তুলসী মঞ্চের নিচেই রয়েছে রহস্যের সমাধান! পুলিশ ডেকে অয়নকে উচিত শিক্ষা দিল পর্ণা!

মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার নিজের বুদ্ধি। এই বুদ্ধি দিয়ে চাইলেই সব করা যায়। আর এই বুদ্ধির ব্যাবহারে অত্যন্ত পটু জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। বিয়ে হয়ে আসার পর থেকে শুরু করে এখনো অবধি নিজের বুদ্ধি আর ইচ্ছা শক্তি দিয়ে দত্ত বাড়িতে আসা সমস্ত বিপদকে প্রতিহত করেছে ধারাবাহিকের নায়িকা। বর্তমানে টিআরপি তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে এই মেগা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, সৃজনের লটারি টিকিট চুরি করে ৫০ লক্ষ টাকার মালিক হয়ে যায় অয়ন। পর্ণা শুরুতে কিছুই বলেনি কারণ এই টাকাটা তাদের কষ্টের রোজগারের নয়। কিন্তু এই টাকাটা পেয়ে অয়ন সাপের পাঁচ পা দেখে। সমস্ত লাজ লজ্জার মাথা খেয়ে সে নিজের বাবা অর্থাৎ অখিলেশ দত্তের শ্রাদ্ধ করতে উদ্যত হয়। বাবার মারা যাওয়ার মিথ্যে খবর ছড়িয়ে দেয় ফলে সবাই দুশ্চিন্তায় পড়ে। এবার অয়নকে জব্দ করতে একটা বুদ্ধি বের করে পর্ণা।

সকাল হতেই মাথা মুড়িয়ে ধুতি পরে পুরোহিত ডেকে নিজের জীবিত বাবার শ্রাদ্ধ lকরতে বসে পড়ে অয়ন। ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, জোরে জোরে মন্ত্র পড়ছে পুরোহিত। ধুমধাম করে শ্রাদ্ধের অনুষ্ঠান পালন করছে অয়ন। নিজের ছেলের lহাতে জীবিত অবস্থায় নিজের শ্রাদ্ধ হতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েছে অখিলেশ। সে যে একটা কুলাঙ্গার ছেলের জন্ম দিয়েছে সেটা খুব ভালো করেই বুঝতে পারছে সৃজনের জেঠু। অয়নের মা চোখের জল ফেলেই চলেছে। নিজের মায়ের চোখের জলটাও চোখে পড়ছে না তার। এমন সময় জেঠু বলে ওঠে, “ওকে শাস্তি দেওয়ার কোন ব্যবস্থা করা যায়নি পর্ণা?”

ঠিক এমন সময় পর্ণার অফিসের লোকজন লটারির টিকিটের কোম্পানির লোক সেজে চলে আসে দত্ত বাড়িতে। তারা এসে বলে, ভুলবশত অন্য নাম্বারকে বিজেতা ঘোষণা করা হয়েছে। তাই সব টাকা ফেরত দিতে হবে। এই শুনে অয়ন বলে, এটা তার দোষ নয়, তাই সে কোন টাকা ফেরত দেবে না। আর তার সব টাকা খরচা হয়ে গিয়েছে। এরপর চলে আসে পুলিশ। এবার আয়নের একটু ভয় হওয়া শুরু হয়। তার ঘর তল্লাশি করে কোন টাকা পাওয়া যায় না। অয়ন নিশ্চিন্তে বসে থাকে। কারণ সে সমস্ত টাকা এমন জায়গায় লুকিয়েছে যেটা পাওয়াটা একেবারে অসম্ভব।

আরো পড়ুন: অন্তিম সপ্তাহে চমক টিআরপিতে দারুন রেজাল্ট ইচ্ছেপুতুলের! কেমন ফল করলো বঁধুয়া? সবাইকে চমকে দিয়ে বেঙ্গল টপার এই ধারাবাহিক

পর্ণা ঠাকুরের কাছে প্রার্থনা করতে থাকে, একটা পথ খুঁজে পাওয়ার জন্য। ঠিক তখনই পর্ণার চোখে পড়ে তাদের বাড়ির তুলসী মঞ্চটা। তুলসী গাছটাও ফ্যাকাসে হয়ে গিয়েছে। পর্ণা ভাবে তবে কি অনেক দিন জল পড়েনি? কিন্তু সেটা ত হবার নয়। এইবার তার কাছে সবটা পরিষ্কার হয়ে যায়। সে পুলিশকে আরো কিছুক্ষন দাঁড়াতে বলে। পর্ণা জানায়, টাকার খোঁজ সে পেয়ে গিয়েছে। পর্ণার মুখে এসব শুনে অয়ন বুঝে যায় এবারেও পর্ণা সব ধরে ফেলেছে।

Back to top button