পারুলের মৃ’ত্যু লগ্নে ভাঙল রায়ানের জেদ! কাপালিকের খাঁড়া থেকে পারুলকে বাঁচাতে চিৎকার করে ভালোবাসার কথা জানালো সে! এক কো’পে দুই টুকরো পারুল? প্রকাশ্যে ধারাবাহিকের মোড় ঘোরানো প্রোমো!

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মেগা সিরিয়াল হলো পরিণীতা (Parineeta)। রায়ান এবং পারুলের জীবনের নানা চড়াই-উতরাই আর তাদের মিষ্টি রসায়ন দর্শকদের প্রতিনিয়ত মুগ্ধ করে রাখে। বর্তমানে এই ধারাবাহিকের গল্পে এক অভূতপূর্ব মোড় আসতে চলেছে, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন রাত ৮টায় জি বাংলার পর্দায় এই ধারাবাহিকের নিয়মিত সম্প্রচার হয়ে থাকে।

বর্তমানে ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে রায়ানের বাবা এবং জেঠুরা স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করেন যে, রায়ান মনে মনে পারুলের প্রতি গভীর অনুরাগ পোষণ করলেও নিজের জেদ ও অহংকারের কারণে তা মুখে স্বীকার করছে না। তাই তার মনের গোপন কথাটি সবার সামনে বের করে আনার জন্য তারা একটি বিচ্ছেদের ভয় দেখানোর পরিকল্পনা সাজান। এই সাজানো নাটকের অংশ হিসেবে যখন বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার দিকে এগোয়, তখন আদালত থেকে একটি বিশেষ রায় প্রদান করা হয়। বিচ্ছেদের চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে আদালত রায়ান ও পারুলকে আরও কিছু নির্দিষ্ট সময় একসাথে সংসার করার নির্দেশ দেয়। বর্তমানে তারা সেই আদালতের নির্দেশ মেনেই একই ছাদের নিচে থাকতে বাধ্য হচ্ছে। কিন্তু এরই মাঝে এসেছে নতুন প্রোমো।

প্রকাশিত নতুন প্রোমোতে দেখা যায়, রায়ান এবং পারুলকে বাড়ির বড়রা মিলে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য এবং হাওয়া বদল-এর উদ্দেশ্যে কোথাও ঘুরতে পাঠানোর পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু এই সাধারণ ভ্রমণের আড়ালেই লুকিয়ে আছে এক ভয়ংকর রহস্য। প্রোমোতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মহাদেবীর মন্দিরে একটি প্রাচীন এবং হাড়হিম করা জনশ্রুতি প্রচলিত আছে. এই রহস্যঘেরা পরিবেশ ঘিরেই তৈরি হয়েছে ধারাবাহিকের আগামী পর্বগুলোর মূল প্রেক্ষাপট।

সেই ভয়ংকর জনশ্রুতি অনুযায়ী, পূর্ণিমার রাতে ওই এলাকায় এক তান্ত্রিক বা কাপালিকের আবির্ভাব ঘটে। সেই কাপালিক কোনো এক স্ত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় এবং তাকে বলি দেওয়ার প্রস্তুতি নেয়. তবে এই চরম বিপদ থেকে বাঁচার একটিই অলৌকিক উপায় আছে. যদি সেই অপহৃত স্ত্রীর স্বামী জনসমক্ষে বা সেই তান্ত্রিকের সামনে নিজের গভীর ভালোবাসার কথা মন থেকে স্বীকার করে, তবেই সেই স্ত্রী মৃত্যুর মুখ থেকে রক্ষা পেতে পারে।

আরও পড়ুনঃ গানের নেশায় সংসার ত্যাগ! ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’-তে এবার শাশুড়ির সঙ্গে দিতি-র দাপুটে লড়াই! প্রকাশ্যে দুর্ধর্ষ প্রোমো!

প্রোমোর শেষ দৃশ্যে নাটকীয়তা চরম পর্যায়ে পৌঁছায়, যখন দেখা যায় পারুল সেই তান্ত্রিকের খপ্পরে পড়েছে এবং তাকে বলি দেওয়ার জন্য বেঁধে রাখা হয়েছে। ঠিক সেই মুহূর্তে রায়ান সেখানে পাগলের মতো ছুটে আসে এবং চিৎকার করে তার অন্তরের কথা ব্যক্ত করে। রায়ানকে বলতে শোনা যায়, ভালোবাসি, পারুলকে ভালোবাসি। কিন্তু এর পিছনে রয়েছে আরও বড় চক্রান্ত। শিরিনের প্ল্যান অনুযায়ী পারুলকে মারার পরিকল্পনা করা হয়। এবারে দেখার অপেক্ষা রায়ানের এই অকপট স্বীকারোক্তি কি পারুলকে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে ফিরিয়ে আনতে পারবে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে প্রবল কৌতূহল।

Back to top button