ময়লা ঘরে পা রাখতেই রেগে গেল মিসেস বরাগ, সংকটে পড়লো হোম স্টে! নিজের বুদ্ধি দিয়ে সেই রাগকে গলিয়ে জল করে দিল পর্ণা

সত্যিই বুদ্ধি থাকলে সব সম্ভব। বুদ্ধির জোর অনেক খারাপ পরিস্থিতি আজ থেকে মানুষকে বের করে আনতে প্রথম এবং একমাত্র উপায়। আর সেই কথাটাই প্রতিটি পর্বে প্রতিটি পদক্ষেপে বারবার প্রমাণ করে দিচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। এই ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব এতটাই আকর্ষণীয় যে, সেটা টিআরপিতে প্রত্যেক সপ্তাহে পরিলক্ষিত হয়। ধারাবাহিকের নায়িকা হিসেবে দেখা যাচ্ছে পল্লবী শর্মা এবং নায়ক হিসেবে দেখা যাচ্ছে রুবেল দাসকে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, হাসিখুশি দত্তবাড়ি এইবার পড়েছে এক মহা ফ্যাসাদে। তারা সম্মুখীন হয়েছে এক কঠিন আর্থিক সংকটের। কারণ ইশা দত্ত বাড়ির দুটো ব্যবসা বন্ধ করিয়ে দিয়েছে। তাদের মাথায় এখন অনেক টাকা রইলো। আর সেই সব শোধ করতে বাড়িটাকেই বেচে দেওয়ার পরিকল্পনা করছিল অখিলেশ। পর্ণা সেটা আটকায় এবং নতুন একটা প্ল্যান বের করে। তারা একটা হোমস্টে হলে যার নাম দেওয়া হয় দত্তবাড়ি হোমস্টে। আর দেখতে দেখতে চলে আসে তাদের প্রথম কাস্টমার।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, মিস্টার আর মিসেস বরাগ তাদের দুই ছেলে মেয়েকে নিয়ে চলে এসেছে দত্ত বাড়ি হোমস্টে -তে থাকতে। তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে বরণ করে নেয়া হয় দত্ত বাড়িতে। এরপর তাদের নিয়ে যাওয়া হয় ঘরে। মৌমিতা আর অয়ন সেই ঘরটা আগের থেকেই নষ্ট করে দিয়ে এসেছিল। কাদা লাগিয়ে বিছানা পত্র ওলট-পালট করে সমস্ত কিছু ফেলে একেবারে যাচ্ছে তাই অবস্থা করেছিল তারা। তাই ঘরে ঢোকা মাত্রই পর্ণার প্রথম গেস্টরা প্রচন্ড রেগে যায় আর সেখান থেকে তখনই বেরিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। তারা এটাও জানায় গুগুলে তাদের একটাও রেটিং দেবে না।

এরপর ঠাম্মির কথায় এবং পর্ণার অনুরোধে তারা কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে আর সেই সময়ের মধ্যেই পর্ণা সৃজন বর্ষা এবং রুচিরা মিলে ঘরটাকে আবার পরিষ্কার করে ফেলে। পর্ণা সৃজনকে ওই কাদা মাখা জুতোর ঝাপটা ছবি তুলে রাখতে বলে। ঘর গোছানো হলে পর্ণা তার গেস্টদের আবার নিয়ে আসে তাদের ঘরে। এরপর দুপুর বেলা তারা ভালো করে খাওয়া দাওয়া করে। বিকেল বেলা চা চাইলে মৌমিতা সে কথা ইচ্ছে করে পর্ণার থেকে লুকিয়ে যায়। ফলে বরাগ গিন্নি খুব রেগে যায়। তারা নিচে নেমে আসতেই পর্ণা আর সৃজন তাদেরকে চমকে দেয়।

পর্ণা রেজিষ্টার দেখে জানতে পেরেছিল আজ তাদের বিবাহবার্ষিকী। তাই পর্ণা তাদের গিফট দেয়, কেক কাটার সব মিলিয়ে দারুন খুশি হয়ে যায় তারা। তাদের মনে যত রাগ ছিল সব উধাও হয়ে যায়। কিন্তু মৌমিতা আর অয়ন এসব দেখে কিছুতেই খুশি হতে পারে না। তারা ইশাকে ফোন করে সব বলে। এরপর ইশা তাদের বুদ্ধি দেয়, রাতের খাবারে যেনো কিছু একটা মিশিয়ে দেয় তারা। ব্যাস তাহলেই কাজ মিটে যাবে। মৌমিতা এবার সেটাই করার কথা পরিকল্পনা করতে থাকে।

Back to top button