পর্ণার তার কেটে দিল কৃষ্ণা, পিকলুর সাথে বর্ষার বিয়ে দিতে নতুন ফন্দি আটলো সে!

এখন জি বাংলার (Zee Bangla) সেরা ধারাবাহিক নিম ফুলের মধুতে (Neem Fuler Modhu) চলছে ধুন্দুমার পর্ব। চুরি করা টাকায় বড়লোক হয়ে ঔদ্ধত্য বেড়ে গিয়েছিল অয়নের। ধারাবাহিকের নায়িকা সেই অহংকার ভেঙে টুকরো টুকরো করে দিল। নিজের বুদ্ধির জন্য বার বার দর্শক মহলের কাছে প্রশংসিত হয় নায়িকা পর্ণা। তার অসাধারণ অভিনয় বর্তমানে টিআরপি তালিকায় এই ধারাবাহিকটিকে বেঙ্গল টপারের স্থান অধিকার করতে সাহায্য করেছে।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, অয়নের নোংরামি আর সহ্য করতে পারছিল না পর্ণা। একটা মানুষ ঠিক কতটা অসভ্য বর্বর মানসিকতার হয়ে গেলে নিজের জীবিত বাবার শ্রাদ্ধ করতে পারে, সেটাই পরিমাপ করার চেষ্টা করছিল সে। পর্ণা ঠিক করে, আর অয়নকে বাড়তে দেওয়া যাবে না। তাই বুদ্ধি খাটিয়ে অয়নকে লাখপতি থেকে আবার রাস্তায় নামিয়ে আনে। জেঠুর চোখের জলের বদল নেয় সে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অয়ন আবার পর্ণার ক্ষতি করার চিন্তা ভাবনা করলে পুলিশ অয়নকে বলে, “চুরি আর জোচ্চুরি এই দুটো অপরাধই ইতিমধ্যেই করে ফেলেছেন আপনি। আর যেচে নিজের অপরাধ বাড়াবেন না। তাহলে তুলে নিয়ে যেতে বাধ্য হব।” এরপর চলে যায় পুলিশ। সবাই পর্ণার প্রশংসা করতে থাকে। সৃজন আবার নতুন করে শাড়ির কথা শুরু করার কথা ভাবতে থাকে। ঠিক এমন সময় অয়ন এসে বাড়ির দরজা বন্ধ করে দেয় আর তার দেহ রক্ষীদের বলে, বাচ্চা বুড়ো নির্বিশেষে সকলকে পিটিয়ে ছাতু করে দিতে।
তখন জেঠু তাদের বলে “একটু দাঁড়াও। বলছি যার হয়ে মারতে আসছো, সে তো একটা ছাল ছড়ানো ভোঁদড়।কোনো টাকা দিতে পারবে না তোমাদের। তার চেয়ে এই নাও আমি তোমাদের টাকা দিচ্ছি। যাও ওই ছেলেটাকে চেপে ধরো যাতে মাথা না নাড়াতে পারে। আমি জুতো মারি।” লাঠি হাতে লোকগুলো টাকা পেয়ে জেঠুর কথা মতন কাজ করে। আর তারপর জেঠু অয়নকে জুতো দিয়ে মারতে থাকে। এরপর অয়নের মুখে কালি মাখিয়ে, মাথায় ঘোল ঢেলে জুতোর মালা পরিয়ে পাড়ার সবার সামনে ঢোল করতল বাজিয়ে চরম শাস্তি দেয়।
আরো পড়ুন: নিজের চাকরি খুইয়ে অস্মিতাকে বাঁচালো জগদ্ধাত্রী! ছাড়া পেয়ে গেলো উৎসব!
পরের দিন সকাল হতেই দোকানে যাওয়ার আগে, অয়নকে দুই ঘা চটির বাড়ি মেরে তারপর কাজে যায় অখিলেশ। এর পর সবাই কাজে বেরোনোর প্রস্তুতি নেয় আর তখনই কৃষ্ণা ফোনে কথা বলতে বলতে নিচে নেমে আসে আর বর্ষাকে বলে কাল থেকে তাকে আর কলেজ যেতে হবে না। কারণ পরশুদিন তাকে পাত্র-পক্ষ দেখতে আসছে। বর্ষা বলে সে এখন বিয়ে করতে চায় না। এই কথা শুনে কৃষ্ণা বলে, যদি এখন বর্ষার বিয়ে না হয় তাহলে পিকলুর সাথে তার মেলামেশা বাড়তেই থাকবে আর এটা কোনভাবেই হতে দেবে না কৃষ্ণা। এই বাড়িতে পরিবারের লোকজনদের মত অনুযায়ী বিয়ে হয়। চয়নের মাথা খেয়েছে পর্ণা। কিন্তু সেই একই কাজ সে বর্ষার বেলায় করতে দেবে না। এসব শুনে পর্ণা বলে, “দিলেন তো আমার তারটা কেটে? বর্ষা আর পিকলু যদি একে অপরকে ভালোবাসে তাহলে আমি নিজে ওদের দুজনের বিয়ে দেব, যেমনটা চয়ন আর রুচিরার দিয়েছি। আপনি কিছুই করতে পারবেন না।”

