দুর্গা সেজে শাশুড়িকে জব্বর ভয় দেখালো পর্ণা! বউমার বুদ্ধিতে কু’পোকাত কৃষ্ণা!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি ধারাবাহিক হলো ‘নিম ফুলের মধু’ (Neem Phuler Modhu)। ধারাবাহিকে বর্তমানে দুর্গাপুজোতে গণ্ডগোলের পর্ব দেখানো হচ্ছে। যা ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। পুজোর মধ্যেই মা দুর্গার গলা থেকে অয়ন মৌমিতা ইশার বুদ্ধিতে ৪ কোটি দামের হীরের নেকলেস চু’রি করেছে। আর সেই নিয়ে এখন দত্ত বাড়িতে হইচই কান্ড।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে পর্ণা এবং সৃজনের সন্দেহ হওয়ার পরে তারা অয়নদের ভাড়া বাড়িতে গিয়ে তাদের জেরা করতে থাকে। কিন্তু সেখানে গিয়ে কোনরকম লাভ হয় না। তাই তারা যায় ইশার বাড়িতে। ইশার বাড়িতেও ইশা আগে থেকেই সতর্ক হয়েছিল পর্ণা আসছে দেখে। তাই জন্য ইশার বাড়িতে গিয়েও কোন রকম প্রমাণ জোগাড় করতে পারে না পর্ণা সৃজন। এদিকে ইশাদের তিনজনের কথা শুনেই পর্ণার মনে হয় ৪ কোটি দামের ওই নেকলেস নিয়ে তারা দত্ত বাড়ির বাইরে বেরোতে পারেনি। সেই নেকলেস তাদের বাড়ির মধ্যেই রয়েছে কোথাও লুকানো। তাই সবাই মিলে সেই নেকলেস খোঁজাখুঁজি শুরু করো।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ২০ অক্টোবর (Neem Phuler Modhu Today episode 20 October)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে পর্ণার কথা অনুযায়ী সবাই দলে ভাগ হয়ে গিয়ে নেকলেস খুঁজতে শুরু করে দত্ত বাড়ির কোনায় কোনায়। কিন্তু হাজার খোঁজার পরেও কেউ কোথাও কিছু খুঁজে পায় না। এই রাতে কি হবে এদিকে কিছুতেই বুঝতে পারে না কোথায় তারা নেকলেসটা রাখতে পারে। কিন্তু হার চুরি যাওয়ার সাথে পুজো বন্ধ রাখার কোন মানেই হয় না। পুজো মাঝপথে বন্ধ রাখলে তো কোন ভাবেই বাড়ির মঙ্গল হবে না। তাই প্রত্যেকদিনের পুজো ছোট করে আয়োজন করার কথা ভাবে সবাই। দত্ত বাড়ির নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবারই দূর্গা পূজার সময় কুমারী পুজো করা হয়, এবারেও তারা অন্যথা হবেনা। কুমারী পূজা করা হবে, দত্ত বাড়িতে।
কিন্তু কুমারী কে হবে সেই নিয়ে যখন প্রত্যেকেই চিন্তিত, সেই সময় পর্ণার শশুর মশাই বলেন এ বছর কুমারী হবে সৃজন পর্ণার মেয়ে পুঁটি। পুঁটি কুমারী হবে শুনে তো বাড়ির প্রত্যেকেই ভীষণ খুশি। পুঁটি নিজেও এই কথা ভেবে বেশ খুশি। সে প্রথমবার কুমারী সাজবে দেখে, তাকে সবাই ঠাকুর ভেবে পুজো করবে। সবাই যখন পুঁটিকে কুমারী করতে ব্যস্ত সেই সময় হঠাৎ করেই বাধা দেয় কৃষ্ণা। কৃষ্ণা জানায় পুঁটি কোনভাবেই কুমারী হবে না। আসলে পর্ণার মেয়ে হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই পুঁটিকে কখনো পছন্দ করে না কৃষ্ণা। সেই কারণে কুমারী পূজাতে পুঁটিকে কুমারী করায় কৃষ্ণার খুব আপত্তি।
পুঁটিকে কুমারী সাজতে দেয় না কৃষ্ণা
কৃষ্ণার কথা শুনে পুঁটি কাঁদতে কাঁদতে উপরে চলে যায়। এদিকে সবাই কৃষ্ণাকে বারবার কথা শোনাতে থাকে কেন পুঁটির সাথে এরকম ব্যবহার করল কৃষ্ণা। এদিকে বাড়ির প্রত্যেকেই কৃষ্ণার উপর রেগে যায়। পর্ণা নিজের মেয়েকে বোঝাতে চলে যায়। এরপর সৃজন তার মাকে বলতে থাকে সে নিজের মেয়েকেই কুমারী বানাবে এবার পুজোতে। কিন্তু সৃজনের মা জানায় যদি মায়ের মনে কষ্ট দিয়ে তারা দুর্গা মায়ের পুজো করে তাহলে সেই পুজো দত্ত বাড়ির জন্য ভালো হবে না, আর চুরি যাওয়া হীরের নেকলেসও তারা ফিরে পাবে না। এই কথা শুনে প্রত্যেকেই ভয় পেয়ে যায়। এদিকে পর্ণা পুঁটিকে বারবার বোঝাতে থাকে, শান্ত করার চেষ্টা করে। সৃজনও বারবার বোঝাতে থাকে। তখন পর্ণা জানায় পুঁটি এ বছর কুমারী সাজবে। তার ঠাকুমা নিজে থাকে পুজোতে নিয়ে যাবে। পর্ণার মুখে এই কথা শুনে অবাক হয়ে যায় সৃজন।
আরও পড়ুনঃ যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও মেলেনি সম্মান! শেষ বয়সে ক্ষো’ভ নিয়েই ইহলোক ছেড়েছেন ললিতা চট্টোপাধ্যায়
এরপরে সবাই মিলে প্ল্যান করে পর্ণা দুর্গা সেজে কৃষ্ণাকে দেখা দেবে। সেইমতো সবাই রাতের বেলা ঘুমিয়ে পড়ার পর প্ল্যান মত পড়ে যায় কৃষ্ণার ঘরে। দুর্গা সেজে পর্ণা কৃষ্ণাকে আদেশ করে পুঁটিকে কুমারী বানানোর জন্য। কৃষ্ণা ভাবে সত্যি হতো মা দুর্গা তাকে দেখা দিতে এসেছে। মা দুর্গাকে দেখে কৃষ্ণা ভয় পেয়ে যায়। এবারে দেখার অপেক্ষা ভগবানের ভয়ে নিজের নাতনিকে মেনে নেয় কিনা কৃষ্ণা।

