যোগ্য সম্মান দিতে গিয়ে বিপদ বাড়াল আনন্দী! মাকে বাঁচাতে পারবে তো আদিদেব?

কিছুদিন আগেই শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) নতুন ধারাবাহিক ‘আনন্দী’ (Anondi)। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা (Annwesha Hazra) এবং অভিনেতা ঋত্বিক মুখার্জিকে (Writwik Mukherjee)। এর আগের ধারাবাহিকে এই জুটি সাফল্য পেলেও দেখার অপেক্ষা এই ধারাবাহিকে এই জুটি কতটা সফল হয়। ধারাবাহিকের টিআরপির লিস্ট যেদিন বেরোবে সেদিনই ধারাবাহিক কতটা ভালো ফলাফল করছে সেটা বোঝা যাবে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আদিদেবের বাবা অনিরুদ্ধ এবং নন্দিনী মিলে আদিদেবকে তাদের নার্সিংহোম জয়েন করানোর জন্য মিটিং ডেকেছে। এরই মাঝে আদিদেবের মাকে অনেক ছোট বড় কথা বলে অপমান করেছে অনিরুদ্ধ। যা বাবা ছেলের মাঝে তর্ক বিতর্ক হয়েছে। এরপর দেখা যায় আদিদেবকে নিয়ে নন্দিনী এবং অনিরুদ্ধ টেবিলে মিটিং করতে বসে, ঠিক সেই সময় তাদের খাবার নিয়ে উপস্থিত হয় আদিদেবের মা। সেখানে ভুলবশত আদিদেবের মায়ের হাত থেকে কাঁচের বাটি পড়ে গিয়ে ভেঙে যায় এবং তাকে আবারও যাচ্ছে তাই বলে অপমান করে অনিরুদ্ধ। তখনই আদিদেব স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় সে কিছুতেই তাদের নার্সিংহোম জয়েন করবে না। তার মায়ের অপমানের পর তো কিছুতেই নয়। এরপরে আনন্দী আদিদেবের মাকে নিয়ে যায় হাতে মলম লাগানোর জন্য।

আনন্দী আজকের পর্ব ২৯ সেপ্টেম্বর (Anondi Today Episode 29 September)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দী কে জড়িয়ে ধরে নিজের মনের কথা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে আদিদেবের মা। ঠিক তখনই রান্না ঘরে এসে হাজির হয় আদিদেব। তখন আদিদেবকে অনেক কথা বলে আনন্দী। আনন্দী বলে তাদের পরিবারের ব্যাপারে কথা বলার অধিকার নেই কিন্তু তাও সে আজ বলছে। আনন্দী বলে সে নিজের মাকে অনেক ছোটবেলা হারিয়েছে। তাই মা না থাকার কষ্টটা ভালো মতো বোঝে আনন্দী। আদিদেব যেন মায়ের অপমান মুখ বুঝে সহ্য না করে। কারণ মায়ের হাতের ঘা তো আদিদেব মলম দিয়ে সরিয়ে তুলতে পারবে কিন্তু মনের ঘা কিভাবে সারাবে? আনন্দীর এই কথায় যেন বিবেক দংশনে ভুগতে থাকে আদিদেব।
নার্সিংহোম জয়েন করার জন্য শর্ত দেয় আদিদেব
অন্যদিকে ড্রয়িং রুমে আদিদেবকে কি করে নার্সিংহোমে নিয়ে আসা যায় সেই নিয়ে আলোচনা করছে আদিদেবের দাদা, বাবা, কাকা সকলেই উপস্থিত ছিল নন্দিনীও। আর সেই সময়ই নিজের মাকে নিয়ে ড্রয়িং রুমে এসে আদিদেব। সকলের সামনে আদিদেব জানায় তার কিছু শর্ত রয়েছে সেই শর্তগুলো মানতে পারলে তবে সে তাদের পারিবারিক নার্সিংহোমে যোগ দেবে। তার শর্ত হলো দুস্থ রোগীদের বিনামূল্যে সপ্তাহে কয়েকদিন চিকিৎসা করাতে হবে, দুস্থ রোগীদের ওপেন হার্ট সার্জারি করাতে হবে সপ্তাহে একদিন। এছাড়াও তার মাকে ম্যানেজিং ডিরেক্টর এর পদে বসাতে হবে আর হাসপাতালে ৫০ শতাংশ তার মায়ের নামে লিখে দিতে হবে।
আদিবের এই সমস্ত শর্ত শুনে তো প্রত্যেকেই আকাশ থেকে পড়ে। অবাক হয়ে যায় অনিরুদ্ধ। তার ছেলের এই ধরনের শর্তে সে প্রথমে কিছুতেই রাজি হয় না। প্রশ্ন তোলে নিজের স্ত্রীয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে। সবার সামনে অশিক্ষিত বলে প্রমাণ করতে চায় তাকে। তখন আদিদেব জানিয়ে দেয় যদি তারা এই কয়েকটি শর্তের রাজি থাকে তবে যেন আদিদেব কে জানায় নয়তো নার্সিংহোম জয়েন করবে না সে। অন্যদিকে আদিদেবের এই শর্তগুলি শুনে তো ভীষণ খুশি আনন্দী ও আদিদেবের ঠাম্মি।
আরও পড়ুনঃ জলসার ফ্লপ মেগার দাসী থেকে জি -এর রাণী! আপনি কি জানেন জগদ্ধাত্রীর প্রথম মেগার নাম?
আদিদেব এরপর নিজের মা কে নিয়ে হাতের ড্রেসিং করাতে নিয়ে যায়। আদিদেবের মা আদিদেবকে বলতে থাকে কেন আদিদেব বাবার সামনে এই শর্তগুলো রাখতে চাইলো। তার মা পড়াশোনা জানে না এই কথা সত্যি। কি করে সে এত বড় নার্সিংহোমের দায়িত্ব সামলাবে। তখন আদিদেব মাকে ভরসা দেয়, সাথে আনন্দীও। অন্যদিকে কিছুক্ষণ পরেই আদিদেবের বৌদি এসে তাকে বলে নিচে তার বাবা তাকে ডাকছে। এবার দেখার অপেক্ষা আর আগামী পর্বে কি হয়, আদিদেবের সব শর্ত কি মেনে নেবে অনিরুদ্ধ এবং নন্দিনী?

