বিজ্ঞানের যুগে ভাঁওতাবাজ! পাতার রস খাইয়ে ম’রা মানুষকে বাঁচিয়ে তুলল আনন্দী! ডাক্তারির নামে কুসংস্কার ছড়াচ্ছে জি বাংলা!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী (Anondi)। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় (TRP List) ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটি বেশ জমে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালই ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে। অবশেষে আদি আনন্দী সব বাধা পেরিয়ে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করেছে।
ধারাবাহিকে বর্তমানে দেখানো হচ্ছে আনন্দী আদিকে বাঁচানোর জন্য বনদেবীর সঙ্গে মুখোমুখি হয়। এমনকি গ্রামের যারা এই পুজো করে পুরোহিত এবং আরো অন্যান্য সবার সঙ্গেই তর্কে জড়িয়ে পড়ে। আনন্দীকে কেউই সাহায্য করতে চায় না। যেহেতু শহরের লোকজন তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে তাই জন্য আদির প্রাণ বাঁচানোর জন্য কেউই এগিয়ে আসে না।
কিন্তু আনন্দী সবার বিরুদ্ধে গিয়ে বনদেবীর কাছে প্রার্থনা করে। নিজের শাঁখা সিদুরের জোরে আদিকে বাঁচানোর লড়াই এ নেমে পড়ে। গ্রামের মানুষের বিশ্বাস বনদেবীর কাছে যা চাওয়া হয় তাই নাকি পাওয়া যায়। এমনটাই বিশ্বাস করে গ্রামের লোকজন। তাই আনন্দীও গ্রামের লোকজনদের সেই বিশ্বাসে দন্ডি কাটে। আদির প্রাণ ভিক্ষা করে দেবীর কাছে। আর তখন গাছের থেকে একটি পাতা পড়ে আনন্দীর আঁচলে। পরে সেই পাতার রস খাইয়ে আদিকে মৃ’ত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনে আনন্দী।
আর এই এপিসোড দেখার পর থেকে দর্শকমহলে সমালোচনা হচ্ছে ধারাবাহিকটিকে নিয়ে। ধারাবাহিককের প্রথম দিন থেকেই দেখানো হয়েছে লাহিড়ী বাড়ির সকলেই ডাক্তার, আনন্দী নিজেও একজন বড় নার্স। কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা কুসংস্কারে বিশ্বাসী। এটা দেখার পরেই ট্রোল হতে হয়েছে এই ধারাবাহিককে। কারণ ধারাবাহিককে দেখানো হয়েছিল আদি প্রায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে। সেখান থেকে সামান্য একটা পাতার রস খাইয়ে আদিকে মৃত্যুর মুখ থেকে ছিনিয়ে এনেছে আনন্দী। যেটা বাস্তব জীবনে কখনোই সম্ভব নয়।
আরও পড়ুনঃ অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াল পারুল! বন্ধুর বিপদে রুদ্রমূর্তি ধারণ করলো সে! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব!
আর এই ধরনের ঘটনা আমাদের বাস্তব জীবনে কখনোই সম্ভব নয়। মৃত্যু হওয়ার পরে কোন মানুষ আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে এই ধরনের গল্প কেউই আজ পর্যন্ত শোনেনি। আর সেখানে ধারাবাহিককে এই ধরনের কুসংস্কার দেখানো হচ্ছে। যার জন্য ধারাবাহিকটিকে নিয়ে ট্রোল সমালোচনা করা হচ্ছে।

