বাড়ি ফিরে যেতেই লাবুর উপর দ্বিগুণ অত্যাচার শুরু করলো রুদ্র! লাবুকে রক্ষা করার নতুন প্ল্যান করলো ফুলকি

অনেক পরিবারের সদস্যদের কাছে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পরিবারের মান সম্মান বজায় রাখাটা অনেক বেশি গুরুতবপূর্ণ হয়ে ওঠে। বিশেষ করে একটা মেয়ের মা যেকোনো মূল্যে মেয়েকে শশুর বাড়ি পাঠাতে চায়। তার উপর অন্যায় হলেও সব মানিয়ে নেওয়ার কথাই বলা হয় তাকে। এই চরম বাস্তব তুলে ধরেছে ফুলকি (Phulki)

জি বাংলার (Zee Bangla) ‘ফুলকি’ (Phulki) দর্শকদের মনে একটি আলাদাই আকর্ষণীয়তা তৈরি করেছে। ধারাবাহিকের নবাগতা নায়িকা ফুলকি অর্থাৎ দিব্যানীর অভিনয় মুগ্ধ করেছে ভক্তদের। যার ফল স্বরূপ টিআরপি তালিকায় এই ধারাবাহিকটি একেবারে প্রথমে অর্থাৎ বেঙ্গল টপারের জায়গা দখল করতে সক্ষম হয়েছে।

বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্প অনুযায়ী, রুদ্র নানা রকম ভাবে চেষ্টা করেছে রোহিত আর ফুলকির মধ্যে ভাঙ্গন ধরানোর এবং তাদের দুজনকে মেরে ফেলার। কিন্তু প্রত্যেক বার ফুলকির জন্য তার সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি। এই রাগ সে তার স্ত্রী লাবুর উপর দেখিয়েছে। অত্যাচারিত লাবুকে বাড়ি নিয়ে এসেছে রোহিত আর ফুলকি। তবে হৈমন্তীর মনে হয়েছে এই নিয়ে লাবুর ভাবনা চিন্তা করা দরকার।

এরপর হৈমন্তী সবাইকে বলে এ বিষয়টা পরিবারের সবার সামনে আলোচনা না করে একান্তে ঘরে গিয়ে আলোচনা করাই ভালো এতে সবার মান সম্মান রক্ষা পাবে। তারপর হৈমন্তী যখন লাবুকে আর একটা সুযোগ দিতে বলে লাবু স্পষ্ট জানায় সে আর কখনো রুদ্রর সংসারে ফিরতে পারবে না। বাইরে থেকে ফুলকিও লাবুকে সমর্থন জানায়। রুদ্র মনে মনে বলে, “একবার সবটা ঠিক হয়ে যাক তার পরে আমি ফুলকি আর রোহিতকে মজা দেখাবো।”

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, হৈমন্তীর উপর খুব রেগে গিয়েছে মাস্টার মশাই। তিনি তার বড়ো মেয়ে লেবুকে ভীষণ ভালোবাসেন। মেয়ের উপর এত অত্যাচার করেছে যেই ছেলে, আবার তার কাছেই লাবুকে পাঠিয়ে কি ঠিক করেছে হৈমন্তী? সে বলে, এই সিদ্ধান্তটা তার ছিল না, লাবু নিজের থেকেই ফিরে যেতে চেয়েছে রুদ্রর কাছে।

আরো পড়ুন: ধারাবাহিক ছেড়ে দিলেন মন দিতে চাই এর প্রধান নায়িকা! তার কারণ নিজেই জানালেন তিনি

এই বলে হৈমন্তী সেখান থেকে চলে যায়। তার কাছে তার মেয়ের থেকেও পারিবারিক সম্মান রক্ষার তাড়না অনেক বেশি। মাস্টার মশাই চিন্তিত হয়ে পড়ে। ঠিক তখনই সেখানে অর্থাৎ মাস্টার মশাই এর কাছে আসে পারমিতা, অংশুমান, রোহিত আর ফুলকি। ফুলকি মাস্টার মশাইকে বলে, “চিন্তা করার কোনো দরকার নেই মাস্টার মশাই, আমরা খেয়াল রাখবো। আমরা দেখবো জামাইবাবু নিজের দেওয়া কথা রাখতে পারছে কিনা।”

Back to top button