পিকলু এই গোটা ঘটনায় খুব কষ্ট পায়। সে তার দিদির শ্বশুরবাড়িতে বর্ষার এত স্মৃতির মাঝখানে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না। সারাক্ষণ কান্নায় ডুবে থাকে সে। তাই সে ঠিক করে তার বন্ধুর খবর দেওয়া সেই চাকরিটা সে করবে। সুন্দরবনের এক প্রত্যন্ত গ্রামে একটি এনজিওর তরফে খোলা স্কুলে শিক্ষকতার জন্য ইন্টারভিউ দিতে যায় সে। পিকলু এই চাকরিটা কেন চাইছে সেটা বুঝতে পেরে তার দিদি পর্ণা তাই সে আর কোন আপত্তি করে না। তবে ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে কোন মেয়ে না দেখতে পেয়ে বেশ সন্দেহ হয় পর্ণার। সবকিছুই বেশ সন্দেহজনক লাগে তার। তবে কি বর্ষার থেকে পালাতে গিয়ে নতুন বিপদের মুখে পড়তে চলেছে পিকলু!

Back to top button