সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করলো সুইটি! পর্ণার তার কেটে দিলো কৃষ্ণা, ফিরে এলো সেই আগের আলোকপর্ণা!

ভালোবাসা সমস্ত দূরত্ব কমিয়ে দিতে সক্ষম। এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকে নায়িকার সাথে নায়কের অর্থাৎ পর্ণার সাথে সৃজনের না চাইতেও যে দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছে সেটা ভালোবাসা দিয়ে কমিয়ে দিতে চাইছে বা একেবারে মুছে ফেলতে চাইছে নায়ক সৃজন। আর সেই পথে কাঁটা হয়ে বিঁধে রয়েছে সুইটি। ধারাবাহিকের টিআরপি চলতি সপ্তাহে পাঁচের মধ্যে অবস্থান করলেও প্রথম স্থান হারিয়েছে এই মেগা।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা সবার কথাই মোটামুটি বিশ্বাস করে ফেলেছে। সে এখন নিজেকে ২১ বছরের একটা মেয়ে বলে মনে করছে। পাশাপাশি তার জন্ম সাল নিয়ে যে তার মধ্যে একটা দোলাচলের সৃষ্টি হয়েছিল সেটারও সৃজন আর পিকলুর বুদ্ধিতে সুরাহা হয়েছে। তবে এইবার ইশার সাথে হাত মিলিয়ে নতুন করে তাদের এই সাজানো গল্পে অবাঞ্ছিত চরিত্র হিসেবে ঢুকে পড়তে চাইছে সুইটি।
নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ১৯ মে (Neem Phuler Modhu Today Episode 19 may)
নিজের আসল রূপ দেখিয়ে দিলো সুইটি
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা সৃজনকে জিজ্ঞাসা করে, ছোট ভাইয়ের বিয়ে হয়ে গেছে এদিকে বড় ভাই বিয়ে করেনি? সৃজন কিছু একটা বলতে যাবে ঠিক তখনই ঘরে ঢুকে পড়ে সুইটি। সে সৃজনকে পর্ণার সামনে নিজের স্বামী বলে দাবি করে। এটা শুনে ভীষণ খুশি হয় পর্ণা। এরপর সুইটিকে নিয়ে বাইরে চলে যায় পুঁটি। তার কিছুক্ষণ পরে চলে যায় সৃজন। দুজন মিলে বাইরে গিয়ে সুইটিকে কথা শোনাতে থাকে। পর্ণা কি হচ্ছে কিছুই বুঝতে পারে না।
আসলে সুইটি যা যা করছে এই সবটাই ইশার প্ল্যান। ইশা সুইটিকে শিখিয়ে দিয়েছে এসব করতে। সে বলেছে, “পর্ণার সামনে তুমি নিজেকে সৃজনের স্ত্রী বলে দাবি করবে। তারপর যদি কেউ তোমায় কিছু বলে বা বাড়ি থেকে বের করে দিতে চায় তাহলে তুমি বলবে পর্ণার সবকিছু জোর করে মনে করিয়ে দিয়ে অনেক বড় ক্ষতি করে দেবে তুমি। ভয়েতে আর কেউ কিছু বলতে পারবে না।” ইশা যেমনটা বলেছিল তেমনটাই হয় যেটা দেখে মনে মনে খুব খুশি হয় সুইটি।
আরো পড়ুন: কাঁকনের বুদ্ধি দেখে অবাক মেনান! দিব্যার চালেই তাকে মাত দিলো সে! সাধুদার কথায় চমকে গেলো জগদ্ধাত্রী!
পর্ণার তার কেটে দিল কৃষ্ণা
এরপর পর্ণা পুঁটিকে খাইয়ে দেয়। খাওয়াতে খাওয়াতে অমলেটের থালাটা জায়গা মতো না রাখায় চিৎকার করতে শুরু করে কৃষ্ণা। সে নানা রকম কথা শোনাতে থাকে পর্ণাকে। সে বলে, এই বাড়িতে এমন ছোঁয়াছুঁই চলেনা। সব কথা চুপচাপ মাথা নিচু করে শুনছিল পর্ণা। মনে মনে কৃষ্ণা ভাবছিল, আজ সে পর্ণাকে একেবারে কাঁদিয়ে ছাড়বে। কিন্তু শেষের দিকে সে পর্ণার মা বাবা তুলে কথা বলে যেটা শুনে ভীষণ রেগে যায় পর্ণা। সে বলে ওঠে, “দিলেন তো আমার মাথার তারটা কেটে?” এটা শুনে ভীষণ ভয় পেয়ে যায় পিকলু। সে বলে, বিয়ের আগে দিদি আরো বেশি তারকাটা ছিল।

