লোভে পড়ে এইবার বিরাট ভুল করে বসলো নীলু! টানটান উত্তেজনায় জমে গেল আজকের পর্ব

লোভে পড়লে মানুষ এমন অনেক কিছু করে বসে যেটা তাদের কখনোই করা উচিত নয়। তারা কে কি এবং কোথা থেকে উঠে এসেছে এই সব কিছু নির্বিশেষে তাদের চাহিদা সীমা অতিক্রম করে যায়। আর এই অত্যাধিক চাহিদায় তাদের পতনের প্রথম এবং প্রধান কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। ঠিক যেমনটা হতে চলেছে জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের মেজ বোন নীলাঞ্জনার সাথে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, শৌর্য নীলাঞ্জনাকে ডিভোর্স দিতে চায়। কারণ তার পক্ষে আর নীলাঞ্জনার সাথে সুখে শান্তিতে ঘর সংসার করা সম্ভব নয়। সে চায় নীলাঞ্জনা যেন সহজ সরল ভাবে মিউচুয়াল বা উভয় সম্মতিতে হওয়া বিচ্ছেদের পথেই হাঁটে। শুরুতে নিলাঞ্জনা সবটা মেনেও নিয়েছিল। কিন্তু উকিলের সামনে একেবারে ৩৬০ ডিগ্রী ঘুরে গিয়ে অন্য কথা বলতে শুরু করে নীলাঞ্জনা। যেটা দেখে অবাক হয়ে যায় তার গোটা শ্বশুরবাড়ি।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব 23 আগষ্ট (MithiJhora Today Episode 23 August)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, যখন সবার সামনে দুই পক্ষের উকিল ডিভোর্সের কথাটা তুলে তখন নীলাঞ্জনা স্পষ্ট জানায় তার এই বিচ্ছেদের কোন সম্মতি নেই কারণ সে সুখে শান্তিতে সংসার করতে চায়। নীলাঞ্জনার এই পাল্টি খাওয়া স্বভাব দেখে আরো বেশি করে রেগে যায় বাড়ির প্রত্যেকে। তারা তখন আরো বেশি করে নীলাঞ্জনার থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করতে থাকে। আর এটাই এতক্ষণ ধরে চাইছিল নীলাঞ্জনা।
সবাই যখন ব্যস্ত হয়ে ওঠে এই ডিভোর্সটা করানোর জন্য ঠিক তখনই আসল দানটা দেয় নীলু। সে বলে, সে এই সংসারটা করতে চেয়েছিল কিন্তু কেউ যখন তাকে মেনে নিতে পারছে না তখন সে আর এই বাড়িতে থাকবে না। সে অন্যত্র থাকবে এবং সে কোন মাসোহারা নেবে না। সে এককালীন একটা টাকা নেবে, যেটাকে বলা হয় লাম সাম। শৌর্য জিজ্ঞাসা করে কত টাকা দাবি করছে নীলাঞ্জনা? উত্তরটা এমন হবে সেটা আশা করতে পারেনি শৌর্য।
আরও পড়ুন: সৌভিক নয়! তবে কে মিহির বাবা? কোন সত্যিটা আড়াল করছে মধুবনী?
দেড় কোটি টাকা দাবি করে নিলাঞ্জনা
নীলাঞ্জনা বলে, “শুধুমাত্র খাওয়ার খরচা দিলেই তো হবে না। আমি এখনো আরও ৪০-৫০ বছর বাঁচবো, আমার চিকিৎসার খরচা আছে, আমার থাকার খরচা আছে আর কখনো যদি আমার ঘুরতে যেতে ইচ্ছা করে তারও খরচা আছে। তাই আমার দেড় কোটি টাকা লাগবে।” কথাটা শুনে অবিশ্বাস্য বলে মনে হয় শৌর্যর। এই নিয়ে কিছুক্ষণ বচসা চলার পর রেগে গিয়ে শৌর্য বলে, নীলাঞ্জনা অনেক বড় ভুল করল। সে হাতের লক্ষ্মী পায়ে ঠেললো। এইবার সে আর কোন টাকা পাবে না।

