শেষ মুহূর্তে ফুলকির হাতে এল বিরাট প্রমাণ! এবার কে বাঁচাবে রুদ্রকে? টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে ফুলকির অনুরোধে বিচারক রুদ্রর অফিস এবং বাড়ি তল্লাশি করার অনুমতি দেয় পুলিশকে। সেই মতোই অংশু এবং তার টিম পৌঁছে যায় সেখানে। সেখান থেকেই রুদ্রর লুকানো বন্দুক খুঁজে বার করে তারা। তারপর চলে আসে কোর্টে, কোর্টে এসে অংশু বিচারকের সামনে সেই বন্দুক এবং ওই বন্দুক দিয়েই যে তমালকে গুলি করা হয়েছিল সেই প্রমাণ সমেত জমা দেয়।
এরপর বিচারক নিজে পরীক্ষা করে দেখে যেই বন্দুকটি পাওয়া গেছে সেই বন্ধুটি রুদ্রর নামে রেজিস্টার করা নেই। এটা জানতে পেরে রুদ্র কিছুটা স্বস্তি পায়। নিজেকে আরও একবার নির্দোষ প্রমাণ করার সুযোগ পেয়ে যায়। বিচারক ঈশিতাকেই আসল দোষী বলে ছ বছরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় আর এই পুরো ঘটনার তদন্ত করতে বলে।
ফুলকি আজকের পর্ব ১১ জানুয়ারি (Phulki Today Episode 11 January)
ধারাবাহিকে আজকের পর্বে দেখানো হবে কোর্টে রুদ্রর বিরুদ্ধে কোন প্রমাণ না পাওয়ায় ঈশিতার শাস্তি হয় এবং রুদ্র ছাড়া পেয়ে যায়। কিন্তু সবাই ভালোমতো বুঝতে পারছে এই সমস্ত কিছু সঙ্গে জড়িত রয়েছে রুদ্র। শুধুমাত্র রুদ্রর শাশুড়ি হৈমন্তী রুদ্রকে এখনো অন্ধের মত বিশ্বাস করছে। এদিকে মিডিয়ার সামনে গিয়ে রুদ্রকে তমালের মা থাপ্পড় মারে।আর এটার জন্য তমালের মায়ের উপর ভীষণ রেগে যায় হৈমন্তী দেবী।
বাড়িতে এসে তো হৈমন্তী তমালের মাকে যা নয় তাই বলে। তমালের মা যেখানে বুঝতে পেরেছে রুদ্র অন্যায় করেছে, সেখানে হৈমন্তী জামাই এর অন্যায়টা দেখতে পাচ্ছে না। এদিকে ঈশিতাকে শেষ করে দেওয়া হবে এই কথা রুদ্রর মুখ থেকে শুনতে পেয়েছে ফুলকি। এই কথাটা জানতে পেরে রোহিতের সঙ্গে গিয়ে সবটা জানায় অংশুমানকে। অংশুমান তো এসব কথা শুনে ভীষণই অবাক হয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ বক্সিং গ্লাভস তুলে নিয়ে বাবা মাকে দেদার ঘু’ষি!মেয়ের হাতে মা’র খেয়ে ব্যথায় চিৎকার করে উঠলেন তারকা দম্পতি!
এরপরে জেলে গিয়ে ঈশিতাকে এ বিষয়ে সাবধান করতে চাই ফুলকি কিন্তু অংশুমান জানায় জেলের দায়িত্বে যেই অফিসার হয়েছে সেই অফিসারের সঙ্গে অংশুমানের সম্পর্ক খুব একটা ভাল নয়। তাই তার থেকে কতটা সাহায্য পাবে সেটা বলা মুশকিল। এরপর তারা ওই ইন্সপেক্টর এর সঙ্গে কথা বলে ঈশিতার সঙ্গে দেখা করতে চায়, কিন্তু ঈশিতার সঙ্গে কোনোভাবেই দেখা করতে দেয় না ওই ইন্সপেক্টর। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

