পর্ণার সামনে চলে এল তার অতীতের আসল সত্যি! পর্ণার প্রশ্নের মুখোমুখি সৃজন!

বিগত দু বছর ধরে যেই ধারাবাহিক জি বাংলার পর্দায় একের পর এক নতুন টুইস্ট নিয়ে দর্শকদের মন জয় করে নিচ্ছে তা হল নিম ফুলের মধু (Neem Phuler modhu)। ধারাবাহিক যত পুরনো হয় অনেক সময় সেটা একঘেয়ে হয়ে ওঠে দর্শকের কাছে। কিন্তু নিম ফুলের মধু এমন একটি ধারাবাহিক যা দর্শকের জন্য নতুন নতুন চমক নিয়ে আসে প্রতি সপ্তাহতেই। যাতে দর্শকরা এতটুকু বোর না হয় ধারাবাহিক দেখতে গিয়ে। যেমন এই সপ্তাহতেও টিআরপিতে তৃতীয় স্থান দখল করে নিয়েছে নতুন নতুন ধারাবাহিক গুলিকে ছাপিয়ে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল ইশা যে পর্ণার শাড়িগুলো চুরি করে বস্ত্র বিতরণে বিলি করছে সেটা জানতে পেরেই ছুটে যায় পর্ণা এবং সৃজন। সেখানে গিয়ে ইশার পেট থেকে সব সত্যি কথা বার করে নেয় এবং কায়দা করে ইশাকে নিজেদের কাজে লাগিয়ে নেয়। ইশাও তার মান সম্মান খোয়া যাবে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যাবে এই ভয়ে পর্ণার কথায় রাজি হয়ে যায়। এদিকে পর্ণা এবং সৃজন বাড়িতে না থাকায় বাড়ির প্রত্যেক এই চিন্তায় পড়ে যায়। এক্সিবিশন আদৌ হবে কিনা সকলে সেটাই ভাবতে থাকে। আর ঠিক সেই সময় এক্সিবিশনের মঞ্চে উঠে হাজির হয় পর্ণা।

Bengali serial

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ২৮ সেপ্টেম্বর (Neem Phuler Modhu Today episode 28 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে পর্ণা এক্সিবিশন শুরু করার পর এক এক করে সমস্ত মডেলরা তাদের শাড়ির কথার শাড়ি পড়ে স্টেজে এসে র‍্যাম্প ওয়াক করে এবং তারপরে একে একে আসে রুচিরা, বর্ষা প্রত্যেকে। এবারে আসে এই এক্সিবিশনের আসল চমক। পর্ণা এনাউন্স করে তাদের শাড়ির কথার এবারের শো টপার হল জননেত্রী ইশা হালদার। ইশার নাম শুনে বাড়ির প্রত্যেকে অবাক হয়ে যায়, বিশেষ করে মৌমিতা এবং অয়নের চোখ ছানাবড়া হয়ে যায়। কেউই বুঝতে পারে না কি করে ইশাকে এখানে নিয়ে আসলো পর্ণা। এদিকে ইশার ফাঁদেই যে ইশাকে পর্ণা ফেলেছে সেটা কেউই জানে না।

এরপরে মঞ্চে ওঠে ইশা শাড়ির কথার শাড়ি সকলের সামনে তুলে ধরে এবং সবাইকে অনুরোধ করে পুজোতে এবার সকলে যেন শাড়ির কথা থেকেই শাড়ি কিনে পড়ে। এছাড়াও মঞ্চে উঠে পর্ণার ট্যালেন্টের প্রশংসা করতে শোনা যায় ইশার মুখে। এরপর পর্ণা ইশাকে দিয়ে তাদের এক্সিবিশনের জন্য ১০ লক্ষ টাকা ইনভেস্টমেন্ট নিয়ে নেয়। এভাবে ইশাকে ঘোল খেতে দেখে বাড়ির প্রত্যেকের দারুন মজা পায়। এরপরে একে একে সমস্ত সকল ইনভেস্টাররা পর্ণাদের শাড়ির কথার শাড়ি পছন্দ করে তাদের এডভান্স টাকা দিয়ে যায়। পুজোর শাড়ি, দীপাবলির শাড়ি সবকিছুর জন্য বুকিং করে যায় তারা। এই করে তাদের এক্সিবিশনে ২৫ লক্ষেরও বেশি টাকা উঠে যায়। সাথে ইশা তো নিজের হাতেই ১০ লক্ষ টাকা পর্ণার হাত তুলে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: রাগের চোটে সবার সামনে বেফাঁস সার্থক! ভোগিনীপ্রেমিকের কথায় অবাক রাই!

এরপর এক্সিবিশনে শেষে একটি মেয়ে এগিয়ে আসে পর্ণার সাথে কথা বলার জন্য। সে নিজেকে পর্ণার বন্ধু বলেই দাবি করে। তার নাম দীপিকা। দীপিকা পর্ণাকে কলেজ জীবনের সমস্ত ঘটনা বলতে থাকে, কিন্তু পর্ণা দীপিকাকে বা কলেজ জীবনের কোন কথাই মনে করতে পারে না। দীপিকা বলতে থাকে তারা একসঙ্গে কলেজ স্ট্রিট, ময়দান, গঙ্গার ঘাট কত কত জায়গায় ঘুরতে গিয়েছে। সবকিছু ভুলে গেল এত বড় ব্যবসায়ী হয়ে? এই সমস্ত কথা শুনে খারাপ লাগতে শুরু করে পর্ণার মেয়েটি তাদের কলেজের নাম, তারা কত সালের ব্যাচ সবকিছু বলে কিন্তু পর্ণার কিছুই মনে পড়ে না। মেয়েটির কথা শুনে তো পর্ণার মনে সন্দেহ গাঢ় হয়। সে সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে বেরিয়ে কলেজের নাম করে ব্যাচ নাম্বার দিয়ে সার্চ করতে থাকে। তবে কি অবশেষে সামনে আসবে পর্ণার অতীত?

Back to top button