উর্মিলাকে চিনতো বৈদেহি, সকলের সামনে ফাঁস আসল সত্যি! বৈদেহিকে দিয়ে কৌশিকীকে মারার নতুন ফন্দি আঁটলো দিব্যা!

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় এমন একাধিক ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হচ্ছে যেগুলো একেবারে প্রথম পাঁচে নিজেদের জায়গা পাকা করেছে। সেগুলির মধ্যে অন্যতম হলো জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে টিআরপিতে বেঙ্গল টপারের জায়গায় টিকে রয়েছে সে। ধারাবাহিকের নায়িকাকে ভীষণ পছন্দ করছেন ভক্তরা।

ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, এই মুহূর্তে জগদ্ধাত্রী দুটি কেস নিয়ে ভীষণ ব্যাস্ত। সে আর কৌশিকী মুখার্জী দুজনে মিলে উৎসবকে জেলে ঢুকিয়েছে ঠিকই কিন্তু এখনও প্রমাণ হয়নি সেই আসল দোষী। সেটা প্রমাণ করতেই উঠে পড়ে লেগেছে সে। অন্যদিকে বিজয়লক্ষীর ছেলেকে খুঁজে বের করার দায়িত্বও তার কাঁধেই। বেশ জটিলতার মধ্যে দিয়ে ঠান্ডা মাথায় একটা একটা করে জট খুলছে সে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সবাই মিলে খতে বসেছে মুখার্জী পরিবার। কৌশিকী সবাইকে খাবার পরিবেশন করে দিচ্ছে। অনেক ভালো ভালো খাবার হয়েছে যা দেখে বেশ রেগে গিয়েছে বৈদেহি। এসব দেখে সে বলে ওঠে, তার ছেলেটা জেলের অন্ধকারে কষ্ট পাচ্ছে আর এখানে মচ্ছব চলছে? সেই শুনে কৌশিকী বলে তাদের তো রোজই এমন রান্নাই হয়, আলাদা করে আজকে এসব বলার মানে কি সেটাই সে বুঝতে পারছে না। তখন বৈদেহি বলে সে খাবে না। অন্ন জল স্পর্শ করবে না সে।

বৈদেহি সবাইকে জানায়, সে চুপ করে বসে থাকবে না। উৎসবকে ছাড়াতে যা যা করতে হয় সব করবে সে। এটা বলা মাত্রই সেখানে উপস্থিত হয় জগদ্ধাত্রী। সে জোর দিয়ে বলে, “যদি উৎসবকে ছাড়ানোর চেষ্টা করেন তাহলে আপনাদেরও আমি জেলে ঢুকিয়ে দেব। উৎসব যে জঘন্ন অপরাধ করেছে তার শাস্তি ওকে পেতেই হবে। আপনি শুধু আপনার ছেলের দিকটাই দেখছেন। একবারও ভেবেছেন , আজ বড়দির কিছু একটা হয়ে গেলে কাঁকন এর কি হতো?” বৈদেহি কিছুই শুনতে চায় না। এক কথা বারবার বলতে থাকে। তখন রাজনাথ বলে স্বয়ম্ভুকে সে সবকিছু দিত যদি সে উৎসবকে ছাড়াতে পারতো। তখন স্বয়ম্ভু বলে অন্যায় যে করে তার কোন মুক্তি নেই। এই শুনে বৈদেহি তাকে দু টাকার গাইকার ছেলে বলে অপমান করে। রেগে যায় স্বয়ম্ভু।

আরো পড়ুন: চরম অপমানের শিকার পিয়া! অনুপম প্রশ্মিতার বিয়ের দিনে এ কী করলেন প্রাক্তন?

সে বলে, “আপনি কখনোই একজন ভালো মা হতে পারেননি। কখনো আপনার ছেলেকে সুশিক্ষা দিতে পারেননি। আপনার কোন অধিকার নেই আরেকজন মাকে অপমান করার। যার সঙ্গে আপনার কোনো সম্পর্কই নেই যাকে আপনি চেনেন না তাকে এসব কি করে বলছেন আপনি?” বৈদেহি উত্তেজিত হয়ে বলে দেয় সে উর্মিলাকে খুব ভালোভাবেই চিনতো অনেক কাছ থেকে জানতো। এই বলে নিজের ঘরে চলে যায় সে। তাকে ফোন করে দিব্যা সেন। সে বলে উৎসব খুব খারাপ অবস্থায় আছে তবে বেশিদিন তাকে এভাবে থাকতে হবে না। এইবার কৌশিকী মুখার্জিকে সরানোর খাসা প্ল্যান করেছে সে।

Back to top button