চাপে পড়ে নিজেই সৌর্যকে সব সত্যি বলে দিলো নিলু! বসের বাড়ি যেতে গিয়ে ঘোর বি’প’দে রাই!

Mithijhora Today Episode: মিথ্যে বলতে বলতে মানুষ কখন নিজের জালে নিজেই জড়িয়ে পড়ে সেটা সে বুঝতেও পারে না। আর যখন বুঝতে পারে তখন অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে। এখন জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় বেশ জমে উঠেছে মিঠিঝোড়া (Mithijhora) ধারাবাহিকটি। এই ধারাবাহিকে নায়িকার বোন নিলুর সঙ্গে ঠিক এমনটাই হচ্ছে। সে তার শ্বশুরবাড়িতে এমন একটা মিথ্যে বলেছে যার কোন ক্ষমা নেই, আর সেটা সে এই মুহূর্তে খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছে। টিআরপি তালিকায় ধীরে ধীরে জায়গা করে নিচ্ছে এই মেগা।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নায়িকা এবং তার দুই বোন, প্রত্যেকেই এখন বেশ সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। কারো জীবন সহজ সরল পথে এগোতে চাইছে না। প্রত্যেকের জীবনের হাজারো এক বাধা বিপত্তি লেগেই রয়েছে। আর এই মুহূর্তে সব থেকে বড় বিপদের মধ্যে যে রয়েছে সে হলো নিলু। নিজের দোষেই নিজের সর্বনাশ ডেকে এনেছে সে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, নিলুর শশুরবাড়ির সবাই মিলে একসাথে খেতে বসছে। ঠিক তখনই ডোরা বলে, “আমি বুঝতে পারছি না নিজের স্বামীর সাথে ডাক্তারের কাছে যেতে নিলুর ঠিক কি সমস্যা হচ্ছে। নিলু কি কিছু লোকাতে চাইছে? আমি আসলে ওকে পুরো একশো শতাংশ বিশ্বাস করতে পারিনা। ও আগে যা যা ঘটিয়েছে, তাই বেশ সন্দেহ হচ্ছে।” সৌর্য প্রতিনিয়ত তার বৌদির কথার বিরোধিতা করে আর নিলুকে সাপোর্ট করে। এটা দেখে নিলুর খুব খারাপ লাগে। সে মনে মনে বলে, “এই মিথ্যের জাল কেটে যে কিভাবে বেরোব কিছুই বুঝতে পারছি না। সৌর্য আমার জন্য লড়াই করে যাচ্ছে। এই মিথ্যেটা যে কেনো বোলতে গেলাম।”

অন্যদিকে স্রোত আর রাই দুজন মিলে প্রিন্সিপালের কাছে গিয়ে সমস্ত সমস্যা খুলে বলে। রাই বলে, “আমার বোনটা কখনো কলেজ কামাই করে না, সেখানে ও কলেজ না গিয়ে বাড়িতে বসে আছে। ওর মানসিক স্বাস্থ্যের উপর কতটা প্রভাব ফেলেছেন ওই প্রফেসর, আপনি বুঝতে পারছেন তো? এমন চললে আমি ওনার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগে জানাতে বাধ্য হবো।” স্রোত তার প্রিন্সিপাল স্যারের বারবার বলে, সে যেন তাকে টিসি দিয়ে দেয়। তখন প্রিন্সিপাল স্যার কথা দেয়, এতদিন যা যা ঘটেছে সেগুলোর আর কোনোভাবেই পুনরাবৃত্তি হবে না এটা শুনে নিশ্চিন্ত হয়ে স্রোতকে নিয়ে বাড়ি ফিরে যায় রাই।

আরও পড়ুন: মে মাসেই সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন ছোটপর্দার উচ্ছেবাবু তথা আদৃত, জানেন পাত্রী কে?

এদিকে রাতে রাইয়ের কিছুতেই ঘুম আসতে চায় না। কারণ পরের দিনই রবিবার, আর সেই দিনই তাকে যেতে হবে তার বসের বাড়িতে রান্না করতে যেটা তার কাছে বেশ অস্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ অফিসের বাকি সহকর্মীরা যদি এসব শোনে তাহলে বাঁকা কথা শোনাতে ছাড়বে না। রাই ভাবতে থাকে কিভাবে গোটা বিষয়টাকে কাটানো যায়। ঠিক তখনই মেসেজ আসে অনির্বাণের। অনির্বাণ রাইকে জিজ্ঞাসা করে, চিংড়ি মাছের মালাইকারি জন্য কোন চিংড়ি আনা উচিত? রাই বুঝে যায় অনির্বাণ অনেক আশা নিয়ে অপেক্ষা করে আছে। তাই সে আর এই বিষয়টা কাটানোর কোন উপায় পায় না আর অবশেষে হাল ছেড়ে দেয়। সে বুঝে যায় তাকে যেতেই হবে, সেটা যাই হয়ে যাক না কেন।

Back to top button