সাড়া দিচ্ছে না রাই! বাঁচার সব ইচ্ছে শেষ! মিঠিঝোরাতে নতুন মোড়!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরা(Mithijhora)। এই ধারাবাহিকে এখন দেখা যাচ্ছে যে রাই যখন হাসপাতালে অপারেশন থিয়েটারে বসে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে লড়াই করছে সেই মুহূর্তে অনির্বাণ মদ খাচ্ছে আর রাইকে ভুল বুঝছে! রাই কোথায় থাকতে পারে এই প্রশ্নের উত্তরে অনির্বাণের মা সোহিনী আবার বলছে,যেহেতু স্রোত ডাক্তার হয়ত ওর সাথে বাচ্চা ন’ষ্ট করতে গিয়েছে কোথাও!
সবথেকে আশ্চর্যের কথা হল এই সব কিছুকে বিশ্বাস করছে অনির্বাণ। তার একবারের জন্যও মনে হচ্ছে না রাই এইরকম নয়! রাই কোথায় থাকতে পারে বা কোথায় যেতে পারে সেটা জানবার জন্য একবারও চেষ্টা করছে না সে! রাই – যে মেয়েটি বাবার বাড়ি যাওয়ার আগে পর্যন্ত অনির্বাণকে ফোন করে ইনফর্ম করে, তার গোটা একদিন ফোন না লাগা সত্ত্বেও অনির্বানের মনে হচ্ছে না তার কোন বিপদ হতে পারে বলে! অদ্ভুত অনির্বাণের চরিত্র- যা নিয়ে রীতিমত সমালোচনা শুরু করছেন দর্শক।
অন্যদিকে নন্দিতা দেবী নিজের ভুল বুঝতে পেরে কষ্ট পেলেও বা চোখের জল ফেললেও সেই চোখের জল মুছে দিতে এগিয়ে আসছে না স্রোত বা মিষ্টি। বরং একজন মা হয়ে বারবার নন্দিতা দেবীর রাইকে ভুল বোঝার ব্যাপারটা যে রাইকে কতটা আঘাত করে সেটা বুঝিয়ে দিচ্ছে স্রোত ও মিষ্টি। অন্যদিকে শৌর্য্য অপারেশন অনেকক্ষণ ধরে হচ্ছে বলে যে চিন্তায় আছে রাইকে নিয়ে! অনিদার ব্যবহারে যে লজ্জিত!
ধারাবাহিকে দেখা যায় স্রোত ভেঙে পড়লে তাকে সান্ত্বনা দেয় সার্থক, হিসেব অনুযায়ী নায়িকার ক্রাইসিসে সবাই আছে একমাত্র নায়ক ছাড়া! বিষয়টা ভীষণ দৃষ্টিকটু লাগছে বলে বারবার সমালোচনা শুরু করেছেন দর্শক, তাদের বক্তব্য নায়ক চরিত্রটাকে এতটা খারাপ না করলেও পারতেন লেখিকা। যেহেতু দিনের শেষে রাইয়ের নায়ক অনির্বাণ, সেখানে অনির্বাণকে এতটা খারাপ দেখানোর কোনও প্রয়োজন ছিল না!
আরও পড়ুনঃ একদিকে সোহিনী অন্যদিকে নন্দিতা, একই মুদ্রার দুই পিঠ! এরা কি আদৌ ‘মা’ হওয়ার যোগ্য
অন্যদিকে ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে যে, স্রোত তার উজ্জ্বল আঙ্কেলকে জিজ্ঞেস করছে তার দিদিভাই কি ফাইট করছে? মানে বাঁচার চেষ্টা করছে ? তার উত্তরে আঙ্কেল তাকে বলছে, ও নিজে থেকে রেসপন্স করছে না, ওর শরীর রেসপন্স করছে অর্থাৎ এই কথাতে স্পষ্ট ভেতর থেকে রাই আর বাঁচতে চায় না। রাইয়ের বাঁচার কোনও ইচ্ছেই নেই।

