ফাঁদে পা দিলো নীলু! শৌর্য্যর হাতের মুঠোয় প্রমাণ! এবার হবে নীলুর পর্দা ফাঁ’স!

যখন মানুষের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায় তখন তাকে ঘুরে দাঁড়াতেই হয়। আর পিছনে যাওয়ার কোন উপায় থাকে না। বর্তমানে ঠিক এমনই এক অবস্থার সম্মুখীন হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। পিছতে পিছতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে তার। বাপের বাড়ি হোক অথবা স্বামীর বাড়ি দুই জায়গাতেই এখন তার থাকা নিষিদ্ধ। শুধুমাত্র থাকার জায়গা নেই বলে বাপের বাড়িতে পড়ে রয়েছে রাই।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নীলাঞ্জনা ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের অনেক বড় সর্বনাশ করে দিয়েছে। নতুন জীবনে পা রেখেছিল রাই। সে জীবনটাকে নিজের হাতে তছনছ করে এখন মহানন্দে সেই ধ্বংসাবশেষকে উপভোগ করছে নীলাঞ্জনা। তবে কথায় আছে এক মাঘে নাকি শীত যায় না। প্রত্যেকের সময় আসে। খুব তাড়াতাড়ি সেই সময়টা আসতে চলেছে রাইয়ের জীবনেও। আর তখন বাঁচার জন্য কুল কিনারা খুঁজে পাবে না নীলাঞ্জনা।
মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ২৩ জুলাই (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 23 July)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনির্বাণকে ভালোভাবে রাইয়ের বিরুদ্ধে উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করছে তার মা এবং বাবা। অনির্বাণ অনেকটাই নিজেকে বুঝিয়েছিল। সে ঠিক করেছিল ক্ষমা চেয়ে নিয়ে পাশে থাকবে রাইয়ের। কিন্তু সেই সমস্ত কিছু ভেস্তে দিল সোহিনী। প্রতিনিয়ত তার উস্কানিতে অনির্বাণ যেটুকু দুর্বল হয়েছিল সেই সবটাই আবারো অদৃশ্য হয়ে যায়। শৌর্য্য নিজে আসে অনির্বাণ এর কাছে সমস্তটা পরিস্কার করে জানিয়ে দিতে।
অনির্বাণ ঠিক করে নিয়েছে সে আর কারোর কথা শুনবে না। তাই শৌর্য্যর একটা কথাও না শুনে সে ঘরে চলে যায়। ঘরে গিয়ে ভাবতে থাকে সে কোন ভুল করে বসছে না তো। এদিকে অনির্বাণের বোন তাকে আবারো বলে, তার উচিত রাইয়ের পাশে দাঁড়ানো। এইভাবে একটা মেয়েকে কোন ঠাসা করে দেওয়া ঠিক নয়। যদি একদিন সবটা প্রমাণ হয়ে যায় সেদিন এতটাই দেরি হয়ে যাবে যে, আর সেখান থেকে ফেরার কোন উপায় থাকবে না। অনির্বাণ আবারও এই বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তায় পড়ে যায়।
আরো পড়ুন: প্রাক্তন স্বামীরা পেতেছেন সংসার! এবার তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন অনিন্দিতা!
চাকরি খুঁজতে ব্যস্ত রাই
এদিকে রাই ঠিক করে সে আবার চাকরির জন্য প্রস্তুতি নেবে। তাকে একটা চাকরি পেতেই হবে তবেই সে হোস্টেলে গিয়ে থাকতে পারবে। একমাস সে তার মায়ের কাছ থেকে সময় চেয়ে নিয়েছে। এর মধ্যেই তাকে যা করার করতে হবে। তার কিছুক্ষণ পরেই সেখানে চলে আসে শৌর্য্য। সে আসতেই সবাই তাকে বেরিয়ে যেতে বলে। কিন্তু শৌর্য্য বলে, সে তার ভুলগুলোকে শুধরে নিতে চায় আর নীলাঞ্জনাকে তার বাড়িতে নিয়ে যেতে চায়। সব শুনে ভীষণ খুশি হয়ে যায় নীলু। অন্যদিকে অবাক হয়ে যায় প্রত্যেকে।

