ওস্তাদের মা’র শেষ রাতে! তার কাটা পর্ণার কবলে ইশা! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় এবং দর্শকদের একটি অত্যন্ত পছন্দের ধারাবাহিক হলো ‘নিম ফুলের মধু’ (Neem Phuler Modhu)। অনেক বছর ধরেই জি বাংলার পর্দায় এই ধারাবাহিকটি চলছে। খুব শীঘ্রই শোনা যাচ্ছে এই ধারাবাহিক শেষ হয়ে যেতে চলেছে। সম্ভবত চলতি মাসের শেষে এই ধারাবাহিকটি শেষ হয়ে যাবে।
ধারাবাহিকের শেষ কয়েকটি পর্বে দেখানো হয়েছে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে মৌমিতা এবং অয়ন দত্ত বাড়িতে এসে বুবাইকে নিয়ে যেতে চায়। কিন্তু বুবাই তার মা-বাবাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তাদের সাথে বুবাই যাবে না দত্ত বাড়িতেই থাকবে। এরপরে রাগে অপমানে অয়ন এবং মৌমিতা দত্ত বাড়ি থেকে বেরিয়ে সোজা যায় ইশার বাড়িতে। পর্ণার বিরুদ্ধে আবার নতুন করে চক্রান্ত করতে শুরু করে তারা। এদিকে দত্ত বাড়িতে দুর্গাপুজোর আয়োজনে শুরু হয়ে গিয়েছে। ইশা ভাবছে এটাই পর্ণার ক্ষতি করার জন্য মোক্ষম সময়।
নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ১৫ অক্টোবর (Neem Phuler Modhu Today episode 15 October)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে দত্ত বাড়িতে গয়নার কোম্পানির লোকজন এসে পর্ণার হাতে সেই হীরের নেকলেস তুলে দিচ্ছে মা দুর্গাকে পড়ানোর জন্য। আর পর্ণাকে দিয়ে সমস্ত রকম কাগজপত্রে সই করিয়ে নিচ্ছে। সাক্ষী হিসেবে সৃজন এবং ঠাম্মি সই করছে। সেটাই টিভিতে বসে বসে দেখছে মৌমিতা, ইশা আর অয়ন। এই খবর দেখার পরে ইশার মাথায় পর্ণাকে ফাঁ’দে ফেলার নতুন বুদ্ধি চলে আসে। ইশা মৌমিতাকে বলে এই পুজোতেই পর্ণা এবং গোটা দত্তবাড়ি কে জেলে পাঠাবে সে। এদিকে মৌমিতা ঈশাকে তার প্ল্যানের কথা জিজ্ঞাসা করে। তখনই ইশা জানায় যে গয়নার কোম্পানি থেকে হীরের হার দেওয়া হয়েছে ঠাকুরকে পড়ানোর জন্য সেই হার সরিয়ে ফেলতে হবে তাদের। তারপরেই দত্তবাড়ির প্রত্যেকে যাবে জেলে।
ইশার প্ল্যানের কথা শুনে তো বেশ খুশি হয় দুজনে। এরপরে দেখা যায় দত্ত বাড়িতে গয়নার কোম্পানির লোক সমস্ত কিছু তৈরি করে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর কথা বলে। কিন্তু সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাতে দিতে কিছুতেই রাজি হয় না ঠাম্মি। দত্ত বাড়ির নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে। সেখানে ক্যামেরা বসবে সেটা কিছুতেই মেনে নিতে পারে না ঠাম্মি। ঠাম্মি জানায় ক্যামেরা কোনমতেই যেন না বসে। ঠাম্মির এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে পর্ণা জানিয়ে দেয় কোনরকম সিসিটিভি বাড়িতে বসানো যাবে না এতে যদি এই কন্ট্রাকটা ভেঙে দিতে হয় তাহলে কোম্পানির লোক গয়না নিয়ে চলে যেতে পারে।
আরও পড়ুন: ফুলকি নয়, রুদ্রকে শে’ষ করতে আসছে তার সবচেয়ে বড় শ’ত্রু!
কিন্তু এই সমস্ত কথা শুনে গয়নার দোকানের প্রত্যেকেই অবাক হয়ে যায়। তাদের গয়নার সিকিউরিটির জন্য সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানোর কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু এখানে দত্ত বাড়ির লোকজনের রাজি হচ্ছে না আর এখন চুক্তিও ভাঙা যাবেনা। কারণ সই করানো হয়ে গিয়েছে সেই পেপারে। এরপর পর্ণা তাদের বুদ্ধি দেয় গেটের যদি এপারে মেটাল গেটের ব্যবস্থা করা হয় তাহলে কেউ কোনো রকম এদিক ওদিক করে তাহলে সেইখানেই এলার্ম বেজে উঠবে। পর্ণার চেনাশোনা পুলিশ অফিসারও পাহাড়ে থাকবে সেই গয়না পাহারা দেওয়ার জন্য, এতে রাজি হয়ে যায় গয়নার দোকানের কর্মচারীরা। এরপর দিন শুরু হয়ে যায় পুজোর আয়োজন নিয়ম কানুন। দত্ত বাড়ির নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে কামান দাগানো হয় তারপরে শুরু হয় পুজো। সেখানে আইনি পারমিশন লাগে সেই পারমিশন করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে চয়ন নিজে। তারপর এক এক করে সমস্ত নিয়ম পালন করা হয়। এদিকে পুজোতে লুকিয়ে উপস্থিত হয় ইশা। এবারে দেখার অপেক্ষায় যে উদ্দেশ্যে ইশা দত্ত বাড়িতে ঢুকেছে তার সেই উদ্দেশ্য সফল হয় কিনা।

