ছদ্মবেশ নিয়ে গেস্ট হাউসের ঠিকানা পেল সৃজন, ওস্তাদজীর ডেরায় ঢুকতে প্রস্তুত পর্ণাসহ গোটা দত্ত পরিবার

বর্তমানে টানটান উত্তেজনায় ভরে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিক। এই মেগার প্রত্যেকটি পর্বই খুব আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। ধারাবাহিকটি এতটা সাদামাটা গল্প নিয়ে শুরু হয়েছিল যে দর্শকরা কখনো কল্পনাও করতে পারেননি এমন চমক তারা দেখবেন এই ধারাবাহিকের মধ্যে। অপরিকল্পনীয় ভালোলাগা দর্শকদের উপহার দিচ্ছে নিম ফুলের মধু। রবিবার যে ভক্তরাও ধারাবাহিকটিকে টিআরপির শীর্ষে বসিয়ে রেখেছেন।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন তাদের পরিবারের তিন সদস্য অর্থাৎ অয়ন মৌমিতা এবং বর্ষাকে উদ্ধার করতে এক ভয়ানক মাফিয়ার সাথে লড়াইয়ে নেমেছে। তাদের হাতে আর খুব বেশিক্ষণ সময় নেই কারণ আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চরম সর্বনাশ নেমে আসতে চলেছে অয়ন মৌমিতা আর বর্ষার মাথায়। তাই তাদের যা করার তাড়াতাড়ি করতে হবে। এমন সময় দারুন একটা বুদ্ধি বের করে পর্ণা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা পুলিশ অফিসারদের একটা সাহায্য করার কথা বলে। পুলিশ অফিসার রাত তাকে সাহায্য করতে এক পায়ে রাজি। তবে পর্ণা যেটা চায় সেটা শুনে বেশ ভয় পেয়ে যায় অফিসার। পর্ণা তাদের থেকে কিছুক্ষণের জন্য বন্দুকগুলো চায়। সে বলে বডিগার্ড সেজে চয়ন আর সৃজন ভিতরে ঢুকবে আর সমস্ত খবর নিয়ে আসবে। প্রথমে রাজি হতে না চাইলেও পরে ভরসা করে বন্দুকগুলো দিতে রাজি হয়ে যায় তারা। এরপর সিজন আর চয়ন ভিতরে ঢুকে ওস্তাদজীর খাওয়া-দাওয়ার সমস্ত চার্ট এবং আরো কিছু তথ্য জোগাড় করে নিয়ে আসে।

অন্যদিকে অয়ন গুন্ডাগুলোকে বলে, ইচ্ছে করে সেসব টাকা ওস্তাদজিকে দিয়ে দেবে কিন্তু তার যেন কোন ক্ষতি না করেন তিনি। তখন সেই গুন্ডারা বলে আয়নই হলো তাদের প্রথম টার্গেট যেটা শুনে খুব ভয় পেয়ে যায় সে। বর্ষা ওই গুন্ডা গুলোকে অনেক খারাপ খারাপ কথাবার্তা বলে অপমান করে, যার ফলে ওই গুন্ডা গুলো বর্ষাকে ধমক দিয়ে বলে তার এসব ভাষণ শোনার জন্য তারা দাঁড়িয়ে নেই। বর্ষা বুঝতে পারে এদের বলে কোন লাভ হবে না এখন যদি তাদেরকে কেউ বাঁচাতে পারে তাহলে সেটা একমাত্র তাদের বৌদি ভাই অর্থাৎ পর্ণা।

আরো পড়ুন: উর্মিলাকে চিনতো বৈদেহি, সকলের সামনে ফাঁস আসল সত্যি! বৈদেহিকে দিয়ে কৌশিকীকে মারার নতুন ফন্দি আঁটলো দিব্যা!

পর্ণা সবাইকে বলে, সে জানতে পেরেছে ওস্তাদজীর বাড়িতে নাকি একটা নাচের দল আসতে চলেছে সেই নাচের দলের লোক হয়েই ঢুকতে হবে তাদের। গাড়িতে যাবার সময় পর্ণা চয়নকে তত্ত্ব বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় কারণ ওই বাড়িতে সবাইকে ভরসা দেওয়ার জন্য আর কেউ নেই। বেশ দোনোমোনো করে পর্ণার কথার মেনে নেয় সে। এরপর সবাই ঢুকে পড়েছে ওস্তাদজীর ডেরায়। ওস্তাদজীর লোক তাদের দেখিয়ে দেয় কোথায় গিয়ে সাজগোজ করতে হবে এবং বাকি কাজকর্ম যা যা আছে সেগুলো মিটিয়ে ফেলতে হবে। পর্ণা সবাইকে বলে আর বেশি দেরি করলে চলবে না। তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নিতে হবে। পর্ণার এই প্ল্যান কি সফল হবে?

Back to top button