রুদ্রর পিছু নিল দিল্লি পুলিশ! রোহিতকে নিষ্কলঙ্ক প্রমাণ করার ব্রহ্মাস্ত্র হাতে পেল ফুলকি!

দীর্ঘদিন ধরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করা ধারাবাহিক (Bengali Television) গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) ফুলকি (Phulki)। দীর্ঘদিন বেশ কয়েকবছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায় চলছে এই ধারাবাহিক। ধারাবাহিকে রোহিত ফুলকির জুটি দর্শকদের তো এখন ভীষণ পছন্দের। প্রথম দিন থেকে ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিচে এই জুটি। প্রায় সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় দর্শকদের চমকে দেয় এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে রুদ্রর ঠিক করা লোক একজন রোহিতকে ভুল বুঝিয়ে একটা ঘরে বন্ধ করে রেখে দেয়। আর অন্যদিকে রোহিতের গলা নকল করে রুদ্র ফুলকিকে ফোন করে ফাঁদে ফেলে। তারপর রুদ্রর ঠিক করা লোক ফুলকিকে নিয়ে যায় ছাদের ঘরে সেখানে গিয়ে খোলা ছাদে ছাদে ছেড়ে দেয় ফুলকিকে। যাতে ফুলকি দেখতে না বেশি ছাদ থেকে পড়ে মারা যায়। সেই মতই ওই লোকটি ফুলকিকে ছাদে নিয়ে গেলে ফুলকি ছাদের ধারে এসে পা ফসকে পড়ে যায়। কিন্তু ভগবানের ইচ্ছায় ফুলকি বেঁচে যায়। ছাদ থেকে মাটিতে পড়ে যায় না, পাঁচিল ধরে ঝুলতে থাকে।

Phulki Today Episode 10 February

রোহিত চিৎকার করে সবার কাছে সাহায্য চায় দরজা খুলে দেওয়ার জন্য। তখনই সেখান থেকে রেস্টুরেন্টের কিছু লোক যাচ্ছিল তারা রোহিতের চিৎকার শুনতে দরজা খুলে দেয়। রোহিত ফুলকিকে খুঁজতে থাকে, কোথাও না পেয়ে অবশেষে ফুলকি চিৎকার করে রোহিতকে ডাকে। রোহিত দেখে ফুলকি ছাদ থেকে ঝুলছে। তারপর সকলের সাহায্য নিয়ে রোহিত ফুলকিকে গিয়ে সেই বিপদ থেকে উদ্ধার করে। সে ভালই বুঝতে পারছে এই সমস্তটাই ষড়যন্ত্র তাদের বিরুদ্ধে। ওই লোক দুটিকে হাতের নাগালে পেয়েও ধরতে পারেনা রোহিত। এরপর পরের দিন ফুলকির চোখ অপারেশন সফল হয়। ফুলকি আবার নতুনভাবে সবকিছু দেখতে পাবে। এরপরই তথার মৃত্যুর আসল রহস্য খুঁজে বের করবে ফুলকি এবং রোহিত।

ফুলকি আজকের পর্ব ১১ ফেব্রুয়ারি (Phulki Today Episode 11 February)

ধারাবাহিকে আজকের পর্বে দেখানো হবে ফুলকির যারা ক্ষতি করতে চেয়েছিল তাদেরকে চিনতে পেরেছে পুলিশ। এবার সেই লোক দুটিকে খুঁজে বার করার চেষ্টা করছে তারা। রুদ্র জানতে পেরে গিয়েছে যে ফুলকির কোন ক্ষতি করতে পারেনি তার লোক। এই কারণে তারও রাগে মাথা গরম হয়ে আসছে, এদিকে দিল্লির পুলিশ ফুলকির ক্ষতি করার পেছনে যারা আছে তাদেরকে খোঁজার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। কিন্তু তারা তো শহর থেকে চলে গেছে। তাই তাদেরকে খুঁজে বার করা সম্ভব হবে কিনা সেই নিয়ে বেশ দ্বন্দ্বে রয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ অনামিকাই রাই! সব সত্যি ফাঁ’স! রাই অনির্বাণকে মিলিয়ে দিতে দারুন ফন্দি আঁটলো ঈশা!

অন্যদিকে ওই লোক দুটো পালিয়ে গিয়ে নবাবগঞ্জেই উঠেছে। রুদ্রর অফিসে দেখা করে তারা রুদ্রকে সমস্ত ঘটনা খুলে জানায়। রুদ্র তাদের বোকামি দেখে ভীষণ রেগে যায় তাদের উপরে। আসলে তারা নকল নাম নিয়ে ট্রেনে করে ফিরে এসেছে নবাবগঞ্জে। আর সেই নিয়েই ঝামেলা হতে পারে, পুলিশের সন্দেহ বাড়তে পারে সেটারই আশঙ্কা করছে রুদ্র। এবারে দেখার অপেক্ষা পুলিশ এই সূত্র ধরে আসল দোষী রুদ্রকে খুঁজে বার করতে পারে কিনা।

Back to top button