বিয়ে সম্পন্ন হতে না হতেই রায় চৌধুরী বাড়িতে এসে হাজির পারোর প্রথম স্বামী তথা!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ফুলকি (Phulki)। শুরু থেকেই ধারাবাহিকটি মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের। তবে যত সময় এগিয়েছে ততই বেড়েছে ফুলকির জনপ্রিয়তা। দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে অভিষেক বসু (abhishek Bose) ও দিব্যানি মন্ডলের (Devyani Mondal) অনস্ক্রিন রসায়ন। তবে বর্তমানে ফুলকি রোহিত নয়, পারমিতা অংশুর বিয়ে নিয়েই জমে উঠেছে ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্ব। তবে বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগেই একের পর এক ঝড় আঁচড়ে পড়ছে পারমিতা অংশুর জীবনে।
বিয়ে ভাঙতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন সকলে। প্রথমে পারমিতাকে বিয়ে ভাঙতে কারসাজি করলেন হৈমন্তী। পারমিতাকে অজ্ঞান করে রথের ঘরে আটকে রাখলেন শাশুড়ি মা। কিন্তু তাতেও হয়নি শেষ রক্ষা। সঠিক সময়ে সেই ঘরে গিয়ে পারমিতাকে উদ্ধার করে আনে রোহিণী, ফুলকি ও অংশুর। কিছুক্ষণ। পর জ্ঞান ফিরে আসে পারমিতার। তবে বিয়ে বন্ধ হয়নি দেখে শেষ চালটা দেয় রিকি। অংশুর বাবা মাকে ফোন করে সবটা জানিয়ে দেয় সে।
ফুলকি আজকের পর্ব ১লা সেপ্টেম্বর (Phulki Today Episode 1St September)
ধারাবাহিকে আজকের পর্বে দেখা যাবে বরের বেশে অংশুকে বরণ করে নিয়েছে ফুলকি। তারপরই নিয়ে আসা হয় পারমিতাকে। পারমিতাকে দেখে রীতিমতো অবাক হয়ে যায় অংশু। তবে মালাবদলের আগেই বাঁধে নতুন সমস্যা। রায় চৌধুরী বাড়িতে এসে উপস্থিত হয় অংশুর বাবা মা। আর এসেই সঙ্গে সঙ্গে অংশুর সঙ্গে শুরু করেন ঝামেলা। পারমিতাকে অংশুর স্ত্রী হিসেবে মানতে নারাজ অংশুর বাবা।
View this post on Instagram
তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন পারমিতার মতো একটি বিধবা মেয়েকে তিনি বউমা হিসেবে কখনও মেনে নেবেন না। তবে চুপ থাকেনি অংশুও। বাবাকে অংশু স্পষ্ট জানিয়ে দেয় সে পারমিতাকে ভালোবাসে আর সে পারমিতাকেই বিয়ে করবে। এরপরই রায় চৌধুরী বাড়িতে সকলকে এবং সর্বোপরি পারমিতাকে যা নয় তাই বলে অপমান করতে শুরু করেন অংশুর বাবা। তবে থেমে থাকেনি রায় চৌধুরী বাড়ির সদস্যরাও। পাল্টা জবাব দিয়ে দেয় অংশুর বাবাকে।
আরো পড়ুন: অবশেষে খুলল অতীতের জট! মিহির আসল পরিচয় জানতে পেরে চমকে গেল ঋক!
পারমিতার বিয়েতে এসে হাজির তথা
বাবার সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করেই পারমিতার গলায় মালা পরাতে যায় অংশু। কিন্তু তখনই অংশুকে মারতে ওঠেন তার বাবা। তবে অংশুকে সরিয়ে সামনে চলে আসে পারো। বাধ্য হয়েই রায় চৌধুরী বাড়ি ছেড়ে চলে যান অংশুর বাবা মা। যদিও এই পরিস্থিতি দেখে খুশি হয় রুদ্র। অবশেষে অংশু যে পারমিতাকে বিয়ে করছে এই ভেবেই খুশি হয় সে। এরপরই পারমিতার সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেয় অংশু। পারমিতা দেখে তথা এসে হাজির হয়েছে রায় চৌধুরী বাড়িতে। তাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে নতুন জীবনের জন্য। তথাকে মনে মনে পারমিতা বলে সে সারাজীবন তাকে ভালবাসবে এইভাবেই যেন সে পারমিতার সঙ্গে থাকে। যদিও সবটাই ছিল পারমিতার কল্পনা। কিন্তু পারমিতার বৈবাহিক জীবন কি সুখের হবে? জানা যাবে আসন্ন পর্বে।

