দত্ত বাড়িতে ভাঙ্গন ধরালো অয়ন মৌমিতা! পর্ণাকে কৌশলে অন্যত্র সরিয়ে দিল ইশা! ভাগ হয়ে গেল দুই পরিবার!

Neem Phuler Modhu Today Episode 7 May: কোন কিছুকে তখনই ভাঙা সম্ভব যখন সেখানে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এর আগেও অনেকবার দত্তবাড়িকে ভাঙার চেষ্টা করেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের প্রধান খলনায়িকা ইশা। কিন্তু এইবার একেবারে নতুন একটি পদ্ধতি অবলম্বন করল সে। বর্তমানে জমে উঠেছে ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্ব। চলতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে এই ধারাবাহিক।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন চেষ্টা করছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সুইটিকে আবারো অন্য কোন একটা হোমে অথবা আশ্রমে রেখে আসার। কিন্তু এটা কোনভাবেই হতে দিতে চায়না অয়ন মৌমিতা কৃষ্ণা। তাই সুইটি কে নিয়ে অয়ন আর মৌমিতা ইশার কাছে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। কারণ সেই একমাত্র তাদেরকে এই বিপদের হাত থেকে রক্ষা করতে পারবে। সুইটি যদি চলে যায় তাহলে তারা আর পর্ণাকে জব্দ করতে পারবে না।

নতুন ফন্দি আঁটলো ইশা (Neem Phuler Modhu Today Episode 7 May)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সুইটি ইশার কাছে গিয়ে খুব কান্নাকাটি করে। সে বলে, তাকে নাকি আশ্রমে গিয়ে ছানা খেতে হবে। সে তো দুধের জিনিস খেতেই পারেনা। এখন তার মনে হচ্ছে হোমে থাকাই ভালো ছিল। এখানে এসে যেন আরো বেশি করে বিপদে জড়িয়ে পড়েছে সে। ইশা বলে এই সময় এত মাথা গরম করলে চলবে না। তাকে মাথা ঠান্ডা রেখে এগোতে হবে। তাকে মনে রাখতে হবে সে পর্ণার সাথে লড়াইয়ে নেমেছে। তাই এত তাড়াতাড়ি হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না। এরপর অয়ন আর মৌমিতা তার থেকে একটা বুদ্ধি যায় যাতে সুইটিকে কোনভাবে ওই বাড়িতে রেখে দেওয়া যায়।
ইশা বলে, “যদি সত্যি সুইটিকে দত্ত বাড়িতে পাকাপাকি ভাবে রেখে দিতে হয় তাহলে দত্ত বাড়িতে ভাঙন ধরাতে হবে। তবে এইবার আর বাড়ি ভাঙলে চলবে না, এইবার বাড়ির মধ্যেকার মানুষগুলোর মধ্যে সম্পর্ক গুলোকে ভাঙতে হবে। কৃষ্ণা দত্ত আর অখিলেশ দত্তের মধ্যে তুমুল ঝামেলা লাগিয়ে দাও অয়ন দা।” এরপর এই কাজটা করার জন্য ঠিক কি কি করতে হবে সেই সবকিছুই অয়নকে বলে দেয় ইশা। সবকিছু শুনে খুব খুশি হয়ে যায় অয়ন মৌমিতা।
আরও পড়ুনঃ ধরা পড়লো নিলু! স্রোত সার্থকের রসায়ন জমে ক্ষীর! রইল মিঠি ঝোড়া ধারাবাহিকের আজকের পর্ব
পর্ণাকে কিছুদিনের জন্য সরিয়ে দিল অয়ন
পরের দিন সকাল হতেই শাড়ির কথা আর জন্য একটা অনেক বড় সুযোগ চলে আসে তাদের কাছে। পর্ণাকে দুজন ব্যক্তি এসে বলে, উড়িষ্যার কিছু মেয়েদের শাড়ির ব্যবসা সম্পর্কে অবগত করতে এবং উদ্বুদ্ধ করতে একটা ছোটখাট ওয়ার্কশপের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে যদি পর্ণা এবং সৃজন থাকে তাহলে নাকি তাদের খুব সুবিধা হবে। এডভান্স স্বরূপ ২ লক্ষ টাকা তারা এখনই দিয়ে দেবে। এরপর আর কথা না বাড়িয়ে রাজি হয়ে যায় পর্ণা। তাদেরকে সাথে সাথে টিকিট অবধি দিয়ে দেয় ওই দুই ব্যক্তি।

