মেয়েদের জন্য পৃথিবীটা অনেক ক’ঠিন! মিঠিঝোরা হয়ে উঠল তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলো মিঠিঝোরা (Mithijhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে যে রাই ও অনির্বাণের মধ্যে আর‌ও একবার দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছে আর সেই দূরত্বটা তৈরি হয়েছে অনির্বাণের সন্দেহবাতিক চরিত্রের কারণে। নিজের স্ত্রীকেই সে বিশ্বাস করে না, নিজের স্ত্রীর কথার থেকে তার কাছে কাগজের টুকরো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে রাইয়ের ফলস প্রেগনেন্সির রিপোর্টকেই অনির্বাণ সত্যি ভাবতে শুরু করে। রাই বারংবার করে বলতে থাকে সে প্রেগন্যান্ট নয় কিন্তু তার মুখের কথা কে বিশ্বাস না করে রিপোর্টটাকে বিশ্বাস করে সে। এরপর রাই যখন তাকে না জানিয়ে অন্য ডাক্তারকে দেখায় ও নিজের বোন ও বউমনির সাহায্য নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হবে বলে ঠিক করে তখন অনির্বাণ রাইয়ের বাড়িতে এসে রাইয়ের চরিত্র নিয়ে যা নয় তাই বলে।

Aratrika Maiti

অদ্ভুতরকম ভাবে রাইয়ের চরিত্র নিয়ে বলা এই সমস্ত ভুলভাল কথাতে বিশ্বাস করে রাইয়ের মা ও দাদা। এই বর্তমান ট্র্যাকটি যেন বর্তমান পৃথিবীকে বুঝিয়ে দিচ্ছে। এই পৃথিবীতে মেয়েদেরকে তার বর ভুল বুঝলে গোটা পৃথিবী তাদের ভুল বুঝতে শুরু করে। একজন মেয়ের বিচারক যেন তার বর! তাই তার বরের দৃষ্টি দিয়ে তাকে বিচার করা হয়।

যে কারণে আজও সমাজ একজন ডিভোর্সী মেয়ের দিকে আঙুল তোলে, কখন‌ও ভাবে না বিপরীত পক্ষের মানুষটিও দোষ যুক্ত হতে পারেন। ধারাবাহিকেও রাই বারবার চেষ্টা করেছে বরের সাথে সংসারটাকে মানিয়ে গুছিয়ে করার। কিন্তু পারেনি। কারণ অনির্বানের মনের মধ্যে থাকা পাহাড় প্রমাণ সন্দেহ দুজনের সম্পর্কটাকে নষ্ট করে দিয়েছে তিলে তিলে।

তাই শেষমেষ রাই ও অনির্বাণের থেকে মুখ ফেরায় আর অনির্বাণকে কেন সে ভালোবেসেছিল এই বিষয়টা তাকে রীতিমত কষ্ট দিতে থাকে। হয়ত এই কষ্টই তাকে জীবন বিমুখ করে তোলে এবং সে বেঁচে থাকার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এই ধারাবাহিকে রাইয়ের জীবন নিয়ে বর্তমানে প্রচুর মানুষ আলোচনা করছেন।

আরও পড়ুন: আনন্দী’র টাইম স্লট প্রকাশ্যে! হইচই নেট পাড়ায়! শেষ হতে চলেছে বিরাট জনপ্রিয় মেগা!

একজন যেমন লিখেছেন, “মিঠিঝোড়া নাটকটা থেকে একটা জিনিস শেখা যায় যে বাড়ীর বড় মেয়ের জন্য পৃথিবীটা কত কঠিন। মেয়ে হয়ে,বউ হয়ে, দিদি হয়ে সব জায়গায় কত কঠিন। যা কিছু হবে সব দোষ গিয়ে পরে বড় মেয়ের উপর। এই কঠিন পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য লড়াই কত কঠিন হবে। বড় মেয়ে পরিবারের জন্য যা কিছুই করুক না কেন কেউ সেটা মনে রাখে না।”

Back to top button