নীলুর হাতে হাতকড়া! সমস্ত কুকীর্তির জলজ্যান্ত প্রমাণ কোয়েলের মেয়ে দিয়া! স্মৃতি হারিয়ে শূন্য রাই!

জি বাংলার দর্শকদের প্রিয় ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো ‘মিঠিঝোরা’ (Mithijhora)। ধারাবাহিকটি বেশ কয়েক মাস হয়েছে শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায়। ধারাবাহিকের গল্প ধীরে ধীরে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। প্রথমদিকে ততটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বর্তমানে ধারাবাহিকের গল্প যে দিকে এগোচ্ছে তাতে করে দর্শক বেশ পছন্দ করছে ধারাবাহিকটি। ধারাবাহিকটিতে শুরু থেকেই তিন বোনের জীবনের গল্প ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

ধারাবাহিকের গত কয়েক দিনের পর্বে দেখানো হয়েছে এক দম্পতি রাইকে মাঝ রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে তারা সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় হাসপাতালে। সবাই চিন্তা করতে থাকে রাইয়ের জন্য। তারপর হঠাৎ করে বাড়িতে আসে অনির্বাণ। অনির্বাণকে দেখে প্রত্যেকেই তো ভীষণ রেগে যায়। অনির্বাণ বলে দেয় রাইকে খুঁজে পাওয়ার জন্য সে সবরকম চেষ্টা এবং সাহায্য করবে তাদেরকে। এদিকে নীলু এবং কোয়েল অন্য জায়গায় আবার আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু তার আগে যেখানে ছিল সেই লোকেশন ট্র্যাক করে পুলিশ জানতে পেরেছে রাইয়ের হারিয়ে যাওয়ার পিছনে তাদের হাত রয়েছে।

Bengali serial

নীলু জানতে পেরেছে পুলিশ তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেছে। এইবার তারা কোথায় লুকাবে সেই চিন্তাই করতে থাকে। অন্যদিকে ধীরে ধীরে রাইয়ের জ্ঞান ফিরছে। কিন্তু সে কিছুই মনে করতে পারছে না। এবার কিভাবে রাইকে খুঁজে পাবে সবাই, সেটাই দেখার অপেক্ষা।

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৩১ জানুয়ারি (Mithijhora Today Episode 31 January)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে পুলিশ অনির্বাণ, বউমনি সবার থেকে সবকিছু জানতে চায়। অনির্বাণ তখন বলে সে রাইয়ের নামে তার বাড়ি লিখে দিয়েছিল। এটা শুনে সবাই অবাক হয়ে যায়। কারণ বউমনি বা সার্থক কেউই এ বিষয়ে কিছু জানতো না। আর রাইও হয়তো এ বিষয়ে কিছু জানতে না। কারণ রাই জানলে সবার আগে বাড়িতে জানতো। আর অনির্বাণের সঙ্গে যোগাযোগ করে রাই এই বাড়ি ফিরিয়ে দিত। পুলিশ অফিসার বুঝতে পারে এই বাড়ির জন্যই হয়তো কিডন্যাপ করা হয়েছে রাইকে। এরপরই অফিসারের কাছে ফোন আসে। তিনি খবর পান নীলু এবং কোয়েল বর্তমানে যেখানে লুকিয়ে রয়েছে সেই জায়গার খোঁজ পেয়েছে তারা। সেখানে যার অফিসার তার গোটা টিম নিয়ে।

আরও পড়ুনঃ রাকার বয়ফ্রেন্ডের কথা শুনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিল সুস্নাত! পারুল রায়ান কি পারল রাকার বিয়েটা আটকাতে?

সেখান থেকে কোয়েল এবং নীলুকে কে হাতেনাতে ধরে। কিন্তু নীলু এখনো ডেসপারেটের মতো কাজ করে যাচ্ছে। সে কিছুতেই স্বীকার করছে না তার দিদির কিডন্যাপিং এর পেছনে তার হাত রয়েছে। পুলিশ অফিসারকে ভয় দেখিয়ে সেখান থেকে বেঁচে পালানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু পুলিশ অফিসারের সাথে চালাকি করে কোন লাভ হয় না। পুলিশ রাইয়ের কিডনাপিং এর জন্য নীলু এবং কোয়েলকে অ্যারেস্ট করে। এদিকে রাই তো হাসপাতালে ভর্তি, কিন্তু তার কিছুই মনে পড়ছে না। স্মৃতিশক্তি হারিয়েছে রাই। এবারে দেখার অপেক্ষা আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button