এরা মানুষ নাকি জা’নোয়ার? রাইয়ের এমন অবস্থাতেও অনির্বাণের মনে সন্দেহের বাসা!

মানুষ নিচে নামতে নামতে একটা সময় এত তলায় তলিয়ে যায় যে আর খোলা আকাশের নিচে আসা তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। তাদের মনের ময়লা এত গাঢ় এবং ঘন, সেই ময়লা পরিষ্কার করে নতুন করে শ্বাস নেওয়া তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে ওঠে। তারা তাদের মনের ময়লাকে সঙ্গী করেই তার আশেপাশের মানুষদের কষ্ট দিতে থাকে। এইরকমই একটি মানুষ হলো জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়ক অনির্বাণ। যার নি’র্যাতনে আজ রাইয়ের এমন অবস্থা।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই এত ভালো একটা মেয়ে হয়েও নিজের জীবনে এতটুকুও সুখ পেল না। মানুষ দুইভাবে অ:ত্যাচারিত হতে পারে, এক মানসিকভাবে এবং দুই শারীরিকভাবে। আর এই দুই ধরনের অ’ত্যাচার করাই সমান অ’পরাধমূলক কাজ। রাইকে মানসিকভাবেই নি’র্যাতন করে সবার চোখে অনেকটাই নিচে নেমে গিয়েছে নায়ক অনির্বাণ। কে বলতে পারে? কিছুদিন পরে হয়তো গায়েও হাত তুলত সে!

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৯ সেপ্টেম্বর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 9 September)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, স্রোত অনির্বাণকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, সে যেন তার দিদির কাছে আর না যায়। তার জন্য যদি তার দিদি ভাইয়ের কোনরকম কোন ক্ষতি হয় তাহলে সে আর অনির্বাণকে ছেড়ে দেবে না। এই বিষয়টা আর পাশাপাশি বসে মিটিয়ে নেওয়ার মতন অবস্থায় নেই। এটা একজনের জীবন ম’রণের প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। তাই সে আর কখনোই নিজের দিদিভাইকে ওই নর’কের মধ্যে ঠেলে দিতে পারবে না। এই বলে স্রোত তাড়াতাড়ি হাসপাতালে চলে যায়। সেখানে রাইয়ের চিকিৎসার টাকাটা মেটানোর সময় মিষ্টি বলে সে তার কিছু গয়না বেচে দিলে বাকি টাকাটা উঠে আসবে। তখন সেখানে চলে আসে অনির্বাণ আর সে রাইয়ের চিকিৎসার টাকাটা দিতে চায়।
স্রোত সেটা কিছুতেই রাজি হয় না। কিন্তু সার্থকের বাবার দেওয়া টাকাটা স্রোতে নিতে রাজি হয়ে যায়। এটা দেখে অনির্বাণ জিজ্ঞাসা করে, সে রাইয়ের স্বামী হয়েও টাকা দিতে পারছে না এদিকে অন্য লোকের থেকে টাকা নিতে স্রোতের কোন অসুবিধা নেই এরকম কেন হবে? তখন স্রোত বলে, অনির্বাণ কখনোই কোন দায়িত্ব পালন করেনি তাই আজ এই টাকাটা দিয়ে তাকে দয়া ভিক্ষা দিতে করতে হবে না। তারপর অনির্বাণ চলে যায় শৌর্যর কাছে। সেখানে গিয়ে সে তার ভাইকে বলে, তার আর মুখ দেখানোর মতন অবস্থান নেই। কিন্তু তাও সে তার ভাইয়ের কাছে ক্ষমা চাইছে। শৌর্য বলে, আর কতবার ক্ষমা চাইবে অনির্বাণ? সে রাইয়ের সঙ্গে যেগুলো করেছে সেসব করার পর সে কারোর ক্ষমা পাওয়ার যোগ্য নয়।
আরও পড়ুন: অরিন্দম শীলের পর এবার জয়জিৎ! উঠতি নায়িকাকে কুৎসিত ইঙ্গিত করে যৌ’ন হেনস্থা! ধিক্কার জানাচ্ছে জনতা
ফের রাইকে নিয়ে অনির্বানের মনে প্রশ্নের ভিড়
কথাটা শোনার পর অনির্বাণ তার ভাইকে জিজ্ঞাসা করে, তার মানে রাই সমস্ত কথা তাকে বলে দিয়েছে! রাইকে সে ঠিক কোন কোন কথাগুলো বলেছে সেই সবকিছু রাই জানিয়ে দিয়েছে শৌর্যকে? এটা শুনে বেশ অবাক হয়ে যায় শৌর্য। সে ভাবতেও পারে না এত কিছুর পরেও একটা মানুষের মনে এখনও এমন কদাকার চিন্তাভাবনা আসতে পারে? শৌর্য বলে, “এইতো তুই পেয়ে গেলি তোর মনের নোংরা বের করার জায়গা। আমি তোকে আর কিছুই বলবো না। তোর যখন যেটা করা উচিত ছিল তুই সেটা করিসনি তাই আজ তোর এই পরিণতি।” রাইয়ের এই চরম দুর্ভাগ্যের কথা ভেবে খারাপ লাগে শৌর্যর।

