পর্ণার হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি নিয়ে খেলা করছে ইশা! ডেকে আনছে চরম সর্বনাশ

সাম্প্রতিক সময়ে জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো সৃজন পর্ণার নিম ফুলের মধু (Neem Phuler modhu)। বেশ পুরনো এই ধারাবাহিকটি দর্শকের মনে এখনো ভালবাসার জায়গা ধরে রেখেছে। ধারাবাহিকের গল্প, জুটি সবই দর্শকদের বেশ পছন্দের। তাইতো টিআরপি তালিকাতে সব সময় প্রথমের দিকেই থাকে এই ধারাবাহিকের নাম।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল ইশার সব প্ল্যান ভেস্তে দেয় পর্ণা। এরপর ইশাকে নিয়ে আসে এক্সিবিশনে। এর পরে পর্ণা শুরু করে নিজের এক্সিবিশন। এক এক করে সব মডেলরা হাঁটার পর অবশেষে এই এক্সিবিশনের শো টপার হিসেবে দেখা যায় ঈশা কে। যা দেখে তো প্রত্যেকে অবাক হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে এক্সিবিশন দুর্দান্ত সফল হয়েছে। তাতে মোট ২৫ লক্ষেরও বেশি টাকা পেয়েছে পর্ণারা। তাতে ইশা নিজেই পর্ণাকে ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছে। অন্যদিকে ওই এক্সিবিশনে উপস্থিত ছিল পর্ণার কলেজের দিনের এক বন্ধু। পর্ণাকে চিনতে পেরে সে নিজে এসেই কথা শুরু করে। কিন্তু পর্ণা তাকে চিনতেই পারে না। কিন্তু মেয়েটির কথা শুনে আবারো সন্দেহ তৈরি হয় পর্ণার মনে আর পর্ণা নিজের পুরনো কলেজের খোঁজ করতে থাকে। আর মনে মনে ঠিক করে সে এই সত্যিটা জেনেই ছাড়বে।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ২৯ সেপ্টেম্বর (Neem Phuler Modhu Today episode 29 September)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে পর্ণা কলেজের ওয়েবসাইটে গিয়ে তথ্য বের করার চেষ্টা করে। কিন্তু সেই সময় ঘরে চলে আসে সৃজন। এরপর পর্ণা সৃজনকে প্রশ্ন করে সৃজন তার থেকে কি আড়াল করছে, কেনো পর্ণার সবকিছু এত চেনা চেনা লাগছে। কিন্তু সৃজনের হাত পা বাধা সে চেয়েও পর্ণাকে কিছু জানাতে পারছে না। এদিকে পর্ণাকে বারবার মিথ্যে বলতেও ভালো লাগছে না তার। এরপর দেখা যায় পরেরদিন পর্ণা ২০ লক্ষ টাকার চেক নিয়ে যায় লাইভ নিউজের অফিসে। সেখানে গিয়ে পর্ণা অভিমন্যুকে ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে নিজের রিজাইন লেটার নিয়ে চলে আসে। আর আসার আগে বলে আসে এবারে সে মুক্ত পাখি। এবার সে কিভাবে ইশা এবং অভিমন্যুর পর্দা ফাঁস করে তারা বুঝবে। পর্ণা এবারে আর তাদের ছেড়ে কথা বলবে না। অন্যদিকে অভিমন্যু বলে পর্ণা কিভাবে এই শহরে কোথাও চাকরি পায় সেটা সে দেখে নেবে।
তারপর পর্ণা সোজা চলে যায় তার পুরোনো কলেজে। সবকিছুর খোঁজ নিতে। কলেজে যাওয়া মাত্রই তার আবারো আবছা আবছা সব স্মৃতি ভেসে ওঠে। তারপর কলেজে ঢোকার সময় সেই গার্ড তাকে চিনতে পারে। কিন্তু পর্ণার কিছুই মনে পড়ে না। কিন্তু সে মনে মনে ঠিক করে নেয় সে কাউকে কিছু বুঝতে দেবে না। ওদিকে সৃজন সকালে পর্ণার ল্যাপটপ খুলে দেখে পর্ণা তার পুরোনো কলেজের ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছে, সে বুঝতে পারে না পর্ণা এই ব্যাপারে কি করে জানলে। সে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারকে ফোন করে সবটা জানায়। সব শুনে ডাক্তার বলে পর্ণার যদি নিজে থেকে কিছু মনে পড়ে তাহলে ঠিক আছে কিন্তু পর্ণা যদি জোর করে মনে করার চেষ্টা করে তার বড় ক্ষতি হয়ে যাবে, এমনকি তার মৃত্যু অবধি হতে পারে। এই শুনে ভয় পেয়ে যায় সৃজন এই সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে পর পর্ণাকে খুঁজতে।
আরও পড়ুনঃ যোগ্য সম্মান দিতে গিয়ে বিপদ বাড়াল আনন্দী! মাকে বাঁচাতে পারবে তো আদিদেব?
অন্যদিকে পর্ণা কলেজের ভিতর যায় আর তার সবকিছু চেনা চেনা লাগে। তারপর নিজে নিজেই চলে যায় লাইব্রেরি ঘরে। সেখানেও তাকে চিনতে পারে স্যার। এমনকি তিনি পর্ণার ব্যাচ নাম্বারও মনে রেখেছেন। এরপর তিনি পর্ণার খোঁজ খবর নিতে থাকে, তার সঙ্গে পুরোনো গল্প করতে থাকে। সেখানেই তিনি কলেজের ম্যাগাজিন দেখায় পর্ণাকে। এরপর পর্ণা তার কাছ থেকে তাদের ব্যাচের ম্যাগাজিন চেয়ে নেয়। ম্যাগাজিন হাতে পেয়ে পর্ণা সেখানে এডিটরের নামের জায়গায় নিজের নাম দেখে অবাক হয়ে যায়, তারপর রুচি, ইশা সবার সাথে নিজের ছবি দেখে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারে না সে। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হবে আগামী পর্বে।

