তীরে এসে ডুবল তরী! বুড়িমার থানে এসে খুলে গেল নকল চুল! এবার কী করবে নায়িকা?

বছরের পর বছর ধরে চলা ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হল ধারাবাহিক ‘নিম ফুলের মধু’ (Neem Phuler Modhu)। ২ বছরের কাছাকাছি বয়স হল এই ধারাবাহিকের। টিআরপি তালিকায় শুরুর সময় থেকেই একের পর এক ছক্কা হাঁকিয়ে চলেছে এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের গত কয়েকদিনের পর্বে দেখানো হয়েছে কিভাবে সুইটির পর্দা ফাঁস করতে সৃজন পর্ণা প্ল্যান সাজিয়ে তাদের গ্রামে গিয়েছে। আর সেই ফাঁদে পা দিয়েছে সুইটি। ঠিক আগের বারের মতনই সুইটি সাহেবদের ফাঁসানোর জন্য ফাঁদ পাতে, কিন্তু এবারে সে নিজের পাতা ফাঁদেই পরে গিয়েছে। অন্যদিকে ইশা বুঝতে পেরে গিয়েছে পর্ণা সৃজন সুইটির সত্যি ফাঁস করতেই রঘুনাথপুর গিয়ে তাই সাথে সাথে মৌমিতা এবং অয়নকে পাঠিয়ে দেয় রঘুনাথপুর গ্রামে সুইটিকে সাবধান করতে।

Bengali serial

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব (Neem Phuler Modhu Today episode 15 September)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হতে চলেছে সুইটি নিজের প্ল্যান মতই ঠিক আগেরবার সৃজন এবং পর্ণার সাথে যা যা ঘটিয়েছিল এবারেও সাহেবরূপী রুচিরা, চয়ন এবং পর্ণার সাথে সেই ঘটনাই ঘটাচ্ছে। আগেরবার যেমন গ্রাম ঘুরতে নিয়ে যাবার নাম করে এবং বুড়িমার থান দর্শনের নাম করে পর্ণাকে সেখানে থেকে দূরে নিয়ে গিয়েছিল এবারেও পর্ণা এবং রুচিরা দুজনকে গ্রামের মেয়েদের সাথে পাঠিয়ে দিয়েছিল গ্রাম ঘুরতে। অন্যদিকে সৃজন এবং চয়ন কে ব্যস্ত করে তুলেছিল ক্রিকেট খেলার জন্য।

এরপর দেখা যায় সুইটির গ্রামের মেয়েদের সাথে গ্রাম ঘুরতে চলে যায় পর্ণা এবং রুচিরা। তারা নিজেরাও জানে এটা সুইটির দ্বিতীয় প্ল্যান। অন্যদিকে সৃজন এবং চয়ন ক্রিকেট খেলার জন্য পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে চলে যায়। আর ওইদিকে অয়ন এবং মৌমিতা এসে পৌঁছে রঘুনাথপুরে। রঘুনাথপুরে এসে তারা সুইটির বাড়ির খোঁজ করতে করতে আসে। আর সেখানেই উপস্থিত ছিল চয়ন, সৃজন। তারা পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলছিল তখন। প্রথমে যদিও ব্যাপারটা বুঝতে পারেনি অয়ন। তবে পরে ইশার সঙ্গে ফোনে রঘুনাথপুরে আসা নিয়ে কথা বলতে বলতে হঠাৎ করে অয়ন এবং মৌমিতা দেখে ছদ্মবেশে সেখানে উপস্থিত রয়েছে সৃজন এবং চয়ন। ফোনে ইশাকে সমস্তটা জানায় চয়ন। ইশাকে বলে রঘুনাথপুরে এই পাড়ার কয়েকজন ছেলের সঙ্গে ক্রিকেট খেলছে ছদ্মবেশে চয়ন এবং সৃজন। চয়নকে সাহেবের বেশে দেখা যাচ্ছে আর সাথে ট্যুর গাইডের ছদ্মবেশ নিয়েছে সৃজন।

Bengali serial

অন্যদিকে তো গ্রামের মেয়েদের সঙ্গে বুড়িমার থানে গিয়ে নাটক করতে থাকে পর্ণা এবং রুচিরা। গ্রামের মেয়েরা তাদের ঠাকুরের মন্দিরে পুজো দিতে বলে অন্য দিকে চলে যায়। তারপরে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে থাকে পর্ণা রুচিরা। কিন্তু হঠাৎ পর্ণার বুড়িমার স্থানের সেই জায়গা দেখে তার পুরনো কিছু স্মৃতি আবছা হয়ে ফুটে উঠে। রুচিরা তখন বুঝতে পারে হয়তো কোন পুরনো স্মৃতি মনে পড়ছে পর্ণার। রুচিকে সে জিজ্ঞাসা করতে থাকে সে তো এই প্রথমবার এখানে এসেছে তাহলে কেন তার এই জায়গাটা এত চেনা চেনা লাগছে। পর্ণার এই কথার কোন উত্তর দিতে পারেনা রুচি। পর্ণা যেন ভগবানের কাছে প্রার্থনা করে যাতে দেন সফল হয়ে ফিরতে পারে।

আরও পড়ুনঃ অনির্বাণের মুখে ফুলশয্যার কথা শুনে মুখ লুকালো রাই! মিঠিঝোরায় নতুন মোড়

তার কিছুক্ষণ পর সেখানে উপস্থিত হয় গ্রামের মেয়ে দুটি। আর তখন হঠাৎই বুড়িমার থানে মাথা ঠুকতে গিয়ে রুচিরার পরচুল খুলে পড়ে। সেখানে উপস্থিত মেয়ে দুটির কাছে হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় রুচি পর্ণা। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হবে আগামী পর্বে, আদৌ কি পর্ণা সৃজনরা সুইটির মুখোশ খুলতে পারবে? নাকি এতদূর তীরে এসেও তরী ডুবে যাবে।

Back to top button