সামাজিক নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাইকে সম্প্রদান করল নন্দিতা, বৈবাহিক জীবনে সুখী হবে তো রাই?

জি বাংলার (Zee Bangla) যে ধারাবাহিকগুলো শুরুর থেকেই দর্শকদের মাঝে চর্চায় উঠে এসেছে তার মধ্যে অন্যতম অর্গানিক স্টুডিওর মিঠিঝোরা (Mithijhora)। শুরুর থেকেই তিন বোনের জীবনের কাহিনী ভীষণ পছন্দ করেছে দর্শক। সময়ের স্রোতে তিন বোনের জীবনে বাঁক নিয়েছে তিন দিকে। তবে রাইপূর্ণার লড়াইয়ে গল্প বেশ পছন্দ করেছেন বাংলার গৃহিণীরা।

তবে চলতি সময়ে রাই অনির্বাণের বিয়ে নিয়ে জমজমাট ধারাবাহিকের প্রতিটি পর্ব। তবে বিয়ের শুভ লগ্নেই ঘুমের ওষুধ খেয়ে নেয় নীলু। যদিও মরার জন্য নয়, শুধুমাত্র রাই অনির্বাণের বিয়েটা ভাঙার জন্য। এরপরই একটা সময় পর আংশিকভাবে হলেও সফল হয় নীলুর প্ল্যান। বিয়ে বন্ধ করেই নীলুকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যায় পরিবারের প্রত্যেকে। মেয়ের বাড়িতে এরূপ পরিস্থিতি দেখে অনির্বাণের মা অনির্বাণকে বলেন বিয়ে ভেঙে দিতে। কিন্তু না, ভালোবাসার মানুষের হাত ছাড়েনি অনির্বাণ। সেও ঠিক করে নেয় সে রাইকেই বিয়ে করবে।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৯ জুলাই (Mithijhora Today Episode 9 July)

ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে দেখা গেছে হাসপাতাল থেকে ফিরে রাইয়ের সঙ্গে মণ্ডপে বসেছে অনির্বাণ। এরপর রাই নন্দিতাকে বলে তার পাশে এসে বসতে। মেয়ের কথা শুনে চমকে ওঠেন নন্দিতা। একেই মহিলা তার ওপর বিধবা, তার উপস্থিতির কারণে যদি তার মেয়ের বৈবাহিক জীবনে কোন সমস্যার তৈরি হয়? এইভেবেই রাইকে বারণ করে দেন নন্দিতা।

রাইয়ের কাছে ক্ষমা চাইল বিক্রম

তখন রাই নন্দিতাকে বলেন বিক্রমের সঙ্গে যেন তিনিও রাইকে সম্প্রদান করেন। রাইয়ের কথা শুনে ফের রাইকে বারণ করে নন্দিতা। তখন পুরোহিত মশাই জানান সমস্ত নিয়ম আদতে মানুষের তৈরি। আর তাছাড়া বাবা না থাকলে মা মেয়েকে সম্প্রদান করতে পারবে এমন বিধি শাস্ত্রে রয়েছে। পুরোহিত মশাইয়ের কথায় সায় দিয়ে অনির্বাণও বলে বড়দের আশীর্বাদ পেলে তার নিশ্চয়ই সুখে হবে। সবার কথা শুনে আর বারণ করতে পারেননি নন্দিতা। বিক্রমের সঙ্গে বসে তিনিই সম্প্রদান করেন রাইকে। তারপর রাইয়ের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেয় অনির্বাণ।

আরও পড়ুন: হঠাৎ করে সব শেষ! প্রিয়জনকে হারিয়ে ফেললেন জনপ্রিয় গায়িকা উষা উত্থুপ!

তবে বিদায় বেলায় ফের চোখ ছলছল করতে ওঠে সকলের। রাইয়ের কাছে ক্ষমা চায় বিক্রম। মা আর দাদার থেকে অনুমতি নিয়ে অনির্বাণের হাত ধরে নতুন জীবনে পা রাখে রাই। চলে যায় শ্বশুরবাড়ি। এদিকে বিয়ে সেরে বাড়িতে আসতেন সকলকে বিয়ের ব্যাপারে প্রশ্ন করে শৌর্য্য। নীলুকে নিয়ে ছেলের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই দেখে বেশ অবাক হন সুচিস্মিতা। তিনি স্পষ্ট বুঝতে পারেন তার ছেলে রাইয়ের বিয়ে নিয়ে একেবারেই খুশি নয়। সবটাই আসলে নাটক করছে। এবার রাইয়ের সঙ্গে অনির্বাণের সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য তার ছেলে নির্ঘাত কিছু না কিছু করবে। রাই অনির্বাণের বিয়ে ভাঙার জন্য কি করবে শৌর্য্য? জানতে হলে মিস করবেন না মিঠিঝোরা।

 

Back to top button