সিঁথিতে সিঁদুর উঠতেই পুরনো স্মৃতি মনে পড়ে গেল পর্ণার! জমে গেল আজকের পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো নিম ফুলের মধু(Neem Phuler Modhu)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় পর্ণা সমস্ত স্মৃতিশক্তি ভুলে যাওয়ায় সৃজনকে সুইটির বর ভেবে বসে ছিল এবং সৃজনের প্রতি সে দুর্বল হয়ে পড়ছিল বলে, মনে মনে অনুতপ্ত বোধ করে দত্তবাড়ি থেকে দূরে যাওয়ার জন্য নিজের বস অভিমন্যুকে বিয়ে করবে বলে ঠিক করে। তবে অভিমুন্য পর্ণার বিয়ের কথা শুনে সৃজনরা দলবল নিয়ে ছদ্মবেশে হাজির হয় সেখানে।

Neem Phuler Modhu 7 September full episode/নিম ফুলের মধু ৭ সেপ্টেম্বর পুরো পর্ব-

আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায় পর্নাকে গাড়িতে তুলে সৃজন আর জেঠি গাড়ি চালাতে বলে। পর্ণা তখন বলে, সৃজন এটা কিন্তু একদম ঠিক হচ্ছে না। আপনি কিন্তু ভুল করছেন। সৃজন বলে, আমি কোন ভুল করছি না পর্না বরং ভুল হওয়ার থেকে আপনাকে বাঁচাচ্ছি, না হলে পরে আপনি পস্তাতেন। এরপর সৃজন অভিমুন্যের অতীত আচরণের কথা তুলে বলে পর্না কি সব ভুলে গেছে? তখন জেঠি বলে, ঠিক‌ই তো?এতকিছুর পরেও তুই কেন উনাকে বিয়ে করতে চাইছিলিস?

episode

পর্ণা তখন বলে, জেঠি তুমি তো খুব ভালো করেই জানো সৃজন বিবাহিত আর বিবাহিতদের মাঝখানে আমি কিছুতেই থাকতে চাইছিলাম না। তাই সুইটি বৌদি আর সৃজনকে একসাথে রেখে আমি দূরে চলে যেতে চাইছিলাম, কারণ আমি যত দত্ত বাড়িতে থাকব তত বেশি করে সৃজন আমার প্রতি আকৃষ্ট হবে, যেটা আমি চাই না। আমি কারোর ঘর ভাঙতে চাই না জেঠি।

জেঠি তখন বলে, তুই কারোর ঘর ভাঙছিস না পর্ণা। তোর ঘর আগে থেকেই ঠিক হয়ে আছে‌। সৃজনকে বিয়ে করার মধ্যে কোন ভুল নেই। কিন্তু পর্ণা কিছুতেই এটা মানতে পারছে না। অন্যদিকে অভিমুন্য তো মানতেই পারছে না পর্নাকে এভাবে সৃজন নিয়ে চলে গেল! ঈশা তখন বলে, আমি বলেছিলাম না দত্ত বাড়ির ছেলেরা ভীষণ সাংঘাতিক, তাদের সাথে এভাবে মোকাবিলা করা যাবে না। অভিমুন্য বুঝতে পারে সত্যি, এত নিরাপত্তা সত্ত্বেও কীভাবে ওরা পর্নাকে নিয়ে চলে গেল!

ওদিকে সৃজন পর্ণাকে নিয়ে মন্দিরে যায়। বিয়ের আসরে পিকলুকে দেখে পর্ণা অবাক হয়ে যায় আর বলে, পিকলু তুই তো বুঝতে পারছিস সৃজন বিবাহিত! তাহলে তুই কি করে এটা মানছিস? পিকলু‌ও তখন দিদিকে বোঝায়, সব কিছু ভালো হচ্ছে,এতে কোন‌ও ভুল নেই। সৃজন তখন বলে,পুরহিত মশাই আপনি বিয়ের নিয়ম কানুন সমস্ত কিছু শুরু করে দিন।এর মধ্যে ওমি বাবু, চয়ন, বর্ষা, রুচিরা সবাই এসে হাজির হয়েছে বিয়ের মন্ডপে! তখন‌ই পর্ণা বলে,তোমরা তাহলে কেউ আমার কথা শুনবে না বলে ঠিক করেছ, তাই তো?

জেঠি তখন বলে,তোকে তো আমরা বোঝানোর চেষ্টা করছি, যেটা হচ্ছে ভুল কিছু হচ্ছে না। তুইও তো বুঝতে চাইছিস না। এবার বল আমরা কী করবো? অন্যদিকে পুজা এসে অভিমুন্যকে বলে,সুরঞ্জন খোঁজ নিয়ে বললো সৃজন পর্নাকে একটা মন্দিরে নিয়ে গেছে, বিয়ে করবে বলে! যেটা শুনে অবাক হয়ে যায় অভিমন্যু কারণ অভিমন্যু ভাবতে পারেনি পর্নাকে একেবারে বিয়ে করে বসবে সৃজন! ভেবেছিল পর্ণাকে সৃজন দত্ত বাড়িতে নিয়ে তুলবো।

আরও পড়ুন: মেয়েদের জন্য পৃথিবীটা অনেক ক’ঠিন! মিঠিঝোরা হয়ে উঠল তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ!

ওমি বাবুও পর্ণাকে বোঝায়, এই বিয়েতে কোন‌ও ভুল নেই। তুমি কৃষ্ণার কথা মাথায় এনো না। কিন্তু পর্ণা বলে সুইটি বৌদির কী হবে? সৃজন তখন বলে, আপনি সুইটির কথা শুনে এসব করছেন? সুইটির সাথে আমার বিয়ে হয় নি পর্ণা। ওর বাড়ি রঘুনাথপুরে, আপনি ওর বাড়ি যাবেন আর গিয়ে শুনবেন ও কতটা ঠক। ওকে আমি কোনদিন বিয়ে করি নি আর কখন‌ও করবো না। এই সব কথা বলে সৃজন পর্নার সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে দেয়।

Back to top button