মেঘ নীলের বিয়ে দেওয়ার সমস্ত প্ল্যান করলো ঠাম্মি, মেঘের বিয়ে দেওয়ার জন্য পাত্র জোগাড় করে ফেলল মধুমিতা!

বর্তমানে নিজেদের আকর্ষণীয় প্লট দিয়ে দর্শকদের মাঝে সাড়া ফেলে দিয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) চ্যানেলের ইচ্ছে পুতুল (Ichhe Putul)। শুরু থেকে অন্য ধারাবাহিকের কপি বলে বেশ কিছুদিন সমালোচিত হলেও পরে নিজেকে যোগ্য বলে প্রমাণ করেছে এই মেগা। ধারাবাহিকটি টিআরপিতে তেমন আশানুরূপ ফল দিতে না পারলেও বাংলার দর্শকরা এই ধারাবাহিকটিকে দেখতে খুবই পছন্দ করেন। বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প একেবারে অন্যদিকে বাঁক নিয়েছে। দর্শকরা ভাবতেও পারিনি এইভাবেও ফিরে আসা যায়।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে নীল এবং মেঘের। তবে তারা দুজনেই ঠিক করেছে এক্স হাজব্যান্ড ওয়াইফ না থেকে নিজেদের বন্ধু হয়ে উঠবে। আগের দিনের পরই দেখা যায় তারা দুজন মিলে একটা রেস্টুরেন্টে গিয়েছে, কফি খেতে। একদম সাধারন বন্ধুত্বপূর্ণ কথোপকথনে লিপ্ত হয়েছে তারা। তবে এটা যে শুধু বন্ধুত্বের আটকে থাকবে না সেটা হয়তো এতক্ষণে বুঝতেই পেরেছেন দর্শকমহল। এই বন্ধুত্ব থেকেই আবার শুরু হবে তাদের প্রেম। পুরনো সমস্ত চ্যাপ্টার বন্ধ করে একেবারে নতুন এক গল্প শুরু করবে তারা।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, নীলের সাথে কথা সেরে বাড়িতে ফেরার পর মধুমিতা মেঘকে বলে, “আর দ্বিতীয়বার এক ভুল করোনা, তাহলে আর শুধরানোর সুযোগ থাকবে না।” মেঘ তার মাকে কথা দেয়, এমন কিছু আর হবে না। মধুমিতা তাও মেঘ আর নীলের ডিভোর্সের পরবর্তী সম্পর্কটা মেনে নিতে পারে না। সে অনিন্দ্যকে বলে, ডিভোর্সের আগে তো এতো কথাবার্তা দেখিনি তাহলে এখন এত কথা কিসের? তার বিষয়টা মোটেই ভালো লাগেনা। সে মেঘের জন্য আবার নতুন একজন পাত্র ঠিক করে।

এরপর কেটে যায় তিন মাস। একদিন ঠাম্মি বাড়ির সকলকে নিজের ঘরে ডাকে। সে বলে, “আমি আবার আমার নীল দাদার বিয়ে দিতে চাই। আর সেটা মেঘ দিদির সাথেই। তোমরা যদি আমাকে সাহায্য করো তবেই এটা সম্ভব হবে, নয়তো হবে না। এবার তোমরাই বলো কি করবে?” নীলের কাকাই কিছুতেই ভেবে পায় না কিভাবে এটা সম্ভব। কারণ নীল এতে কোনভাবেই রাজি হবে না। কিন্তু ঠাম্মি সবাইকে বলে সেই দায়িত্ব তার। ভালোভাবে বোঝালে সবাই রাজি হবে। মেঘকে পেলে নীল খুশি হবে। বিষয়টাতে বেশ উৎসাহী হয়ে ওঠে গিনি লাল প্রত্যেকে। কারণ তারাও এতদিন ধরে এটাই চেয়ে এসেছে।

আরও পড়ুন: সুখের মুখ দেখার আগেই ইশার নতুন চাল, মশলায় ভেজাল মেশানোর অপরাধে গ্রেফতার সৃজন, দোকানে পড়লো তালা!

এরপর দেখা যায় গিনি মেঘ আর জিষ্ণু তিনজনে একসাথে দাঁড়িয়ে কথা বলছে। জিষ্ণুকে নিয়ে মশকরা করে মেঘ যেটাতে ক্ষেপে যায় জিষ্ণু। এইভাবে হাসি-ঠাট্টা চলতে চলতে হঠাৎ মেঘের ফোনে একজনের ফোন আসে। তাকে ফোন করেছে রিভু। এই ছেলেটির ছবি মেঘকে তার মা আগেই দেখিয়েছে। ছেলেটি ডিভোর্সি। তবে মেঘের অনেক বড় ভক্ত এবং মেঘকে ভালোবাসে। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার। মেঘের খেয়াল রাখবে তার ভালো থাকার দায়িত্ব নেবে। মেঘ আড়ালে গিয়ে রিভুর সাথে কথা বলতে থাকে। সে বলে, “আপনার হয়তো আপনার স্ত্রীর সাথে সেরকম সম্পর্ক নেই তবে আমার কিন্তু নীলের সাথে এখনো ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আমি কিন্তু ওকে ভুলতে পারিনি।” আড়াল থেকে মেঘের সমস্ত কথা শুনে নেয় গিনি আর বুঝে যায় ঠাম্মি এক বর্ণও মিথ্যে বলেনি।

Back to top button