কপাল করলে শৌর্যর মতন ছেলে মেলে! অভাগী রাই আর লোভী নীলু সেটা বুঝল না!

মানুষ এমন কাউকে নিজের জীবনে পেতে চায় যে নিজের মনের সন্দেহ পুষে না রেখে সব সময় বিশ্বাস করবে এবং ভালবাসবে। শরীরে যেরকম নানা রকমের রোগ বাসা বাঁধে এবং গোটা শরীরটাকে ধীরে ধীরে অকেজো করে দেয় ঠিক তেমনি মনে বাসা বাঁধে সন্দেহ। এটা এমন একটা রোগ যা সমস্ত সম্পর্ককে নষ্ট করে দিতে সক্ষম। ঠিক যেমন করে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়ক অনির্বাণের সন্দেহ এবং অবিশ্বাস নষ্ট করে দিয়েছে নায়িকা রাইয়ের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক।
রাইয়ের জীবনেও সুখ ধরা দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তার বাবার অকাল প্রয়াণে সমস্তটা এলোমেলো হয়ে যায়। নিজের পরিবারের সমস্ত দায় দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিতে গিয়ে নিজের যে একটা জীবন রয়েছে সেটাই ভুলতে বসেছিল ধারাবাহিকের নায়িকা রাই। তাকে সেই কথাটা মনে করিয়ে দেয় অনির্বাণ। ভালোবাসার স্বপ্ন দেখায় একটা সংসার করার ইচ্ছে জাগিয়ে তোলে নায়িকার মনে। কিন্তু রাই জানতো না অনির্বাণ এতটা বদলে যেতে পারে। শুধু সন্দেহের বশে সব সম্পর্ক নষ্ট করে দিতে পারে। বারবার বিশ্বাস করেও ডাহা ঠকে গিয়েছে রাই।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাইয়ের শরীরে এমন একটা রোগ বাসা বাঁধে, যার ফলে সবার মনে হয় রাই গর্ভবতী। ব্যাস এটা শোনা মাত্রই অনির্বাণ আর একবারও গোটা বিষয়টা ক্ষতিয়ে না দেখে বা অন্য কোন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ না করে প্রথমেই সমস্ত দোষ চাপিয়ে দেয় ধারাবাহিকের নায়িকার কাঁধে। শুধু তাই নয় সে এবং তার গোটা পরিবার রীতিমতো মানসিক নি’র্যাতন করে রাইয়ের সাথে। যত রকম ভাবে নিজের রাগ উগরে দেওয়া যায়, সব রকম চেষ্টা করে অনির্বাণ।
আরো পড়ুন: বিয়ে সম্পন্ন হতে না হতেই রায় চৌধুরী বাড়িতে এসে হাজির পারোর প্রথম স্বামী তথা!
এই কথাটা অনির্বাণ শৌর্যর কাছে গিয়েও বলে। শৌর্য সবটা শুনে অনির্বাণকে প্রথমেই পরামর্শ দেয়, তার অন্য ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত। যদিও এই কথায় পাত্তা দেয় না অনির্বাণ। সে নিজের মতন করে যা নয় তাই শুনিয়ে যায় নিজের ভাইকে। ছোট বড় সমস্ত জ্ঞানশূন্য হয়ে নিজের কথার দ্বারা আক্র’মণ করতে ব্যস্ত থাকে অনির্বাণ। কথাগুলো বলা হয়ে গেলে রীতিমতো হুমকি দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। শৌর্য অনির্বাণের কথায় বিশেষ পাত্তা দেয় না কারণ তার মাথায় ঘুরতে থাকে রাইয়ের নিশ্চয়ই বড়সড়ো কোন একটা অসুখ হয়েছে।

অনির্বাণ এর থেকে শৌর্য হাজার গুনে ভালো
ঠিক এই জায়গাতেই অনির্বাণের সঙ্গে শৌর্যর প্রধান পার্থক্য। একসাথে না থেকেও শৌর্য রাইকে যে পরিমাণ বিশ্বাস করে, তার এক বিন্দুও যদি অনির্বাণ করত তাহলে হয়তো আজ তাদের সম্পর্কটা অন্য জায়গায় থাকতো। শৌর্য রাইকে নিয়ে চিন্তায় পড়ে যায়। সে ভাবতে থাকে, এই মুহূর্তে কে আছে রাইয়ের পাশে? ওকে কেউ ডাক্তার দেখাতে নিয়ে যাচ্ছে তো? শৌর্যর এই চরিত্র সত্যিই নজর কেড়েছে দর্শক মহলের। যদি নায়ক হওয়ার মতন যোগ্য মানুষ কেউ থেকে থাকে সেটা শুধুমাত্র শৌর্য।

