অনির্বাণের নোংরামি সহ্য করতে না পেরে সত্যিটা জানিয়ে দিল শৌর্য! ধারাবাহিকে ধুন্দুমার পর্ব

এই মুহূর্তে বাংলা টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় চ্যানেল জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছে মিঠিঝোরা (MithiJhora)। এই ধারাবাহিকের নায়িকা রাই বর্তমানে সবার কাছে অত্যন্ত প্রিয় হয়ে উঠেছে। এখন তাদের এই প্রিয় মানুষটার জীবনে বিরাট ঝড় নেমে এসেছে। শারীরিকভাবে ভেঙে পড়েছে রাই। এমন অবস্থায় তার পাশে নেই অনির্বাণ অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়ক। নায়িকার চরিত্রে দেখা যাচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতিকে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই অপারেশন থিয়েটারে যাওয়ার আগে বারবার করে প্রত্যেককে জানিয়ে দেয়, তার যেটাই হোক না কেন সেটা কোন ভাবে যেন অনির্বাণ সেনের কানে না পৌঁছয়। সে যেন কোন কিছু না জানতে পারে। যদি সে সুস্থ হয়ে যায় তাহলে অনির্বাণের সঙ্গে সে আর কোনরকম কোন সম্পর্ক রাখতে চায় না। দ্বিতীয়বার নিজের ভুলটার পুনরাবৃত্তি সে করবে না। কিন্তু মাথার ঠিক রাখতে না পেরে অনির্বাণকে সবটা জানিয়ে দিল শৌর্য।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৬ সেপ্টেম্বর (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 6 September)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনির্বাণ ভেবে ভেবে কিছুই বের করে উঠতে পারে না। নিজের বউয়ের কুকীর্তি হাতেনাতে ধরতে নানা রকম পরিকল্পনা করতে থাকে সে। এমন সময় তার মাথায় আসে, যদি সত্যি করি রাই কোন হাসপাতালে গিয়ে থাকে তাহলে তার সাথে থাকবে শৌর্য। অনির্বাণ সঙ্গে সঙ্গে ফোন করে তাকে। কিন্তু অনির্বাণের কল আসছে দেখে ফোনটা তোলে না শৌর্য। এরপর অন্য একটা নাম্বার থেকে ফোন করলে তখন ফোনটা ধরে শৌর্য। এরপর আবার সেই নোংরা নোংরা কথা বলা শুরু করে অনির্বাণ। একে রাইয়ের এই অবস্থা তার মধ্যে আর নিজের মাথার ঠিক রাখতে পারেনা শৌর্য। সে বেশ কিছুটা সত্যি অনির্বাণকে জানিয়ে দেয়।
হাসপাতালে ছুটে এলো অনির্বাণ
শৌর্য বলে, “রাই এখন অপারেশন থিয়েটারে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে। ও আদৌ বেঁচে উঠবে কিনা তার কোন ঠিক নেই। বাকিটা জানতে চাইলে নিজে জেনেনে।” সবটা জানতে পেরে অনির্বাণ খোঁজখবর নেয় আর সেখান থেকে সে জানতে পারে রাই গর্ভবতী নয়, আসলে তার জরায়ুতে ক’র্কট রোগ হয়েছে। আর এই রোগের লক্ষণ গর্ভবতী হওয়ার লক্ষণের সমান। সবটা জানতে পেরে অনির্বাণের বাবা-মা ও বেশ লজ্জা পায়। সোহিনী ভাবতে থাকে, তার ছেলের মান সম্মান সবটা এবার নষ্ট হয়ে যাবে। অনির্বাণকে তারা হাসপাতালে যেতে বাধা দেয়।
আরও পড়ুন: সাড়া দিচ্ছে না রাই! বাঁচার সব ইচ্ছে শেষ! মিঠিঝোরাতে নতুন মোড়!
আর কোন দিক না ভেবে কারোর কথা না শুনে অনির্বাণ হাসপাতালে ছুটে যায়। আর সেখানেই সে মুখোমুখি হয় স্রোতের। অনির্বাণ যখন রিসেপশনে গিয়ে রাইয়ের খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করে তখন বেশ অবাক হন রিসেপশনিস্ট। তিনি বলেন, “আপনি আদৌ রোগীর স্বামী কিনা সেই নিয়ে আমাদের সন্দেহ আছে। কারণ উনার এত গুরুত্বপূর্ণ একটি অপারেশন হচ্ছে আর আপনি কিছু জানেন না এটা বেশ অস্বাভাবিক।” কথাগুলো শুনে দূর থেকে হাসে স্রোত। অনির্বাণ কতটা অভাগা সেটাই ভাবতে থাকে সে। এরপর অনির্বাণকে আলাদা করে ডেকে নিয়ে গিয়ে তার দিদির সাথে হওয়ার সমস্ত অন্যায়ের গুনে গুনে জবাব নেয় স্রোত।

